খুঁজুন
বুধবার, ২৮শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৪ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অস্ট্রেলিয়ায় ৫ বছরের ওয়ার্ক ভিসায় পরিবারসহ থাকতে পারবেন! জানুন ধাপে ধাপে এপ্লাইয়ের প্রক্রিয়া

সুন্দরবন নিউজ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ আগস্ট, ২০২৫, ১:৫৬ অপরাহ্ণ
অস্ট্রেলিয়ায় ৫ বছরের ওয়ার্ক ভিসায় পরিবারসহ থাকতে পারবেন! জানুন ধাপে ধাপে এপ্লাইয়ের প্রক্রিয়া

অস্ট্রেলিয়া দক্ষ কর্মীদের জন্য এক আকর্ষণীয় গন্তব্য, বিশেষ করে যারা পরিবার নিয়ে উন্নত জীবনযাত্রা ও পেশাগত ভবিষ্যতের খোঁজে থাকেন। এই উদ্দেশ্যে, অস্ট্রেলিয়ান সরকার Skilled Employer Sponsored Regional (Provisional) Visa – Subclass 494 চালু করেছে, যা অভিবাসনপ্রত্যাশী কর্মীদের আঞ্চলিক অস্ট্রেলিয়ায় কাজ ও বসবাসের সুযোগ দেয় ৫ বছরের জন্য। এর মাধ্যমে স্থায়ী নাগরিকত্ব পাওয়ার একটি সুস্পষ্ট পথও খোলা থাকে।

এই প্রতিবেদনটিতে Subclass 494 ভিসার উদ্দেশ্য, যোগ্যতা, আবেদন প্রক্রিয়া, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, এবং পরিবারের সদস্যদের জন্য সুযোগ-সুবিধা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

Subclass 494 ভিসা কী?
এই ভিসাটি আঞ্চলিক এলাকায় কর্মী সংকট পূরণের জন্য তৈরি করা হয়েছে। কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের একজন অনুমোদিত নিয়োগদাতা যদি স্থানীয় যোগ্য কর্মী না পান, তাহলে তারা বিদেশি দক্ষ কর্মীকে স্পনসর করতে পারেন এই ভিসার মাধ্যমে।

এটি একটি অস্থায়ী (provisional) ভিসা, তবে তিন বছর পর স্থায়ী বাসিন্দার (Subclass 191) জন্য আবেদন করা যায়, যদি নির্দিষ্ট আয়ের ও বসবাসের শর্ত পূরণ করা হয়।

প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ:

মেয়াদ: সর্বোচ্চ ৫ বছর
আপনি এবং আপনার পরিবার আঞ্চলিক অস্ট্রেলিয়ায় থাকতে, কাজ করতে ও পড়াশোনা করতে পারবেন
স্পনসর প্রতিষ্ঠান প্রয়োজন
পরিবার নিয়ে আবেদন করা যায়
স্থায়ী নাগরিকত্বের সুযোগ (Subclass 191 এর মাধ্যমে)
নোট: সিডনি, মেলবোর্ন, ও ব্রিসবেন ছাড়া প্রায় সব শহরই “আঞ্চলিক এলাকা” হিসেবে বিবেচিত — যেমন অ্যাডিলেইড, পার্থ, হোবার্ট।
Subclass 494 ভিসার প্রধান দুটি ধারা (Stream):

Employer Sponsored Stream – অনুমোদিত নিয়োগকর্তা দ্বারা স্পনসরকৃত দক্ষ কর্মীদের জন্য
Labour Agreement Stream – নিয়োগদাতাদের সাথে চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের জন্য
এই প্রতিবেদনের মূল ফোকাস Employer Sponsored Stream এ।

আবেদনকারীর যোগ্যতা:

বয়স ৪৫ বছরের নিচে
আঞ্চলিক এলাকায় কাজের অফার থাকা আবশ্যক
নির্ধারিত পেশায় স্কিল অ্যাসেসমেন্ট পাস
ন্যূনতম ৩ বছরের প্রাসঙ্গিক কাজের অভিজ্ঞতা
প্রমাণিত ইংরেজি দক্ষতা (IELTS: প্রতিটি বিভাগে ন্যূনতম ৬ / PTE: প্রতিটি বিভাগে ৫০)
স্বাস্থ্য ও চরিত্রের মাপকাঠি পূরণ করতে হবে
নিয়োগদাতার যোগ্যতা:

অনুমোদিত স্পনসর হতে হবে
আঞ্চলিক এলাকায় ব্যবসা পরিচালনা করতে হবে
কমপক্ষে ৫ বছরের জন্য পূর্ণকালীন চাকরির অফার দিতে হবে
প্রমাণ দিতে হবে যে কোনো স্থানীয় প্রার্থী খুঁজে পাওয়া যায়নি
কোন কোন পেশা যোগ্য?
শুধুমাত্র Regional Occupation List (ROL)-এ থাকা পেশাগুলো Subclass 494 ভিসার আওতায় পড়ে। এর মধ্যে রয়েছে:

স্বাস্থ্যসেবা
প্রকৌশল
কৃষি
নির্মাণ
আইটি
শিক্ষা
প্রার্থীদের অবশ্যই নির্ধারিত অথরিটি থেকে বৈধ স্কিল অ্যাসেসমেন্ট নিতে হবে।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:
আবেদনকারীর জন্য:

বৈধ পাসপোর্ট
স্কিল অ্যাসেসমেন্ট রিপোর্ট
কাজের অভিজ্ঞতার প্রমাণ
বিস্তারিত সিভি
শিক্ষাগত সনদপত্র ও মার্কশিট
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা
নিয়োগদাতার জন্য:

ব্যবসার নিবন্ধন ও কার্যক্রমের প্রমাণ
লেবার মার্কেট টেস্টিং রিপোর্ট
চাকরির চুক্তিপত্র
বেতনের বিবরণ
পরিবারের জন্য:

পাসপোর্ট
জন্ম ও বিবাহ সনদ
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স
স্বাস্থ্য পরীক্ষা
ধাপে ধাপে আবেদন প্রক্রিয়া:

স্কিল অ্যাসেসমেন্ট সম্পন্ন করুন
আঞ্চলিক চাকরির অফার জোগাড় করুন
নিয়োগকর্তা দ্বারা স্পনসরশিপ আবেদন
ভিসা আবেদন অনলাইনে জমা দিন (ImmiAccount এর মাধ্যমে)
অপেক্ষা করুন (৬-১০ মাস প্রক্রিয়াকরণ সময়)
ভিসা অনুমোদন হলে পরিবারসহ অস্ট্রেলিয়া যাত্রা করুন
এই ভিসায় আপনার অধিকার:

আঞ্চলিক এলাকায় বসবাস ও কাজের পূর্ণ অধিকার
পরিবারের সদস্যদেরও কাজ ও পড়াশোনার সুযোগ
নির্দিষ্ট ইনকাম থ্রেশহোল্ড পূরণ করলে ৩ বছর পর স্থায়ী নাগরিকত্বের আবেদন
Subclass 191 – স্থায়ী নাগরিকত্বের পথ:
৩ বছর Subclass 494 ভিসায় থাকার পর এবং বার্ষিক ইনকাম থ্রেশহোল্ড পূরণ করলে Subclass 191 ভিসার জন্য আবেদন করা যায়। নতুন স্পনসর প্রয়োজন হয় না, এবং পরিবারের সদস্যরাও অন্তর্ভুক্ত হতে পারেন।

খরচ:

আবেদন ফি (প্রধান আবেদনকারী): প্রায় AUD 4,640
অতিরিক্ত ফি: প্রতিটি পরিবার সদস্যের জন্য আলাদা
অন্যান্য খরচ: স্কিল অ্যাসেসমেন্ট, ইংরেজি পরীক্ষা, মেডিকেল, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, ইত্যাদি
সাধারণ প্রশ্নাবলি (FAQs):
১. স্পনসর পরিবর্তন করা যাবে কি?
হ্যাঁ, তবে নতুন নিয়োগকর্তার কাছ থেকে নতুন মনোনয়ন নিতে হবে।

২. আমার স্ত্রী/স্বামী কি যেকোনো চাকরি করতে পারবে?
হ্যাঁ, তারা আঞ্চলিক এলাকায় যেকোনো পেশায় কাজ করতে পারবেন।

৩. Subclass 494 কি স্থায়ী ভিসা?
না, এটি একটি অস্থায়ী ভিসা তবে এটি স্থায়ী ভিসার পথ খুলে দেয়।

৪. আমি যদি আঞ্চলিক এলাকা ছেড়ে যাই?
এতে ভিসা বাতিল হতে পারে অথবা স্থায়ী নাগরিকত্বের প্রক্রিয়া ব্যাহত হতে পারে।

৫. কি আমি নিজেরাই আবেদন করতে পারি, না কি মাইগ্রেশন এজেন্ট দরকার?
নিজেরাই আবেদন করতে পারেন, তবে জটিলতা থাকলে একজন অভিজ্ঞ এজেন্টের সাহায্য নিতে পারেন।

Subclass 494 ভিসা হলো দক্ষ কর্মীদের জন্য অস্ট্রেলিয়ায় পরিবারসহ বসবাস এবং কাজ করার একটি অসাধারণ সুযোগ। এটি স্থায়ী নাগরিকত্বের স্পষ্ট পথ খুলে দেয়, যদি আপনি প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করেন। যারা আঞ্চলিক অস্ট্রেলিয়ায় নিজেদের নতুন জীবন শুরু করতে চান, তাদের জন্য এটি একটি উপযুক্ত ও বাস্তবসম্মত পছন্দ।

প্রয়োজনে আরও তথ্য বা সাহায্যের জন্য একজন রেজিস্টার্ড মাইগ্রেশন এজেন্টের সঙ্গে পরামর্শ করুন।
আপনার অস্ট্রেলিয়া যাত্রা শুভ হোক!

নারকেলের পানি ডায়াবেটিসের জন্য বন্ধু নাকি সমস্যা

সুন্দরবন নিউজ ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৬, ১:৪৪ পূর্বাহ্ণ
নারকেলের পানি ডায়াবেটিসের জন্য বন্ধু নাকি সমস্যা

ডায়াবেটিসে শুধু খাওয়া-দাওয়াই নয়, কী পান করা হচ্ছে তাও খুব গুরুত্বপূর্ণ। অনেক সময় আমরা ভুলে যাই, যে পানীয় আমরা খাই, তা রক্তে শর্করার মাত্রাকে সরাসরি প্রভাবিত করতে পারে। এই কারণে ডায়াবেটিস রোগীদের মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ প্রশ্নগুলোর মধ্যে একটি হলো– নারকেলের পানি কি নিরাপদ? নাকি রক্তে চিনি বাড়িয়ে দিতে পারে?

নারকেলের পানি বরাবরই গরমে শরীর ঠান্ডা রাখা, ক্লান্তি দূর করা এবং পটাসিয়াম ও অন্যান্য খনিজ উপাদান দেওয়ার জন্য জনপ্রিয়। এতে থাকে পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন সি ও বিভিন্ন খনিজ, যা শরীরের জন্য উপকারী। কিন্তু ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য চিন্তার বিষয় হলো এতে থাকা প্রাকৃতিক চিনি এবং কার্বোহাইড্রেট।

এক গ্লাস (প্রায় ২৫০ মিলিলিটার) নারকেলের পানিতে থাকে প্রায় ১৫ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট এবং ৮ গ্রাম প্রাকৃতিক চিনি। এই চিনি সরাসরি রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়াতে পারে।

মুম্বাইয়ের ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ ডা. নিখিল প্রভু বলেন, ‘যদি কারও রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে থাকে, তবে মাঝে মাঝে সীমিত পরিমাণে নারকেলের পানি খাওয়া যেতে পারে। তবে এটিকে ওষুধের মতো ভাবা উচিত নয়।’

গবেষণায় দেখা গেছে, নারকেলের পানির গ্লাইসেমিক ইনডেক্স প্রায় ৫৪, যা কম থেকে মাঝারি স্তরে পড়ে। অর্থাৎ এটি রক্তে চিনি হঠাৎ বাড়ায় না। তবে বেশি পরিমাণে খেলে সমস্যা হতে পারে।

নারকেলের পানিতে থাকা ম্যাগনেসিয়াম ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করে। টাইপ ২ ডায়াবেটিসে প্রায়ই ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি দেখা যায়, যা রক্তের চিনি নিয়ন্ত্রণে বাধা দেয়। এছাড়াও এতে থাকা পটাসিয়াম এবং এল-আর্জিনিন রক্তনালিগুলো শিথিল করতে সাহায্য করে, ফলে রক্ত চলাচল ভালো থাকে। ডায়াবেটিস রোগীদের মধ্যে পায়ের স্নায়ু সমস্যা এবং রক্ত চলাচলের সমস্যা সাধারণ, তাই কিছুটা উপকার পাওয়া সম্ভব।

তবে, যদি কারও রক্তে চিনি খুব বেশি থাকে বা HbA1c প্রায় ৯-১০ শতাংশের কাছাকাছি, তবে নারকেলের পানি এড়ানোই ভালো। প্রতিদিন খেলে ধীরে ধীরে রক্তে চিনি বাড়তে পারে। নিরাপদ উপায় হলো, সপ্তাহে এক বা দুবার অল্প পরিমাণে নারকেলের পানি পান করা এবং তা খাবারের সঙ্গে বা শারীরিক পরিশ্রমের পরে নেওয়া। খালি পেটে বা প্রতিদিন নিয়মিত খাওয়া ঠিক নয়।

সারসংক্ষেপে, নারকেলের পানি ডায়াবেটিসের জন্য ‘বিষ নয়, অমৃতও নয়।’ এটি সঠিক সময়ে এবং সীমিত পরিমাণে পান করলে উপকারী হতে পারে। রক্তের চিনি নিয়মিত পরীক্ষা করা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ পথ।

সূত্র : Health Line

সকলে মিলে দেশ গড়ার সময় এসেছে: সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তারেক রহমান

সুন্দরবন নিউজ ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১১:৪০ অপরাহ্ণ
সকলে মিলে দেশ গড়ার সময় এসেছে: সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তারেক রহমান

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, সকলে মিলে দেশ গড়ার সময় এসেছে, এখন বাংলাদেশের মানুষ কথা বলার অধিকার ফিরে পেতে চায়।

বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর পূর্বাচলের ৩০০ ফিটে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

আজ দুপুর ১২টা ৩৫মিনিটে তিনি বিমানবন্দর থেকে সড়কপথে একটি বিশেষ বাসে করে ৩০০ ফিটের উদ্দেশে রওনা দেন। দলীয় নেতাকর্মীরা রাস্তার দুধারে হাত নেড়ে তাকে স্বাগত জানান। ৩ ঘণ্টা ১৫ মিনিট পর মঞ্চে পৌঁছান বিএনপি নেতা তারেক রহমান।

এর আগে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বহনকারী বিমানটি বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এর কিছুক্ষণ আগে তারেক রহমান তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক স্ট্যাটাসে আবেগঘন বার্তায় লেখেন, দীর্ঘ ৬ হাজার ৩১৪ দিন পর বাংলাদেশের আকাশে!

এরও আগে, বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত সোয়া ১২টায় লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করে ফ্লাইটটি। একই দিন বাংলাদেশ সময় রাত সোয়া ৮টায় লন্ডনের নিজ বাসা ত্যাগ করেন তারেক রহমান। তিনি স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে রাত সোয়া ১০টায় হিথ্রো বিমানবন্দরে পৌঁছান।

শ্যামনগরে সিপিপি কর্মকর্তার অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন।

সুন্দরবন নিউজ ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১:৫৭ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে সিপিপি কর্মকর্তার অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন।

শ্যামনগরে এক দুর্নীতিগ্রস্ত সিপিপি কর্মকর্তার দুর্নীতি-অনিয়মের বিরুদ্ধে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল ১১ টায় সিপিপি উপজেলা কার্যালয়,(জেসি কমপ্লেক্স)এর সামনে এ কর্মসূচির আয়োজন করে সিপিপি শ্যামনগর পৌরসভার স্বেচ্ছাসেবকবৃন্দ। এতে ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে শ্যামনগর উপজেলা পৌরসভার সমস্ত নারী ও পুরুষ স্বেচ্ছাসেবকগণ অংশ নেয়।

ঘন্টাব্যাপী চলা এই কর্মসূচিতে অংশ নেয় শ্যামনগর পৌরসভার সিপিপি টিম লিডার মোঃ আব্দুর রশিদ নান্টু, ১নং ইউনিট টিম লিডার নজরুল ইসলাম মুন্না, ২ নং ইউনিট টিম লিডার, ভবেসিন্দু মন্ডল, ৩ নং ইউনিট টিম লিডার হাবিবুর রহমান ৪ নং ইউনিট টিম লিডার ইয়াছিন মোড়ল ৫ নং ইউনিট টিম লিডার রবিন্দ্রনাথ মন্ডল ৬ নং ইউনিট টিম লিডার শাহীন ভূইয়া, ৭ নং ইউনিট টিম লিডার আব্দুর রশিদ নান্টু। ৮ নং ইউনিট টিম লিডার হেলাল মাহমুদ, ৯ নং ইউনিট টিম লিডার দেবাশিস গায়েন সহ অন্যান্য রা বক্তব্য রাখেন।

এ সময় বক্তারা বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি(সিপিপি) সহকারী পরিচালক শ্যামনগর মুন্সি নুর মোহাম্মদ, দুর্যোগে কাজ করা সিপিপি সংগঠনকে একটা বাণিজ্যিক সংগঠন হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন।

নীতিমালা তোয়াক্কা না করে নিজের মনগড়া ভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসতেছে, সাধারণ স্বেচ্ছাসেবকদের মধ্যে বৈষম্য তৈরি করে স্বেচ্ছাসেবী কাজে মনোভাব নষ্ট করছেন।

সিপিপি স্বেচ্ছাসেবক নির্দেশিকা -২০২১ অনুসারে সিপিপিতে যোগদানের বয়স ১৮ থেকে ৩৫ নির্ধারণ থাকলেও এই নীতিমালা অমান্য করে মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নে নিপা চক্রবর্তী নামক একজন ৪০ উর্ধ্ব বয়স নারী স্বেচ্ছাসেবককে নিয়োগ দিয়েছিলেন।

অপর দিকে রমজাননগর ইউনিয়নের তানিয়া নামক ১৬ বছর বয়সের নারী স্বেচ্ছাসেবককে নিয়োগ দিয়েছিলেন ।

কর্মকর্তার আন অফিসিয়াল তার কথা না শোনার কারনে পদ্মপুকুর ইউনিয়নের মাছুরা নামক নারী স্বেচ্ছাসেবককে বিনা কারণে বাদ দেওয়া হয়েছে।

জেলা পরিষদ নির্বাচনে কর্মকর্তার মনোনীত প্রার্থীকে ভোট না দেওয়ার কারণে রমজাননগরের আছমা মেম্বার, ও কৈখালীর রাবিয়া মেম্বারের সিপিপির আই ডি কার্ড দিতে তালবাহানা করেছে।

বক্তারা আরো বলেন:
এভাবে চলতে থাকলে শ্যামনগরের উপকূলীয় আমজনতা সিপিপি থেকে দুর্যোগের সময় সেবা পাবে না:
কর্মকর্তা মুন্সী নুর মোহাম্মদ একের পর এক নিয়ম বহির্ভূত কর্মকাণ্ড করতে থাকে এবং তার সাথে সঙ্গ না দেওয়ায়, শ্যামনগর সদর ইউনিয়ন টিম লিডার মোঃ আব্দুর রশিদ নান্টু নামে বিভিন্নভাবে মিথ্যা হয়রানি মূলক বেনামী অভিযোগ দিয়ে থাকেন ।

সর্বশেষ মোঃ আব্দুর রাজ্জাক নামীয় ব্যক্তির পাঠানো অভিযোগে বিষয়টি পরিষ্কার হয়, মুন্সি নুর মোহাম্মদ, অভিযোগকারীদের স্থানে আব্দুর রাজ্জাকের নাম ব্যবহার করে ইয়াসিন মোড়ল এবং আব্দুর রশিদ নানটুর নামে পুনরায় অভিযোগ করে,
মিটিং সেমিনার কিংবা প্রশিক্ষণ কর্মশালায় স্বেচ্ছাসেবকদের সাথে তুই তুকারি করে কথা বলেন এই কর্মকর্তা।
দুর্যোগের সময় বিশেষ মুহূর্তে অতি প্রয়োজনে কর্মকর্তাকে ফোন করলে ফোন কেটে দেন।
প্রয়োজনে স্বেচ্ছাসেবকরা অফিসে গেলে কর্মকর্তা বিরক্ত বোধ করেন।
স্বেচ্ছাসেবকদের মাঝে একে অপরের সাথে বিরোধ লাগিয়ে স্বার্থ হাসিল করার চেষ্টা করেন এই কর্মকর্তা।

মন:পুত ব্যক্তিদের বিভিন্নভাবে অফিশিয়ালি সুযোগ সুবিধা দিয়ে থাকেন বিশেষ করে যারা তার অনিয়ম কর্মকান্ডের সাথে জড়িত থাকেন।

টাকার বিনিময়ে জাতীয় পুরস্কার পাইয়ে দেওয়ার জন্য প্রকাশ্য সহযোগী হিসেবে কাজ করেছেন,কর্মকর্তা মুন্সি নুর মোহাম্মদ, তার কাছের ব্যক্তি রমজান নগর ইউনিয়নের স্বেচ্ছাসেবক ফারুক হোসেন কে অফিসের নথি প্রকাশ করে, নায্য পুরষ্কার প্রাপ্য নজরুলের ডকুমেন্টস জাল করে ততকালীন ইউ এন ও কাছে প্রেরণ করে

এসব বিষয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে সাধারণ স্বেচ্ছাসেবকরা মানববন্ধনের মাধ্যমে কর্মকর্তা মুন্সি নুর মোহাম্মদের বদলি চেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।