খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১৪ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শীতে রোজ খান আমলকী, রয়েছে অবাক করা উপকারিতা

সুন্দরবন নিউজ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ নভেম্বর, ২০২৪, ৫:৪১ অপরাহ্ণ
শীতে রোজ খান আমলকী, রয়েছে অবাক করা উপকারিতা

দরজায় কড়া নাড়তে নাড়তে চলেও এসেছে শীত। সন্ধ্যার ঝিরঝিরে বাতাস সেই বার্তা ইতোমধ্যে দিতে শুরু করেছে। প্রস্তুতি নিয়েছেন তো?

খুশখুশে কাশি, সুড়সুড়ে নাক কিংবা ভোরের দিকে গলাব্যথা ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে অনেকের। ঋতু পরিবর্তনের সময় এমন হবেই। তার ওপর শীত পড়লেই ত্বকের শুষ্কতা, মাথায় খুশকি, চুলপড়ার সমস্যা শুরু হয়ে যাবে। শীতের সময় অনেকেই আবার মানসিক অবসাদে ভোগেন। জ্বর, সর্দি, শরীর ব্যথা আর বমিভাব তো লেগেই থাকে।

আর রোগ মানেই কাঁড়ি কাঁড়ি ওষুধ। তারচেয়ে শীতের শুরুতে একটু সাবধানতা অবলম্বন করি। প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় রাখি আমলকী।

আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে আমলকীকে বলা হয় মহৌষধ। কাঁচা আমলকীর টুকরো, রস ও রোদে শুকানো আমলকী কিংবা আচার যদি প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় থাকে, তাহলে শীতকালীন রোগবালাই থেকে আপনার মুক্তি মিলবে।

আমলকী কিংবা আচার যদি প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় থাকে, তাহলে শীতকালীন নানা রোগবালাই থেকে মুক্তি মিলবে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

আমলকীতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। ১০০ গ্রাম আমলকীতে ৬০০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি থাকে, যা কিনা আপেল, পেয়ারা, কমলা কিংবা আমের চেয়ে অনেক গুণ বেশি। এ ছাড়া আমলকীর রসে রয়েছে আয়রন, ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস।

আমলকীতে উপস্থিত ভিটামিন সি রোগ সংক্রমণের ঝুঁকি কমায়। কফ, বমি, অনিদ্রা, ব্যথা-বেদনা, ব্রঙ্কাইটিস ও অ্যাজমা ইত্যাদি অসুখ আমলকী সেবনে ভালো হয়। আমলকী শরীর ঠান্ডা রাখে, শরীরের কার্যক্ষমতা বাড়ায় এবং পেশি মজবুত করে।

এ ছাড়া মানসিক অবসাদ দূর করে আমলকী। শরীরের পাশাপাশি আমলকী মনেরও যত্ন নেয়। এর পলিফেনলস ও ফ্ল্যাভোনয়েড উপাদান মানসিক চাপ কমায়। বিশেষজ্ঞদের দাবি— যে অক্সিডেটিভ হরমোনের অত্যধিক ক্ষরণের জন্য মানসিক অবসাদ দেখা দেয়, আমলকী সেই হরমোন ক্ষরণে রাশ টানে।

আর ত্বক ও চুলের সমস্যার সমাধান আমলকী। শীতে ত্বক ও চুল উভয়েই শুষ্ক হয়ে যায়। দৈনিক আমলকী সেবনে ওই শুষ্কতা নিয়ন্ত্রিত হতে পারে। আমলকী খেলে চুলের গোড়া মজবুত হয়, খুশকি দূর হয়, চুল পড়া কমে এবং ত্বক উজ্জ্বল হয়।

এদিকে আমলকী পেটের যত্ন নেয়। আমলকীর রস কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলসের সমস্যা দূর করতে পারে। এ ছাড়া এটি পেটের গোলযোগ ও বদহজম রুখতে সাহায্য করে। দূর করে গ্যাস, অ্যাসিডিটির সমস্যাও।

এ ছাড়া চোখ ভালো রাখতে এবং দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে আমলকীর রস সাহায্য করে। এতে রয়েছে ফাইটো-কেমিক্যাল যা চোখের যত্ন নেয়। ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি কোলেস্টেরল লেভেল কমায়। প্রতিদিন আমলকীর রস খেলে নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ দূর হয় এবং দাঁত শক্ত থাকে। আমলকীর স্বাদ মুখের রুচি ও স্বাদ বাড়ায়।

কিংবদন্তি উসাইন বোল্টের রেকর্ড ভাঙলেন গাউট

সুন্দরবন নিউজ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৫৪ অপরাহ্ণ
কিংবদন্তি উসাইন বোল্টের রেকর্ড ভাঙলেন গাউট

সিডনির ট্রাকে ঝড় তুললেন ১৮ বছরের এক তরুণ। তার নাম গাউট গাউট। মাত্র ১৯.৬৭ সেকেন্ডে ২০০ মিটার দৌড় শেষ করে জিতে নিলেন জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপের স্বর্ণপদক। সেইসঙ্গে তোলপাড় করেছেন রেকর্ড বুক।

অনূর্ধ্ব-২০ পর্যায়ে নতুন বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন গাউট। ভেঙে দিলেন কিংবদন্তি উসাইন বোল্টের রেকর্ড। ১৮ বছর বয়সে বোল্টের দ্রুততম সময় ছিল ১৯.৯৩ সেকেন্ড। গাউট সময় নিলেন তার চেয়েও কম।

অস্ট্রেলিয়ার অ্যাথলেটিকস ইতিহাসে গাউটই প্রথম। এর আগে কোনো অজি স্প্রিন্টার ২০ সেকেন্ডের নিচে ২০০ মিটার শেষ করতে পারেননি। এমন দুর্দান্ত কীর্তি গড়ার পর গাউট বললেন, ‘আমি এর জন্যই অপেক্ষা করছিলাম।’

কিছুদিন ধরেই গাউটকে উসাইন বোল্টের সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে। তার লম্বা ধাপে পা ফেলা, সোজা হয়ে দৌড়ানো এবং শেষ দিকের বিধ্বংসী গতির কারণে তাকে ‘পরবর্তী বোল্ট’ বলছেন অনেকেই।

গাউটের নজর এখন আসন্ন অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্ব অ্যাথলেটিকস চ্যাম্পিয়নশিপের দিকে। তিনি বলেন, ‘আমি এখনো মাত্র ১৮ বছর বয়সী। আমি অবশ্যই আরও জোরে দৌড়াতে পারি।’

বোল্টের সঙ্গে তুলনা প্রসঙ্গে তিনি বেশ বিনয়ী। তিনি বলেন, ‘দিন শেষে আমি তো আমিই। আমি আমার কাজ করছি। আমার কোনো চাপ নেই। ট্র্যাকে নামলে শুধু ট্র্যাক আর আমার স্পাইক নিয়েই ভাবি।’

সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন কারামুক্ত

সুন্দরবন নিউজ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:২১ অপরাহ্ণ
সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন কারামুক্ত

হত্যাচেষ্টা মামলায় দুপুরে জামিন পাওয়ার পর কারামুক্ত হলেন সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী।

রোববার (১২ এপ্রিল) বিকেলে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত হন তিনি।

কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার কাওয়ালিন নাহার বলেন, কারাগারে জামিননামা পৌঁছানোর পরই যথাযথ প্রক্রিয়া অনুযায়ী একটু আগে তাকে (সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী) রিলিজ করা হয়েছে।

মামলার সূত্রে জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে গত বছরের ১৮ জুলাই রাজধানীর লালবাগ থানাধীন আজিমপুর সরকারি কলোনির ভেতরে অন্যান্য আন্দোলনকারীর সঙ্গে মিছিল করছিলেন মো. আশরাফুল ওরফে ফাহিম নামে এক ব্যক্তি। ঘটনার দিন আসামিদের ছোঁড়া গুলিতে তার বাম চোখ নষ্ট হয়ে যায়। গত ১৭ জুলাই লালবাগ থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেন আশরাফুল।

‘স্বল্প সময়ে ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিষ্পত্তিকরণ সংসদীয় গণতন্ত্রের অনন্য নজির’

এর আগে, তার আইনজীবী এ বি এম হামিদুল মিজবাহ জানিয়েছিলেন, আর কোনো মামলায় আটকাদেশ না থাকায় শিরীন শারমিনের কারামুক্তিতে বাধা নেই।

কোন কোন দেশে রয়েছে ইরানের কত সম্পদ, ভবিষ্যত কী?

সুন্দরবন নিউজ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৩০ অপরাহ্ণ
কোন কোন দেশে রয়েছে ইরানের কত সম্পদ, ভবিষ্যত কী?

Oplus_131072

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা প্রশমনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচনায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলোর একটি হয়ে উঠেছে বিদেশে জব্দ থাকা ইরানের বিপুল পরিমাণ সম্পদ মুক্ত করার প্রশ্ন। ইসলামাবাদে সাম্প্রতিক আলোচনাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে এই বিষয়টিই এখন সবচেয়ে বেশি আলোচিত।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রথমে খবর প্রকাশিত হয় যে, বিদেশে আটকে থাকা ইরানের কিছু সম্পদ ছাড় দিতে নীতিগতভাবে রাজি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে পরে হোয়াইট হাউস এই দাবি সরাসরি নাকচ করে জানায়, এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, এই জব্দকৃত অর্থই হতে পারে ওয়াশিংটন-তেহরান সম্পর্কের ভবিষ্যৎ সমঝোতার কেন্দ্রবিন্দু। একই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি শান্তিচুক্তির ক্ষেত্রেও এটি একটি বড় দরকষাকষির হাতিয়ার।

ইরানের কত সম্পদ আটকে আছে?

ইরানের বিদেশে আটকে থাকা মোট সম্পদের সুনির্দিষ্ট পরিমাণ নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য পাওয়া যায়। তবে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিবেদন ও অতীত চুক্তির ভিত্তিতে ধারণা করা হয়, এর পরিমাণ দশকজুড়ে শত বিলিয়ন ডলারের বেশি।

২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তি বা জেসিপিওএ কার্যকর হওয়ার পর ইরান প্রায় ১০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি সম্পদ ব্যবহারের সুযোগ পেয়েছিল। কিন্তু ২০১৮ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ওই চুক্তি থেকে বেরিয়ে গেলে আবারও কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয় এবং সম্পদের বড় অংশ পুনরায় আটকে যায়।

এর আগে ২০১৪ সালের অন্তর্বর্তী পরমাণু চুক্তির পর ইরান ৪ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার ফেরত পেয়েছিল।

পরে ২০২৩ সালে দক্ষিণ কোরিয়ায় আটকে থাকা প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলার কাতারে স্থানান্তর করা হয়, যদিও সেই অর্থ ব্যবহারে কঠোর সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছিল।

কোন কোন দেশে রয়েছে এই সম্পদ

দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা, তেল বাণিজ্য এবং আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার জটিলতার কারণে ইরানের বিপুল অঙ্কের অর্থ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে আছে।

এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য দেশগুলো হলোঃ

> দক্ষিণ কোরিয়া
> জাপান
> কাতার
> সংযুক্ত আরব আমিরাত
> সিঙ্গাপুর
> চীন
> জার্মানি
> ভারত
> তুরস্ক

এ ছাড়া হংকংভিত্তিক কিছু শেল কোম্পানি ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন আর্থিক নেটওয়ার্কের মাধ্যমেও অর্থ সংরক্ষিত রয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

ঐতিহাসিকভাবে ইরানি তেলের বড় ক্রেতা হওয়ায় দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানে সবচেয়ে বড় অঙ্কের অর্থ জমা ছিল।

কেন এত গুরুত্বপূর্ণ এই অর্থ

বিদেশে আটকে থাকা এই অর্থ ইরানের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের মুদ্রা রিয়ালের মূল্য ব্যাপকভাবে কমে গেছে। একই সঙ্গে ডলার, ইউরো ও ইয়েনে আন্তর্জাতিক লেনদেন প্রায় অচল হয়ে পড়ায় আমদানি-রপ্তানি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বর্তমানে দেশটিতে উচ্চ মূল্যস্ফীতি, তীব্র ডলার সংকট এবং বৈদেশিক বাণিজ্যে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, এই সম্পদের একটি অংশও মুক্ত হলে তেহরানের ওপর চাপ অনেকটাই কমবে।

তবে ইরানের সম্পদ জব্দের ইতিহাস নতুন নয়; এর সূচনা কয়েক দশক আগে। ইসলামি বিপ্লবের পর যুক্তরাষ্ট্রের তেহরান দূতাবাসে কূটনীতিকদের জিম্মি করার ঘটনার জেরে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার প্রথমবারের মতো ইরানের প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ জব্দ করেন।

লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত ১০
এরপর ১৯৮১ সালের আলজিয়ার্স চুক্তির মাধ্যমে জিম্মি সংকটের অবসান ঘটে। এর ফলে প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার ছাড় পায় ইরান। তবে পুরো অর্থ সরাসরি তেহরানের হাতে যায়নি; একটি বড় অংশ ঋণ পরিশোধ ও আইনি নিষ্পত্তিতে ব্যবহৃত হয়।

পরবর্তী দশকগুলোতে পরমাণু কর্মসূচি, ব্যালিস্টিক মিসাইল উন্নয়ন এবং সন্ত্রাসে মদদ দেওয়ার অভিযোগে নিষেধাজ্ঞার পরিধি ক্রমশ বাড়তে থাকে। ফলে বিদেশে আটকে থাকা সম্পদের পরিমাণও বাড়তে থাকে।

২০১৮ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প পরমাণু চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নিলে ইরানের ওপর ‘সর্বোচ্চ চাপ’ নীতি পুনর্বহাল হয় এবং সম্পদের বড় অংশ আবারও জব্দ হয়ে যায়।

এখন কি ছাড় মিলবে?

ইসলামাবাদের সাম্প্রতিক আলোচনায় তেহরান সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে এই সম্পদ মুক্তির বিষয়টিকে। ইরান এটিকে অর্থনৈতিক টিকে থাকার প্রশ্ন হিসেবে দেখছে।

তবে যুক্তরাষ্ট্র এখনও প্রকাশ্যে কোনো প্রতিশ্রুতি দেয়নি। বরং হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সম্পদ ছাড়ের খবর “সত্য নয়”।

বিশ্লেষকদের ধারণা, ওয়াশিংটন এই অর্থকে কূটনৈতিক চাপ ও দরকষাকষির হাতিয়ার হিসেবেই ব্যবহার করবে। ফলে কত টাকা, কোন শর্তে এবং কখন ছাড় দেওয়া হবে— সেটিই এখন দেখার বিষয়।

তবে অনেকের মতে, এই বিপুল সম্পদের অন্তত একটি অংশ ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নিরসনে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।