খুঁজুন
সোমবার, ১লা ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ, ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভূ-প্লেটের চাপ বেড়েই চলেছে, আঁতকে ওঠার মতো তথ্য দিলেন বিশেষজ্ঞরা

সুন্দরবন নিউজ ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২২ নভেম্বর, ২০২৫, ১:৫২ অপরাহ্ণ
ভূ-প্লেটের চাপ বেড়েই চলেছে, আঁতকে ওঠার মতো তথ্য দিলেন বিশেষজ্ঞরা

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে শুক্রবার (২১ নভেম্বর)। এদিন সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে রিখটার স্কেল অনুযায়ী ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়। যা কয়েক সেকেন্ড পর্যন্ত স্থায়ী ছিল।

উৎপত্তিস্থল ঢাকার পাশে নরসিংদীর মাধবদীতে হওয়ায় তা পুরো দেশকে নাড়িয়ে দেয়। সাম্প্রতিক সময়ে দেশে উৎপত্তি হওয়া সবচেয়ে বড় ভূমিকম্প ছিল এটি। এতে অবকাঠামোগত প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। শিশুসহ নিহত হয়েছে অন্তত ১০ জন। আহত আছে কয়েকশ।

এদিকে, বাংলাদেশে বড় ধরনের ভূমিকম্পের আগাম বার্তা দিচ্ছে বলে সতর্ক করছেন ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, ভূগর্ভে চাপ ক্রমেই বাড়ছে এবং শক্তিশালী ভূমিকম্প হওয়ার মতো পরিবেশ দ্রুত তৈরি হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণে দেখা যায়, বাংলাদেশ ভূ-তাত্ত্বিকভাবে তিনটি বড় প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত। আসাম ফল্ট, ডাউকি ফল্ট এবং মিয়ানমারের সেগাইং ফল্টের চ্যুতি দিনদিন বাড়ছে। ফলে ভূগর্ভে শক্তি সঞ্চয়ের হার বেড়ে গেছে, যা বড় ধরনের ভূকম্পনের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

গত ৩০ বছরে দ্বিতীয়বারের মতো বাংলাদেশ ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প দেখল—এটি এখানেই থেমে থাকবে না বলে শঙ্কা প্রকাশ করছেন বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, যেকোনো সময় দেশে ৬ থেকে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প সংঘটিত হতে পারে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ও ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ ড. সৈয়দ হুমায়ুন আখতার জানান, কলম্বো বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে—এ অঞ্চলে ভারতীয় (ইন্ডিয়া) প্লেট পূর্বদিকে এবং বার্মা প্লেট পশ্চিমদিকে ধাবিত হচ্ছে। বার্মা প্লেটের নিচে ভারতীয় প্লেট তলিয়ে যাচ্ছে, যাকে ‘সাবডাকশন জোন’ বলা হয়।

জিপিএস পরিমাপ অনুযায়ী প্রতিবছর ১ থেকে দেড় মিটার পর্যন্ত সংকোচন হচ্ছে। তার মতে, এ জোনে ইতোমধ্যে ৮.২ থেকে ৯ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প হওয়ার মতো শক্তি সঞ্চিত হয়ে আছে।

ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল নরসিংদী হওয়ার কারণ জানালেন বিশেষজ্ঞরা
বিভিন্ন গবেষক জানান, এ অঞ্চলে ৭ মাত্রার ভূমিকম্প সাধারণত ১০০-১৫০ বছর পরপর এবং ৮ মাত্রার ভূমিকম্প ২৫০-৩০০ বছর পরপর ঘটে থাকে। সে হিসেবে বাংলাদেশে সামনে বড় ভূমিকম্পের আশঙ্কা খুবই প্রকট।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ও বাংলাদেশ আর্থকোয়াক সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা সেক্রেটারি ড. মেহেদী আহমেদ আনসারী বলেন, শুক্রবারের ভূমিকম্পটির গভীরতা প্রায় ১০ কিলোমিটার এবং স্থায়িত্ব ছিল প্রায় ২০ সেকেন্ড। এটি ভবিষ্যতের বড় ভূমিকম্পের আরেকটি আগাম সংকেত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, ১৮৬৯ সালের কাছাড় (৭ দশমিক ৬ মাত্রা), ১৮৮৫ সালের বেঙ্গল ভূমিকম্প (৭ দশমিক ১), ১৮৯৭ সালের গ্রেট ইন্ডিয়ান ভূমিকম্প (৮ দশমিক ১) এবং ১৯১৮ সালের শ্রীমঙ্গল ভূমিকম্প (৭ দশমিক ৬ মাত্রা)—এসব বড় ভূমিকম্পের ইতিহাস এই অঞ্চলের ঝুঁকি স্পষ্ট করে।

ড. আনসারীর মতে, ১৯৩০ সালের পর থেকে এ অঞ্চলে বড় কোনো ভূমিকম্প না হওয়ায় ঝুঁকির মাত্রা আরও বাড়ছে। বড় ভূমিকম্পের আগে ছোট ছোট কম্পন সাধারণ ঘটনা; গত কয়েক বছরে সেগুলোর সংখ্যাও বেড়েছে।

বড় ভূমিকম্পের ইঙ্গিত, সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে ঢাকা
ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞরা জানান, এর আগে বড় ভূমিকম্পগুলোর উৎপত্তিস্থল সাধারণত বাংলাদেশের বাইরে ছিল। এবার তা দেখা গেছে দেশের ভেতরেই—নরসিংদীর মাধবদীতে। ঢাকার আগারগাঁও আবহাওয়া অফিস থেকে এর দূরত্ব মাত্র ১৩ কিলোমিটার। ঢাকার এত কাছাকাছি এত বড় মাত্রার ভূমিকম্প এই প্রথম, যা বিশেষজ্ঞদের আরও উদ্বিগ্ন করেছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান রুবাইয়াত কবির বলেন, বাংলাদেশ ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকায় অবস্থিত। ইন্ডিয়ান ও ইউরোশিয়ান প্লেটের সংযোগস্থল হওয়ায় দেশের বেশ কিছু অঞ্চল বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।

তিনি জানান, দেশের ‘আর্থকোয়েক রিস্ক জোন’-এর মধ্যে উত্তর-পূর্বাঞ্চল সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ—সিলেট, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা অঞ্চলে ঝুঁকি সর্বোচ্চ। মধ্যাঞ্চলের রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার মাঝারি ঝুঁকিতে এবং খুলনা ও সাতক্ষীরা তুলনামূলকভাবে কম ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা।

নির্বাচিত হতে পারলে বাহাদুরপুর ব্রিজ ও কচুয়া ফুটবল মাঠ এবং কলেজ তৈরি করব : কাজী আলাউদ্দীন

সুন্দরবন নিউজ ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৫, ৮:০১ অপরাহ্ণ
নির্বাচিত হতে পারলে বাহাদুরপুর ব্রিজ ও কচুয়া ফুটবল মাঠ এবং কলেজ তৈরি করব : কাজী আলাউদ্দীন

সাতক্ষীরার আশাশুনির কুল্যায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নিয়ে ধানের শীষের নির্বাচনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কুল্যা ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৩টায়  কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে উক্ত নির্বাচনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।  

 কুল্যা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মনজুরুল হুদার সভাপতিত্বে ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. মো: খোরশেদ আলমের সঞ্চালনায়  সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও সাতক্ষীরা-৩ আসনের বিএনপি’র ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য কাজী আলাউদ্দীন।

এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, আশাশুনি উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক স.ম হেদায়েতুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক চেয়ারম্যান রুহুল কুদ্দুস, সাবেক সদস্য সচিব মশিউর হুদা তুহিন, ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি আতাউর রহমান লাল্টু প্রমূখ।

ধানের শীষের নির্বাচনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কাজী আলাউদ্দীন বলেন, নির্বাচিত হতে পারলে বাহাদুরপুর ব্রিজ ও কচুয়া ফুটবল মাঠ তৈরি করব। এবং কচুয়ায় একটি কলেজ নির্মাণ করব।

এ সময় তিনি আরো বলেন বিগত ১৭ বছর ধরে আশাশুনি উপজেলায় কোন উন্নয়ন হয়নি, তার মধ্যে  কুল্যা ইউনিয়নের রাস্তাঘাট ও কালভার্টের জরাজীর্ণ অবস্থায় পরিণত হয়েছে,  এগুলোর উন্নয়ন করবো।

বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে এদেশের সনাতন ধর্মাবলম্বীরাসহ সাধারণ মানুষ যেমন মায়ের কোলে শিশুরা  নিরাপদ থাকে, তেমনি করে আমার সময়ও নিরাপদে রাখবো। এছাড়া এই অঞ্চলের  জলাবদ্ধতা নিরসন, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ব্যবস্থা উন্নয়ন করব।
জনসভা শেষে বিএনপি’র চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টে দর্শকদের ঢল; প্রতিটি ইউনিয়নে মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের ঘোষণা কাজী আলাউদ্দিনের

সুন্দরবন নিউজ ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৫, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টে দর্শকদের ঢল; প্রতিটি ইউনিয়নে মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের ঘোষণা কাজী আলাউদ্দিনের

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে ৩ লক্ষ টাকার শহীদ জিয়া স্মৃতি ৪ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা। বুধবার বিকেলে আশাশুনি উপজেলার শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল মাঠে রাজাপুর মধ্যম একসরা যুব সংঘের আয়োজনে এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন করেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, সাবেক সংসদ সদস্য এবং সাতক্ষীরা–৩ (আশাশুনি–কালিগঞ্জ) আসনের ধানের শীষের মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রার্থী কাজী আলাউদ্দিন।
ফাইনাল খেলায় মুখোমুখি হয় কালিগঞ্জ পি.ডি.কে. মিতালী সংঘ বনাম হাজিপুর ইয়ং স্টার ক্লাব। খেলার ২২ মিনিটে হাজিপুর ইয়ং স্টার ক্লাবের বিদেশি খেলোয়াড় জেরি গোল করে দলকে এগিয়ে নেন। তবে প্রথমার্ধের ৩১ মিনিটে কালিগঞ্জ পি.ডি.কে. মিতালী সংঘের ইব্রাহিম সমতার গোল করে ম্যাচে ফিরে আসেন।দ্বিতীয়ার্ধে দারুণ প্রতিরোধ গড়ে কালিগঞ্জ পি.ডি.কে. মিতালী সংঘ আরও দুই গোল করে ম্যাচে আধিপত্য বিস্তার করে। শেষ পর্যন্ত ৩–১ গোলের ব্যবধানে হাজিপুর ইয়ং স্টার ক্লাবকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় কালিগঞ্জ পি.ডি.কে. মিতালী সংঘ। খেলা শেষে বিজয়ী দলের হাতে ট্রফি ও পুরস্কার তুলে দেন প্রধান অতিথি কাজী আলাউদ্দিন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে  কাজী আলাউদ্দিন  বলেন, “যুবসমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে হলে খেলাধুলার বিকল্প নেই। আমি নির্বাচিত হতে পারলে আশাশুনি উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে ১টি করে মডেল মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ করব। যুবকদের মাঠে ফেরাতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। এ ছাড়া জরাজীর্ণ বেড়িবাঁধকে টেকসই করে তোলা, সুপেয় পানির স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করা এবং এলাকার ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়নে বড় ধরনের প্রকল্প হাতে নেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

খেলাধুলা মানুষের মন–মানসিকতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আমি চাই আমাদের এলাকার তরুণরা সুস্থ বিনোদন আর খেলাধুলায় মনোনিবেশ করুক, দেশের ভালো কাজের সঙ্গে যুক্ত হোক।” তিনি আরও বলেন, “এলাকার উন্নয়ন, শিক্ষার প্রসার, ক্রীড়া সুযোগ বৃদ্ধি—সবকিছুর জন্যই আমি কাজ করে যাব। আশাশুনি ও কালিগঞ্জের মানুষের আস্থা অর্জনই আমার মূল লক্ষ্য।

সাতক্ষীরায় জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ ও প্রদর্শনী–২০২৫ অনুষ্ঠিত

সুন্দরবন নিউজ ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৫, ১:২৯ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ ও প্রদর্শনী–২০২৫ অনুষ্ঠিত

দেশীয় জাত, আধুনিক প্রযুক্তি: প্রাণিসম্পদে হবে উন্নতি এই প্রতিপাদ্য কে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ ও প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার সকালে সদর প্রাণিসম্পদ দপ্তর প্রাঙ্গণে  উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস ও ভেটেরানারি হাসপাতালের আয়োজনে জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডাঃ এফ এম মান্নান কবীর এর সভাপতিত্বে প্রাণিসম্পদ ও প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ্ আফরোজা আখতার।

সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুকিত খান, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ বদরুদ্দোজা, সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডাঃ মোঃ মশিউর রহমান সহ আরো অনেকে।

প্রদর্শনীতে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আসা ২২টি স্টল প্রদর্শনী করা হয়। উন্নত জাতের এবং অধিক উৎপাদনশীল জাতের গবাদি পশু যেমন: গাভী, ছাগল, ভেড়া, মুরগি, হাঁস,কবুতর, সৌখিন পাখি, পোষা প্রাণী এবং বিভিন্ন পশু-পাখি-প্রদর্শন করা হয়।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, প্রাণী সম্পদ বিভাগ আমাদের খাদ্যভাব পুরন সহ আমিষ ও পুষ্টিচাহিদা পুরন করে। এবং প্রাণী বা গবাদি পশু পালন করে লক্ষ লক্ষ পরিবার নিজেদের জীবিকা নির্বাহ করে। তাই প্রাণী সম্পদ রক্ষা ও উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য বর্তমান সরকার অনেক গুলো যুগান্তকারী ও সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছে। যার কারণে এ উপজেলায় দিন দিন সমৃদ্ধ হয়েছে এবং নতুন নতুন উদ্যোক্তা তৈরি ও উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে।  এই জাতীয় প্রদর্শনীর তাই অনেক গুরুত্ব রয়েছে।