খুঁজুন
বুধবার, ১৫ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মিত্রদের পতনে পুতিন কখনো সরব, কখনো নিশ্চুপ গাদ্দাফি থেকে খামেনি

সুন্দরবন নিউজ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ১১:০৫ পূর্বাহ্ণ
মিত্রদের পতনে পুতিন কখনো সরব, কখনো নিশ্চুপ গাদ্দাফি থেকে খামেনি

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির নিহতের পরদিন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন একে ‘মানবিক নৈতিকতা ও আন্তর্জাতিক আইনের নির্লজ্জ লঙ্ঘন’ এবং একটি ‘হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে অভিহিত করেন। তবে এ ঘটনার জন্য কারা দায়ী, তাদের নাম উল্লেখ করা থেকে তিনি পুরোপুরি বিরত ছিলেন। এমনকি ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের কাছে পাঠানো শোকবার্তায়ও তিনি যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের নাম উল্লেখ করেননি। অথচ ২০১১ সালে লিবিয়ার নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফি বা ২০১৪ সালে ইউক্রেনের ভিক্টর ইয়ানুকোভিচের পতনের সময় পুতিনের কণ্ঠ ছিল তীব্র ও সরাসরি আক্রমণাত্মক। গত দেড় দশকে মস্কোর অন্তত পাঁচটি মিত্র দেশের সরকারের পতন ও শীর্ষ নেতাদের হত্যাকাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিতে ক্রেমলিনের প্রতিক্রিয়া পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, পুতিন কখনো সরব, আবার কখনো রহস্যজনকভাবে নিশ্চুপ।

২০১১ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে মিত্রদের পতনে পুতিনের দেওয়া বিবৃতির ধরনে এ পরিবর্তন স্পষ্ট। বিশ্লেষকদের মতে, পুতিন এখন এক কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি। একদিকে তার ঘনিষ্ঠ মিত্রদের একের পর এক পতন হচ্ছে, যা তার জন্য বেদনাদায়ক; অন্যদিকে তিনি প্রকাশ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে আগের মতো আক্রমণ করতে পারছেন না। বিশেষ করে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে অর্থনৈতিক সহযোগিতার আশা এবং ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিয়ে তৈরি হওয়া এক ধরনের ‘ক্রমবর্ধমান ভীতি’ তাকে সতর্ক অবস্থানে ঠেলে দিয়েছে। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ইরানের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারত্ব চুক্তি থাকলেও মস্কো সেখানে সামরিক সহায়তা দিতে বাধ্য নয়, এমন আইনি মারপ্যাঁচ এবং পরিবর্তিত বিশ্ব পরিস্থিতিতে পুতিনের এই ‘সতর্ক’ প্রতিক্রিয়া মূলত তার সমর-পদ্ধতির সীমাবদ্ধতাকেই ফুটিয়ে তুলছে। এক সময়ের সোচ্চার পুতিন এখন মিত্রদের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করলেও দায়ীদের নাম নিতে দ্বিধাগ্রস্ত, যা তার রাজনৈতিক অবস্থানের এক নতুন বিবর্তনকে নির্দেশ করে।

গাদ্দাফি ও ইয়ানুকোভিচের পতনে পুতিন ছিলেন আক্রমণাত্মক: ২০১১ সালের অক্টোবরে লিবিয়ার নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফি নিহত হওয়ার পর ভ্লাদিমির পুতিন অত্যন্ত বিস্তারিত ও কঠোর বিবৃতি দিয়েছিলেন। তিনি সরাসরি অভিযোগ করেছিলেন যে, ‘আমেরিকার ড্রোন’ গাদ্দাফির গাড়ি বহরকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। তিনি সেই সময় বিদেশি স্পেশাল ফোর্সের উপস্থিতির সমালোচনা করে এই হত্যাকাণ্ডকে ‘বিচারহীন নির্মূল’ হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন। এমনকি জাতিসংঘের প্রস্তাবকে তিনি ‘ক্রুসেডের জন্য মধ্যযুগীয় আহ্বান’ বলে কটাক্ষ করেছিলেন।

একইভাবে ২০১৪ সালে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভিক্টর ইয়ানুকোভিচ ক্ষমতাচ্যুত হলে পুতিন সরাসরি পোল্যান্ড, জার্মানি ও ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের নাম ধরে সমালোচনা করেন। তিনি প্রকাশ্যে স্বীকার করেন, তিনি নিজে ইয়ানুকোভিচকে ক্রিমিয়ায় পালিয়ে যেতে সহায়তা করেছিলেন। সে সময় তিনি ইউক্রেনের ক্ষমতা পরিবর্তনকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ঘটানো ‘অভ্যুত্থান’ এবং রাশিয়ার সঙ্গে ‘বর্বর প্রতারণা’ হিসেবে অভিহিত করেছিলেন।

আসাদ ও মাদুরোর পতনে নীরবতা: তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পুতিনের এই সরাসরি আক্রমণাত্মক ভঙ্গি স্তিমিত হতে শুরু করে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে সিরিয়ার বাশার আল-আসাদ সরকারের পতন ঘটলে রাশিয়া তাকে মস্কোতে আশ্রয় দেয় ঠিকই, কিন্তু পুতিন এ ঘটনার কোনো নিন্দা জানাননি বা দায়ীদের নাম নেননি। আসাদ মস্কোয় আসার দুই সপ্তাহ পরও পুতিন দাবি করেন, সিরিয়ার ঘটনায় রাশিয়া ব্যর্থ হয়নি। দীর্ঘ ১৩ মাস পর তিনি সিরিয়ার নতুন প্রেসিডেন্টকে অভিনন্দন জানান।

সবচেয়ে বিস্ময়কর নীরবতা দেখা যায় ভেনেজুয়েলার ক্ষেত্রে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে যখন মার্কিন বাহিনী ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেপ্তার করে আমেরিকায় নিয়ে যায়, তখন পুতিন প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্যই করেননি।

খামেনি হত্যাকাণ্ড ও বর্তমান সংকট: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনীর যৌথ হামলায় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার ঘটনায় পুতিন বিবৃতি দিলেও এক্ষেত্রে তিনি ছিলেন কৌশলী। তিনি খামেনিকে হত্যার ঘটনাটিকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে অভিহিত করলেও কারা এই আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছে, তাদের নাম উল্লেখ করেননি। এমনকি ২০২৫ সালে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় মার্কিন বিমান হামলার সময়ও তিনি ওই ঘটনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে সরাসরি অভিযুক্ত করেননি।

শেন ওয়ার্নের মৃত্যু নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তাঁর ছেলের

সুন্দরবন নিউজ ২৪ স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:১০ অপরাহ্ণ
শেন ওয়ার্নের মৃত্যু নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তাঁর ছেলের

২০২২ সালের ৪ মার্চ না ফেরার দেশে চলে যান শেন ওয়ার্ন। তবে অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি লেগস্পিনারের মৃত্যুর চার বছর পেরিয়ে গেলেও আলোচনা এখনো শেষ হয়নি। তাঁর মৃত্যু নিয়ে শোনা যাচ্ছে একের পর এক রহস্যময় তথ্য। অজি কিংবদন্তি লেগস্পিনারের ছেলে এবার বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন।

শেন ওয়ার্ন যখন মারা যান, তখন কোভিড-১৯ অতিমারির প্রাদুর্ভাব কিছুটা হলেও ছিল। কোয়ারেন্টিন অবস্থা থেকে বেরোলেও অনেকেই প্রতিষেধক হিসেবে টিকা নিয়েছিলেন। যেটার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা গেছে শিশু ও বৃদ্ধদের। ৫২ বছর বয়সী ওয়ার্নও নিয়েছিলেন টিকা। তাঁর ছেলে জ্যাকসনের দাবি জোর করে টিকা দেওয়াতেই মূলত অজি কিংবদন্তির মৃত্যু ত্বরান্বিত হয়েছিল।

কদিন আগে ‘টু ওয়ার্ল্ডস কোলাইড’ নামক এক পডকাস্টে এসেছিলেন জ্যাকসন। সেখানে তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে ওয়ার্নের মৃত্যুতে করোনা টিকার কোনো প্রভাব ছিল কি না। উত্তরে জ্যাকসন বলেন, ‘আমি নিশ্চিত এখানে টিকা জড়িত ছিল।বাবার যদি আগে কোনো শারীরিক সমস্যা থাকেও টিকার কারণে সেটা প্রকট হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। খবরটা পেয়েই আমার মনে হচ্ছিল কোভিডের টিকার কথা।’

২০২২ সালে থাইল্যান্ডের কোহ সামুইতে হার্ট অ্যাটাক করে মৃত্যুবরণ করেন ওয়ার্ন। মৃত্যুর পর থাই পুলিশ তাঁর ঘর থেকে কিছু ওষুধ সরিয়ে ফেলেছে বলে অভিযোগও উঠেছিল। এমনকি অস্ট্রেলিয়ার প্রয়াত কিংবদন্তির শরীরে উত্তেজক ওষুধও পাওয়া গিয়েছিল। তবে তাঁর ছেলে জ্যাকসন তা অস্বীকার করেছেন।

৮০০ উইকেট নিয়ে টেস্ট ইতিহাসে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী মুত্তিয়া মুরালিধরন। এই তালিকায় লঙ্কান কিংবদন্তির পরই শেন ওয়ার্ন। ১৪৫ টেস্টে নিয়েছেন ৭০৮ উইকেট। ৩৭ বার নিয়েছেন ইনিংসে পাঁচ উইকেট। ম্যাচে ১০ উইকেট নিয়েছেন ১০ বার। ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়ার প্রয়াত কিংবদন্তি লেগস্পিনার পেয়েছেন ২৯৩ উইকেট। আর ২০০৮ আইপিএলে তাঁর নেতৃত্বে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল রাজস্থান রয়্যালস।

কিংবদন্তি উসাইন বোল্টের রেকর্ড ভাঙলেন গাউট

সুন্দরবন নিউজ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৫৪ অপরাহ্ণ
কিংবদন্তি উসাইন বোল্টের রেকর্ড ভাঙলেন গাউট

সিডনির ট্রাকে ঝড় তুললেন ১৮ বছরের এক তরুণ। তার নাম গাউট গাউট। মাত্র ১৯.৬৭ সেকেন্ডে ২০০ মিটার দৌড় শেষ করে জিতে নিলেন জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপের স্বর্ণপদক। সেইসঙ্গে তোলপাড় করেছেন রেকর্ড বুক।

অনূর্ধ্ব-২০ পর্যায়ে নতুন বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন গাউট। ভেঙে দিলেন কিংবদন্তি উসাইন বোল্টের রেকর্ড। ১৮ বছর বয়সে বোল্টের দ্রুততম সময় ছিল ১৯.৯৩ সেকেন্ড। গাউট সময় নিলেন তার চেয়েও কম।

অস্ট্রেলিয়ার অ্যাথলেটিকস ইতিহাসে গাউটই প্রথম। এর আগে কোনো অজি স্প্রিন্টার ২০ সেকেন্ডের নিচে ২০০ মিটার শেষ করতে পারেননি। এমন দুর্দান্ত কীর্তি গড়ার পর গাউট বললেন, ‘আমি এর জন্যই অপেক্ষা করছিলাম।’

কিছুদিন ধরেই গাউটকে উসাইন বোল্টের সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে। তার লম্বা ধাপে পা ফেলা, সোজা হয়ে দৌড়ানো এবং শেষ দিকের বিধ্বংসী গতির কারণে তাকে ‘পরবর্তী বোল্ট’ বলছেন অনেকেই।

গাউটের নজর এখন আসন্ন অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্ব অ্যাথলেটিকস চ্যাম্পিয়নশিপের দিকে। তিনি বলেন, ‘আমি এখনো মাত্র ১৮ বছর বয়সী। আমি অবশ্যই আরও জোরে দৌড়াতে পারি।’

বোল্টের সঙ্গে তুলনা প্রসঙ্গে তিনি বেশ বিনয়ী। তিনি বলেন, ‘দিন শেষে আমি তো আমিই। আমি আমার কাজ করছি। আমার কোনো চাপ নেই। ট্র্যাকে নামলে শুধু ট্র্যাক আর আমার স্পাইক নিয়েই ভাবি।’

সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন কারামুক্ত

সুন্দরবন নিউজ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:২১ অপরাহ্ণ
সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন কারামুক্ত

হত্যাচেষ্টা মামলায় দুপুরে জামিন পাওয়ার পর কারামুক্ত হলেন সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী।

রোববার (১২ এপ্রিল) বিকেলে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত হন তিনি।

কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার কাওয়ালিন নাহার বলেন, কারাগারে জামিননামা পৌঁছানোর পরই যথাযথ প্রক্রিয়া অনুযায়ী একটু আগে তাকে (সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী) রিলিজ করা হয়েছে।

মামলার সূত্রে জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে গত বছরের ১৮ জুলাই রাজধানীর লালবাগ থানাধীন আজিমপুর সরকারি কলোনির ভেতরে অন্যান্য আন্দোলনকারীর সঙ্গে মিছিল করছিলেন মো. আশরাফুল ওরফে ফাহিম নামে এক ব্যক্তি। ঘটনার দিন আসামিদের ছোঁড়া গুলিতে তার বাম চোখ নষ্ট হয়ে যায়। গত ১৭ জুলাই লালবাগ থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেন আশরাফুল।

‘স্বল্প সময়ে ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিষ্পত্তিকরণ সংসদীয় গণতন্ত্রের অনন্য নজির’

এর আগে, তার আইনজীবী এ বি এম হামিদুল মিজবাহ জানিয়েছিলেন, আর কোনো মামলায় আটকাদেশ না থাকায় শিরীন শারমিনের কারামুক্তিতে বাধা নেই।