খুঁজুন
সোমবার, ১৩ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩০শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন কারামুক্ত

সুন্দরবন নিউজ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:২১ অপরাহ্ণ
সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন কারামুক্ত

হত্যাচেষ্টা মামলায় দুপুরে জামিন পাওয়ার পর কারামুক্ত হলেন সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী।

রোববার (১২ এপ্রিল) বিকেলে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত হন তিনি।

কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার কাওয়ালিন নাহার বলেন, কারাগারে জামিননামা পৌঁছানোর পরই যথাযথ প্রক্রিয়া অনুযায়ী একটু আগে তাকে (সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী) রিলিজ করা হয়েছে।

মামলার সূত্রে জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে গত বছরের ১৮ জুলাই রাজধানীর লালবাগ থানাধীন আজিমপুর সরকারি কলোনির ভেতরে অন্যান্য আন্দোলনকারীর সঙ্গে মিছিল করছিলেন মো. আশরাফুল ওরফে ফাহিম নামে এক ব্যক্তি। ঘটনার দিন আসামিদের ছোঁড়া গুলিতে তার বাম চোখ নষ্ট হয়ে যায়। গত ১৭ জুলাই লালবাগ থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেন আশরাফুল।

‘স্বল্প সময়ে ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিষ্পত্তিকরণ সংসদীয় গণতন্ত্রের অনন্য নজির’

এর আগে, তার আইনজীবী এ বি এম হামিদুল মিজবাহ জানিয়েছিলেন, আর কোনো মামলায় আটকাদেশ না থাকায় শিরীন শারমিনের কারামুক্তিতে বাধা নেই।

কোন কোন দেশে রয়েছে ইরানের কত সম্পদ, ভবিষ্যত কী?

সুন্দরবন নিউজ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৩০ অপরাহ্ণ
কোন কোন দেশে রয়েছে ইরানের কত সম্পদ, ভবিষ্যত কী?

Oplus_131072

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা প্রশমনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচনায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলোর একটি হয়ে উঠেছে বিদেশে জব্দ থাকা ইরানের বিপুল পরিমাণ সম্পদ মুক্ত করার প্রশ্ন। ইসলামাবাদে সাম্প্রতিক আলোচনাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে এই বিষয়টিই এখন সবচেয়ে বেশি আলোচিত।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রথমে খবর প্রকাশিত হয় যে, বিদেশে আটকে থাকা ইরানের কিছু সম্পদ ছাড় দিতে নীতিগতভাবে রাজি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে পরে হোয়াইট হাউস এই দাবি সরাসরি নাকচ করে জানায়, এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, এই জব্দকৃত অর্থই হতে পারে ওয়াশিংটন-তেহরান সম্পর্কের ভবিষ্যৎ সমঝোতার কেন্দ্রবিন্দু। একই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি শান্তিচুক্তির ক্ষেত্রেও এটি একটি বড় দরকষাকষির হাতিয়ার।

ইরানের কত সম্পদ আটকে আছে?

ইরানের বিদেশে আটকে থাকা মোট সম্পদের সুনির্দিষ্ট পরিমাণ নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য পাওয়া যায়। তবে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিবেদন ও অতীত চুক্তির ভিত্তিতে ধারণা করা হয়, এর পরিমাণ দশকজুড়ে শত বিলিয়ন ডলারের বেশি।

২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তি বা জেসিপিওএ কার্যকর হওয়ার পর ইরান প্রায় ১০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি সম্পদ ব্যবহারের সুযোগ পেয়েছিল। কিন্তু ২০১৮ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ওই চুক্তি থেকে বেরিয়ে গেলে আবারও কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয় এবং সম্পদের বড় অংশ পুনরায় আটকে যায়।

এর আগে ২০১৪ সালের অন্তর্বর্তী পরমাণু চুক্তির পর ইরান ৪ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার ফেরত পেয়েছিল।

পরে ২০২৩ সালে দক্ষিণ কোরিয়ায় আটকে থাকা প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলার কাতারে স্থানান্তর করা হয়, যদিও সেই অর্থ ব্যবহারে কঠোর সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছিল।

কোন কোন দেশে রয়েছে এই সম্পদ

দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা, তেল বাণিজ্য এবং আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার জটিলতার কারণে ইরানের বিপুল অঙ্কের অর্থ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে আছে।

এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য দেশগুলো হলোঃ

> দক্ষিণ কোরিয়া
> জাপান
> কাতার
> সংযুক্ত আরব আমিরাত
> সিঙ্গাপুর
> চীন
> জার্মানি
> ভারত
> তুরস্ক

এ ছাড়া হংকংভিত্তিক কিছু শেল কোম্পানি ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন আর্থিক নেটওয়ার্কের মাধ্যমেও অর্থ সংরক্ষিত রয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

ঐতিহাসিকভাবে ইরানি তেলের বড় ক্রেতা হওয়ায় দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানে সবচেয়ে বড় অঙ্কের অর্থ জমা ছিল।

কেন এত গুরুত্বপূর্ণ এই অর্থ

বিদেশে আটকে থাকা এই অর্থ ইরানের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের মুদ্রা রিয়ালের মূল্য ব্যাপকভাবে কমে গেছে। একই সঙ্গে ডলার, ইউরো ও ইয়েনে আন্তর্জাতিক লেনদেন প্রায় অচল হয়ে পড়ায় আমদানি-রপ্তানি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বর্তমানে দেশটিতে উচ্চ মূল্যস্ফীতি, তীব্র ডলার সংকট এবং বৈদেশিক বাণিজ্যে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, এই সম্পদের একটি অংশও মুক্ত হলে তেহরানের ওপর চাপ অনেকটাই কমবে।

তবে ইরানের সম্পদ জব্দের ইতিহাস নতুন নয়; এর সূচনা কয়েক দশক আগে। ইসলামি বিপ্লবের পর যুক্তরাষ্ট্রের তেহরান দূতাবাসে কূটনীতিকদের জিম্মি করার ঘটনার জেরে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার প্রথমবারের মতো ইরানের প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ জব্দ করেন।

লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত ১০
এরপর ১৯৮১ সালের আলজিয়ার্স চুক্তির মাধ্যমে জিম্মি সংকটের অবসান ঘটে। এর ফলে প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার ছাড় পায় ইরান। তবে পুরো অর্থ সরাসরি তেহরানের হাতে যায়নি; একটি বড় অংশ ঋণ পরিশোধ ও আইনি নিষ্পত্তিতে ব্যবহৃত হয়।

পরবর্তী দশকগুলোতে পরমাণু কর্মসূচি, ব্যালিস্টিক মিসাইল উন্নয়ন এবং সন্ত্রাসে মদদ দেওয়ার অভিযোগে নিষেধাজ্ঞার পরিধি ক্রমশ বাড়তে থাকে। ফলে বিদেশে আটকে থাকা সম্পদের পরিমাণও বাড়তে থাকে।

২০১৮ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প পরমাণু চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নিলে ইরানের ওপর ‘সর্বোচ্চ চাপ’ নীতি পুনর্বহাল হয় এবং সম্পদের বড় অংশ আবারও জব্দ হয়ে যায়।

এখন কি ছাড় মিলবে?

ইসলামাবাদের সাম্প্রতিক আলোচনায় তেহরান সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে এই সম্পদ মুক্তির বিষয়টিকে। ইরান এটিকে অর্থনৈতিক টিকে থাকার প্রশ্ন হিসেবে দেখছে।

তবে যুক্তরাষ্ট্র এখনও প্রকাশ্যে কোনো প্রতিশ্রুতি দেয়নি। বরং হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সম্পদ ছাড়ের খবর “সত্য নয়”।

বিশ্লেষকদের ধারণা, ওয়াশিংটন এই অর্থকে কূটনৈতিক চাপ ও দরকষাকষির হাতিয়ার হিসেবেই ব্যবহার করবে। ফলে কত টাকা, কোন শর্তে এবং কখন ছাড় দেওয়া হবে— সেটিই এখন দেখার বিষয়।

তবে অনেকের মতে, এই বিপুল সম্পদের অন্তত একটি অংশ ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নিরসনে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

পাকিস্তানে বৈঠক ব্যর্থ তিন ইস্যুতে বিরোধ বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের

সুন্দরবন নিউজ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:১৮ অপরাহ্ণ
পাকিস্তানে বৈঠক ব্যর্থ তিন ইস্যুতে বিরোধ বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে আলোচনা চললেও মূল কয়েকটি বিষয়ে মতপার্থক্য থাকায় দুই পক্ষ চুক্তিতে পৌঁছাতে পারেনি।

রোববার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, এই বৈঠকে তেহরানের পক্ষ থেকে মোট ১০টি প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রও তাদের নিজস্ব কিছু প্রস্তাব দেয়। কিছু বিষয়ে অগ্রগতি হলেও তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে মতবিরোধ থেকেই যায়, যার কারণে চূড়ান্ত চুক্তি সম্ভব হয়নি। তবে ঠিক কোন তিনটি ইস্যু—তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।

তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, অন্যতম বড় মতবিরোধের বিষয় ছিল হরমুজ প্রণালি। ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি তাদের শর্ত না মানে, তাহলে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথের পরিস্থিতিতে কোনো পরিবর্তন আসবে না।

আরেকটি বড় ইস্যু ছিল ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুত। যুক্তরাষ্ট্র চায় ইরান এই মজুত ত্যাগ করুক, কিন্তু তেহরান এতে রাজি নয়। ফলে এই বিষয়টিও আলোচনায় বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

এছাড়া পারমাণবিক অস্ত্র ইস্যুতেও দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য রয়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানিয়েছেন, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি ত্যাগের প্রতিশ্রুতি দিতে রাজি না হওয়ায় আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, হরমুজ প্রণালি, ইউরেনিয়াম মজুত ও পারমাণবিক কর্মসূচি এই তিনটি ইস্যু দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধের কেন্দ্রবিন্দু। তাই এসব বিষয়ে সমঝোতা না হলে ভবিষ্যতেও আলোচনায় অগ্রগতি কঠিন হবে।

দীর্ঘ আলোচনা সত্ত্বেও বড় ধরনের অচলাবস্থা থেকেই গেছে। ফলে যুদ্ধবিরতি ও স্থিতিশীলতা নিয়ে যে আশা তৈরি হয়েছিল, তা আপাতত অনিশ্চয়তায় রয়ে গেল।

জামিন পেলেন সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

সুন্দরবন নিউজ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৫৯ অপরাহ্ণ
জামিন পেলেন সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

জামিন পেয়েছেন সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। রোববার (১২ এপ্রিল)। ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান তার জামিন মঞ্জুর করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, শিরীন শারমিনকে আজ আদালতে তোলা হয়নি। তার পক্ষে আইনজীবীরা শুনানিতে অংশ নেন।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির একটি বাসা থেকে তাকে আটক করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরে মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয় থেকে নেওয়া হয় আদালতে। সবশেষ আদালতের নির্দেশে পাঠানো হয় কারাগারে।

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় হত্যাচেষ্টা ও ভাঙচুরের ঘটনায় রাজধানীর লালবাগ থানায় করা একটি মামলায় এদিন সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর রিমান্ড ও জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠান আদালত। এর আগে আটকের পর ওই মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখায় পুলিশ।