খুঁজুন
শুক্রবার, ১৩ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৮শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইমাম মোয়াজ্জিনদের সম্মানী প্রদান শনিবার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

সুন্দরবন নিউজ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ২:৪৪ অপরাহ্ণ
ইমাম মোয়াজ্জিনদের সম্মানী প্রদান শনিবার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল ১০টায় ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দেশের ধর্মীয় প্রতিনিধিদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও সহযোগিতা প্রদানের লক্ষে এই বিশেষ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের এক জরুরি বার্তায় এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইমরানুল হাসানের পাঠানো ওই বার্তায় জানানো হয় যে, এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশের ধর্মীয় সেবকদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হতে যাচ্ছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কেবল ইমাম ও মুয়াজ্জিনদেরই নয়, বরং দেশের সব ধর্মের ধর্মীয় প্রতিনিধিদের এই সম্মানী কার্যক্রমের আওতায় আনা হচ্ছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, একই দিনে মসজিদের খাদেম, মন্দিরের পুরোহিত ও সেবায়েত এবং বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষদেরও এই সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হবে। সরকারের এই উদ্যোগকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সেবকদের জীবনমান উন্নয়নে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের এই ঘোষণার পর ধর্মীয় প্রতিনিধিদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই সম্মানী কার্যক্রম বাস্তবায়নের ফলে সারা দেশের কয়েক হাজার ধর্মীয় সেবক সরাসরি উপকৃত হবেন।

মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, স্বচ্ছতা বজায় রেখে এই সম্মানী বন্টন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং এটি দেশের সামগ্রিক ধর্মীয় কাঠামোর প্রতি সরকারের সদিচ্ছার বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সৌদিসহ মধ্যপ্রাচ্যের তিন দেশে হামলা, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

সুন্দরবন নিউজ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ৪:০৪ অপরাহ্ণ
সৌদিসহ মধ্যপ্রাচ্যের তিন দেশে হামলা, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের তিন দেশে হামলা চালিয়েছে ইরান। এতে দেশগুলোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া হামলায় বিদেশি নাগরিকও নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওমানের সোহর প্রদেশে ড্রোন হামলায় দুইজন নিহত হয়েছেন। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থার জানিয়েছে, শুক্রবার সকালে একটি ড্রোন আল-আওয়াহি শিল্প এলাকায় আঘাত হানে। এতে দুইজন বিদেশি নাগরিক নিহত হন এবং আরও কয়েকজন আহত হন।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আরেকটি ড্রোন খোলা জায়গায় পড়ে গেলেও সেখানে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। এ ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে নিরাপত্তা বাহিনী।

এর আগে বুধবার ওমানের সালালাহ বন্দরের জ্বালানি ট্যাংকে ড্রোন হামলা হয়। তবে ওই হামলায় নিজেদের জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে ইরান। দেশটির জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, এই হামলার ফলে তেল বা জ্বালানি সরবরাহে কোনো ধরনের ব্যাঘাত ঘটেনি। এদিকে বেসরকারি সামুদ্রিক নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ভ্যানগার্ড টেক জানিয়েছে, হামলার পর সালালাহ বন্দরের দক্ষিণ অংশের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।

এদিকে শুক্রবার সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের ডিপ্লোম্যাটিক কোয়ার্টার লক্ষ্য করে আসা একটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনী। এই এলাকায় বিভিন্ন বিদেশি দূতাবাস রয়েছে। সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, একই সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও তিনটি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়। এছাড়া কেন্দ্রীয় ও পূর্বাঞ্চল, আল-খারজ গভর্নরেট এবং রিয়াদের পশ্চিমে আরও আটটি ড্রোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করেছে।

এর আগে কয়েকে ধাপে মোট ১৪টি ড্রোন ধ্বংস করার কথা জানিয়েছিল সৌদি কর্তৃপক্ষ।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই শহরের কেন্দ্রস্থলে একটি ভবনে ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়েছে। দেশটির বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হামলাটি প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে। দুবাই মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, হামলায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর যৌথ হামলা চালানোর পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করেছে। ইরানি কর্তৃপক্ষের দাবি, ওই হামলায় প্রায় ১ হাজার ৩০০ জন নিহত এবং ১০ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। এর জবাবে ইরান ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে ইসরায়েল, জর্ডান, ইরাক এবং যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি থাকা উপসাগরীয় দেশগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করছে।

মিত্রদের পতনে পুতিন কখনো সরব, কখনো নিশ্চুপ গাদ্দাফি থেকে খামেনি

সুন্দরবন নিউজ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ১১:০৫ পূর্বাহ্ণ
মিত্রদের পতনে পুতিন কখনো সরব, কখনো নিশ্চুপ গাদ্দাফি থেকে খামেনি

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির নিহতের পরদিন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন একে ‘মানবিক নৈতিকতা ও আন্তর্জাতিক আইনের নির্লজ্জ লঙ্ঘন’ এবং একটি ‘হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে অভিহিত করেন। তবে এ ঘটনার জন্য কারা দায়ী, তাদের নাম উল্লেখ করা থেকে তিনি পুরোপুরি বিরত ছিলেন। এমনকি ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের কাছে পাঠানো শোকবার্তায়ও তিনি যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের নাম উল্লেখ করেননি। অথচ ২০১১ সালে লিবিয়ার নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফি বা ২০১৪ সালে ইউক্রেনের ভিক্টর ইয়ানুকোভিচের পতনের সময় পুতিনের কণ্ঠ ছিল তীব্র ও সরাসরি আক্রমণাত্মক। গত দেড় দশকে মস্কোর অন্তত পাঁচটি মিত্র দেশের সরকারের পতন ও শীর্ষ নেতাদের হত্যাকাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিতে ক্রেমলিনের প্রতিক্রিয়া পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, পুতিন কখনো সরব, আবার কখনো রহস্যজনকভাবে নিশ্চুপ।

২০১১ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে মিত্রদের পতনে পুতিনের দেওয়া বিবৃতির ধরনে এ পরিবর্তন স্পষ্ট। বিশ্লেষকদের মতে, পুতিন এখন এক কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি। একদিকে তার ঘনিষ্ঠ মিত্রদের একের পর এক পতন হচ্ছে, যা তার জন্য বেদনাদায়ক; অন্যদিকে তিনি প্রকাশ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে আগের মতো আক্রমণ করতে পারছেন না। বিশেষ করে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে অর্থনৈতিক সহযোগিতার আশা এবং ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিয়ে তৈরি হওয়া এক ধরনের ‘ক্রমবর্ধমান ভীতি’ তাকে সতর্ক অবস্থানে ঠেলে দিয়েছে। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ইরানের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারত্ব চুক্তি থাকলেও মস্কো সেখানে সামরিক সহায়তা দিতে বাধ্য নয়, এমন আইনি মারপ্যাঁচ এবং পরিবর্তিত বিশ্ব পরিস্থিতিতে পুতিনের এই ‘সতর্ক’ প্রতিক্রিয়া মূলত তার সমর-পদ্ধতির সীমাবদ্ধতাকেই ফুটিয়ে তুলছে। এক সময়ের সোচ্চার পুতিন এখন মিত্রদের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করলেও দায়ীদের নাম নিতে দ্বিধাগ্রস্ত, যা তার রাজনৈতিক অবস্থানের এক নতুন বিবর্তনকে নির্দেশ করে।

গাদ্দাফি ও ইয়ানুকোভিচের পতনে পুতিন ছিলেন আক্রমণাত্মক: ২০১১ সালের অক্টোবরে লিবিয়ার নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফি নিহত হওয়ার পর ভ্লাদিমির পুতিন অত্যন্ত বিস্তারিত ও কঠোর বিবৃতি দিয়েছিলেন। তিনি সরাসরি অভিযোগ করেছিলেন যে, ‘আমেরিকার ড্রোন’ গাদ্দাফির গাড়ি বহরকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। তিনি সেই সময় বিদেশি স্পেশাল ফোর্সের উপস্থিতির সমালোচনা করে এই হত্যাকাণ্ডকে ‘বিচারহীন নির্মূল’ হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন। এমনকি জাতিসংঘের প্রস্তাবকে তিনি ‘ক্রুসেডের জন্য মধ্যযুগীয় আহ্বান’ বলে কটাক্ষ করেছিলেন।

একইভাবে ২০১৪ সালে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভিক্টর ইয়ানুকোভিচ ক্ষমতাচ্যুত হলে পুতিন সরাসরি পোল্যান্ড, জার্মানি ও ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের নাম ধরে সমালোচনা করেন। তিনি প্রকাশ্যে স্বীকার করেন, তিনি নিজে ইয়ানুকোভিচকে ক্রিমিয়ায় পালিয়ে যেতে সহায়তা করেছিলেন। সে সময় তিনি ইউক্রেনের ক্ষমতা পরিবর্তনকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ঘটানো ‘অভ্যুত্থান’ এবং রাশিয়ার সঙ্গে ‘বর্বর প্রতারণা’ হিসেবে অভিহিত করেছিলেন।

আসাদ ও মাদুরোর পতনে নীরবতা: তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পুতিনের এই সরাসরি আক্রমণাত্মক ভঙ্গি স্তিমিত হতে শুরু করে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে সিরিয়ার বাশার আল-আসাদ সরকারের পতন ঘটলে রাশিয়া তাকে মস্কোতে আশ্রয় দেয় ঠিকই, কিন্তু পুতিন এ ঘটনার কোনো নিন্দা জানাননি বা দায়ীদের নাম নেননি। আসাদ মস্কোয় আসার দুই সপ্তাহ পরও পুতিন দাবি করেন, সিরিয়ার ঘটনায় রাশিয়া ব্যর্থ হয়নি। দীর্ঘ ১৩ মাস পর তিনি সিরিয়ার নতুন প্রেসিডেন্টকে অভিনন্দন জানান।

সবচেয়ে বিস্ময়কর নীরবতা দেখা যায় ভেনেজুয়েলার ক্ষেত্রে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে যখন মার্কিন বাহিনী ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেপ্তার করে আমেরিকায় নিয়ে যায়, তখন পুতিন প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্যই করেননি।

খামেনি হত্যাকাণ্ড ও বর্তমান সংকট: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনীর যৌথ হামলায় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার ঘটনায় পুতিন বিবৃতি দিলেও এক্ষেত্রে তিনি ছিলেন কৌশলী। তিনি খামেনিকে হত্যার ঘটনাটিকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে অভিহিত করলেও কারা এই আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছে, তাদের নাম উল্লেখ করেননি। এমনকি ২০২৫ সালে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় মার্কিন বিমান হামলার সময়ও তিনি ওই ঘটনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে সরাসরি অভিযুক্ত করেননি।

আওয়ামী লীগকে ‘ফ্যাসিস্ট’ বললেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

সুন্দরবন নিউজ ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ৫:০৭ অপরাহ্ণ
আওয়ামী লীগকে ‘ফ্যাসিস্ট’ বললেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে ফ্যাসিস্ট বললেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকালে ত্রয়োদশ সংসদ অধিবেশনে বক্তব্যকালে আওয়ামী লীগকে উদ্দেশ্য করে এ কথা বলেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের পর ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অনন্য মাইলফলক। তিনি বলেন, হাজারো শহীদের রক্তের বিনিময়ে তাবেদার ও ফ্যাসিবাদমুক্ত নতুন এক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের সূচনা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, এ আন্দোলনে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ আহত ও পঙ্গু হয়েছেন, পাঁচ শতাধিক মানুষ তাদের দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন। সরকার আহতদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে ১২৪৩টি স্বাস্থ্য কার্ড প্রদান করেছে এবং গুরুতর আহত ১৩৭ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠিয়েছে।

শহীদদের স্মৃতি রক্ষার্থে ৬৪ জেলায় স্মৃতিস্তম্ভ এবং ঢাকায় জুলাই অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে বলে ভাষণে উল্লেখ করেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, একটি শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে আজ এ মহান সংসদের যাত্রা শুরু হয়েছে।

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে এ নির্বাচনে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ গণতন্ত্রের ইতিহাসে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে উল্লেখ করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদান স্মরণ করে তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও সুরক্ষায় আপসহীন নেতৃত্ব দিয়েছেন।

দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের তুলনায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনীতি অনেকটা স্থিতিশীল হয়েছে। ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে মূল্যস্ফীতি কমে ৮.৫৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা সামনের দিনগুলোতে আরও কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

২০২৬ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৪.৭৮ বিলিয়ন ইউএস ডলারে উন্নীত হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

রাষ্ট্রপতি তার ভাষণে ব্যাংক খাতের সুশাসন ফিরিয়ে আনা এবং পুঁজিবাজারের অনিয়ম তদন্তে কঠোর পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেন।

মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, ব্যাংক খাতে জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে এবং খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণে অর্থনৈতিক সংস্কার কমিশন গঠন করা হবে। পাশাপাশি পুঁজিবাজার সংস্কারে একটি পৃথক কমিশন গঠন করা হবে যারা ফ্যাসিবাদী শাসনামলে হওয়া সব অনিয়ম তদন্ত করবে।