প্রত্ন-ভাষা

অনিকেত মহাপাত্র

ধুলো মাখা হাত ক্রমেই খুঁজে চলে
কোথায় আছে মুহূর্তেরা
ক্লীব বর্তমান নিয়ে
স্তম্ভ ছিল, দম্ভ ছিল
ভেক আর ভিক্ষাও
শ্রুতি গুনে গুনে চীবর ধারণ
এতো যে বৈভব আলো
মাজা ঘষা নাগরিক তেজ
নারকীয়
ঘুমন্ত পাথরে চিন্তন-বারুদ জমে
ইতি-মিথে দড়ি টানাটানি
হানিকারক
পর্যঙ্ক বেশে নির্মাণ হয়
মৃৎ-ভাষা, স্রষ্টার ঈষৎ তন্দ্রায়
তুমি আসো দেহে
বিদেহী কোন শরীরী হরতন
মিহি-মোটা গুলে খেও
বিড়ম্বনা মাধ্বী দিয়ে
বিবসনা কদলীর স্বাদ
হাতে লেগে ইতিহাস কণা, বর্তমান
সেও গেছে বন্যাত্রাণে
প্রত্নদেশ বুকে বই আজও….