খুঁজুন
শুক্রবার, ৩০শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৬ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লাহ (র.) এর ১৫১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সেমিনার অনুষ্ঠিত:প্রধান অতিথি ডঃ আব্দুল মজিদ

হাফিজুর রহমান শিমুল
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৪, ৭:২১ অপরাহ্ণ
খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লাহ (র.) এর ১৫১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সেমিনার অনুষ্ঠিত:প্রধান অতিথি  ডঃ আব্দুল মজিদ

সুলতানুল আউলিয়া কুতুবুল আকতাব গাওছে জামান আরেফ বিল্লাহ পীর কেবলা হযরত শাহসূফী আলহাজ্জ হজরত খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা (র.) এর ১৫১তম জন্মবার্ষিকী পালন উপলক্ষ্যে সেমিনার ও মাসব্যাপী চক্ষুসেবার সমাপনি ও কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরুস্কার বিতরণ শনিবার (২৮ ডিসেম্বর-২৪) পাক রওজা শরীফ প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

নলতা কেন্দ্রীয় আহ্ছানিয়া মিশনের সহ সভাপতি আলহাজ্ব ডাঃ আফতাবুজ্জামান এর সভাপতিত্বে সেমিনারে খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা ইনিষ্টিটিউটের পরিচালক মনিরুল ইসলাম এর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সোস্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ড. আব্দুল মজিদ। বিশেষ আলোচক ছিলেন সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক মোস্তাক আহমেদ, কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনুজা মন্ডল, মূল আলোচক ছিলেন গ্লোবাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর এমিরেটাস ড.আনিসুজ্জামান, আলোচক ছিলেন বাংলা সাহিত্যে কথা সাহিত্যিক, প্রবান্ধিক অধ্যাপক গাজী আজিজুর রহমান ও খানবাহাদুর আহছানউল্লা ইনিস্টিউটের মহা পরিচালক এএফএম এনামুল হক। বর্তমান শিক্ষা সংস্কারে হজরত খানবাহাদুর আহছানউল্লা (রঃ) এর শিক্ষা চিন্তা ও কর্মের প্রায়োগিক বাস্তবতা প্রবন্ধ পাঠ করেণ প্রবন্ধকার অধ্যাপক ড.মো. একরাম হোসেন। তিনি বলেন, বৃটিশ শাসনামলে যখন ইংরেজি শিক্ষাকে মুসলমানরা হারাম মনে করতেন সে সময়ে তিনি শিক্ষা বিভাগের উচ্চ পদে চাকুরীতে যোগদান করেন। তিনি আরো বলেন, “ফেতনা হচ্ছে মানব হত্যার চেয়ে খারাপ”। আল্লাহতালা আমাদেরকে রাখাল করে পাঠিয়েছেন। তিনি সৃষ্টির সেরা জীব আশরাফুল মাকলুকাতকে অনেক বড় করে দুনিয়ায় প্রেরন করেছেন। আমাদেরকে তা বুঝতে হবে।সেমিনারের অন্যতম আলোচক এ এফ এম এনামুল হক (মহা পরিচালক, খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা ইনিষ্টিটিউট) তার বক্তব্যে পীর কেবলা র. এর কর্মজীবনের বিভিন্ন কর্মকান্ডের বর্ননা দিয়ে বলেন, তিনি চাকুরী জীবনের অধিকাংশ সময় বরিশাল ও চট্রগ্রাম বিভাগে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাকালে মুসলিম বুদ্ধিজীবিদের মধ্যে অন্যতম যুক্তিদাতা ছিলেন। তিনি মাদারজাত ওলী ছিলেন। তিনি হযরত ওয়ারেছ পাক (র.) এর নির্দেশে হযরত গফুর শাহ্ (র.) এর কাছে বায়াত গ্রহন করেন। তার জীবন ও কর্মের উপর বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সেমিনার ও গবেষনা হচ্ছে।

প্রধান অতিথি ডঃ আব্দুল মজিদ বলেন, আল্লাহ যখন কোন জাতিকে ভালবাসেন, তখন তিনি সে জাতির কাছে একজন ওলীকে পাঠিয়ে দেন। আমরা আল্লাহুর মহান নিয়ামত হিসাবে হজরত খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা (র.) কে পেয়েছি। তিনি ধর্মের মৌলিক শিক্ষা মানুষের মাঝে জাগ্রত করে গিয়েছেন। খান বাহাদুর আহ্ছানউল্লা (র.) ৯০ বছর জীবনে নিজের জন্য না হয়ে সকলের জন্য নিবেদিত ছিলেন। তিনি কাজ করেছেন নৈতিক, আলোকিত, জ্ঞানী, নীতিবান ও আদর্শবান মানুষ তৈরির জন্য। যে কারণে তাকে স্মরণ করা হচ্ছে, এমনিভাবে স্মরণ করা হবে কিয়ামত পর্যন্ত। আল্লাহুর ওলীদের প্রেমে যারা অবগাহিত হয় তাদের মধ্যে হিংসা-বিদ্বেষ থাকে না, থাকতেও পারেনা। তিনি জাগতিক জগতে যেমন প্রশাসনিক স্তর রয়েছে, তেমনি আধ্যাত্যিক জগতেও প্রশাসনিক বিভিন্ন স্তর ও ধাপ রয়েছে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে পাক রওজা শরীফের খাদেম আলহাজ্জ মো: আব্দুর রাজ্জাক, কালিগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আমিনুর রহমান, কেন্দ্রীয় মিশনের সহ- সভাপতি আলহাজ্জ মাষ্টার সাইদুর রহমানসহ বিভিন্ন শাখা মিশনের কর্মকর্তা, গণমাধ্যমে কর্মী ও হাজার হাজার ভক্তবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরে সভাপতির সমাপনী বক্তব্যে সেমিনারের সভাপতি ও মিশনের সহ সভাপতি  আলহাজ্ব ডাঃ  আফতাবুজ্জামান আগত সকলকে মিশনের পক্ষ থেকে কৃতঞ্জতা প্রকাশ করেন, তিনি অনুষ্ঠানে প্রবন্ধকার সহ সকল অতিথিদের জ্ঞানগর্ভ আলোচনা উপস্থাপন করার জন্য ধন্যবাদ পেশ করেন।

দোয়া অনুষ্ঠান ও মোনাজাত পরিচালনা করেন করেন আলহাজ্জ হাফেজ হাবিবুর রহমান ঈমাম (নলতা শরীফ শাহী জামে মসজিদ)। এর আগে মুর্শিদি গজল পেশ করেণ ফিরোজ আলম পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত করেন হাফেজ জুবায়ের হোসেন।

নারকেলের পানি ডায়াবেটিসের জন্য বন্ধু নাকি সমস্যা

সুন্দরবন নিউজ ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৬, ১:৪৪ পূর্বাহ্ণ
নারকেলের পানি ডায়াবেটিসের জন্য বন্ধু নাকি সমস্যা

ডায়াবেটিসে শুধু খাওয়া-দাওয়াই নয়, কী পান করা হচ্ছে তাও খুব গুরুত্বপূর্ণ। অনেক সময় আমরা ভুলে যাই, যে পানীয় আমরা খাই, তা রক্তে শর্করার মাত্রাকে সরাসরি প্রভাবিত করতে পারে। এই কারণে ডায়াবেটিস রোগীদের মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ প্রশ্নগুলোর মধ্যে একটি হলো– নারকেলের পানি কি নিরাপদ? নাকি রক্তে চিনি বাড়িয়ে দিতে পারে?

নারকেলের পানি বরাবরই গরমে শরীর ঠান্ডা রাখা, ক্লান্তি দূর করা এবং পটাসিয়াম ও অন্যান্য খনিজ উপাদান দেওয়ার জন্য জনপ্রিয়। এতে থাকে পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন সি ও বিভিন্ন খনিজ, যা শরীরের জন্য উপকারী। কিন্তু ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য চিন্তার বিষয় হলো এতে থাকা প্রাকৃতিক চিনি এবং কার্বোহাইড্রেট।

এক গ্লাস (প্রায় ২৫০ মিলিলিটার) নারকেলের পানিতে থাকে প্রায় ১৫ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট এবং ৮ গ্রাম প্রাকৃতিক চিনি। এই চিনি সরাসরি রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়াতে পারে।

মুম্বাইয়ের ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ ডা. নিখিল প্রভু বলেন, ‘যদি কারও রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে থাকে, তবে মাঝে মাঝে সীমিত পরিমাণে নারকেলের পানি খাওয়া যেতে পারে। তবে এটিকে ওষুধের মতো ভাবা উচিত নয়।’

গবেষণায় দেখা গেছে, নারকেলের পানির গ্লাইসেমিক ইনডেক্স প্রায় ৫৪, যা কম থেকে মাঝারি স্তরে পড়ে। অর্থাৎ এটি রক্তে চিনি হঠাৎ বাড়ায় না। তবে বেশি পরিমাণে খেলে সমস্যা হতে পারে।

নারকেলের পানিতে থাকা ম্যাগনেসিয়াম ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করে। টাইপ ২ ডায়াবেটিসে প্রায়ই ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি দেখা যায়, যা রক্তের চিনি নিয়ন্ত্রণে বাধা দেয়। এছাড়াও এতে থাকা পটাসিয়াম এবং এল-আর্জিনিন রক্তনালিগুলো শিথিল করতে সাহায্য করে, ফলে রক্ত চলাচল ভালো থাকে। ডায়াবেটিস রোগীদের মধ্যে পায়ের স্নায়ু সমস্যা এবং রক্ত চলাচলের সমস্যা সাধারণ, তাই কিছুটা উপকার পাওয়া সম্ভব।

তবে, যদি কারও রক্তে চিনি খুব বেশি থাকে বা HbA1c প্রায় ৯-১০ শতাংশের কাছাকাছি, তবে নারকেলের পানি এড়ানোই ভালো। প্রতিদিন খেলে ধীরে ধীরে রক্তে চিনি বাড়তে পারে। নিরাপদ উপায় হলো, সপ্তাহে এক বা দুবার অল্প পরিমাণে নারকেলের পানি পান করা এবং তা খাবারের সঙ্গে বা শারীরিক পরিশ্রমের পরে নেওয়া। খালি পেটে বা প্রতিদিন নিয়মিত খাওয়া ঠিক নয়।

সারসংক্ষেপে, নারকেলের পানি ডায়াবেটিসের জন্য ‘বিষ নয়, অমৃতও নয়।’ এটি সঠিক সময়ে এবং সীমিত পরিমাণে পান করলে উপকারী হতে পারে। রক্তের চিনি নিয়মিত পরীক্ষা করা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ পথ।

সূত্র : Health Line

সকলে মিলে দেশ গড়ার সময় এসেছে: সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তারেক রহমান

সুন্দরবন নিউজ ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১১:৪০ অপরাহ্ণ
সকলে মিলে দেশ গড়ার সময় এসেছে: সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তারেক রহমান

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, সকলে মিলে দেশ গড়ার সময় এসেছে, এখন বাংলাদেশের মানুষ কথা বলার অধিকার ফিরে পেতে চায়।

বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর পূর্বাচলের ৩০০ ফিটে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

আজ দুপুর ১২টা ৩৫মিনিটে তিনি বিমানবন্দর থেকে সড়কপথে একটি বিশেষ বাসে করে ৩০০ ফিটের উদ্দেশে রওনা দেন। দলীয় নেতাকর্মীরা রাস্তার দুধারে হাত নেড়ে তাকে স্বাগত জানান। ৩ ঘণ্টা ১৫ মিনিট পর মঞ্চে পৌঁছান বিএনপি নেতা তারেক রহমান।

এর আগে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বহনকারী বিমানটি বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এর কিছুক্ষণ আগে তারেক রহমান তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক স্ট্যাটাসে আবেগঘন বার্তায় লেখেন, দীর্ঘ ৬ হাজার ৩১৪ দিন পর বাংলাদেশের আকাশে!

এরও আগে, বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত সোয়া ১২টায় লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করে ফ্লাইটটি। একই দিন বাংলাদেশ সময় রাত সোয়া ৮টায় লন্ডনের নিজ বাসা ত্যাগ করেন তারেক রহমান। তিনি স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে রাত সোয়া ১০টায় হিথ্রো বিমানবন্দরে পৌঁছান।

শ্যামনগরে সিপিপি কর্মকর্তার অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন।

সুন্দরবন নিউজ ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১:৫৭ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে সিপিপি কর্মকর্তার অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন।

শ্যামনগরে এক দুর্নীতিগ্রস্ত সিপিপি কর্মকর্তার দুর্নীতি-অনিয়মের বিরুদ্ধে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল ১১ টায় সিপিপি উপজেলা কার্যালয়,(জেসি কমপ্লেক্স)এর সামনে এ কর্মসূচির আয়োজন করে সিপিপি শ্যামনগর পৌরসভার স্বেচ্ছাসেবকবৃন্দ। এতে ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে শ্যামনগর উপজেলা পৌরসভার সমস্ত নারী ও পুরুষ স্বেচ্ছাসেবকগণ অংশ নেয়।

ঘন্টাব্যাপী চলা এই কর্মসূচিতে অংশ নেয় শ্যামনগর পৌরসভার সিপিপি টিম লিডার মোঃ আব্দুর রশিদ নান্টু, ১নং ইউনিট টিম লিডার নজরুল ইসলাম মুন্না, ২ নং ইউনিট টিম লিডার, ভবেসিন্দু মন্ডল, ৩ নং ইউনিট টিম লিডার হাবিবুর রহমান ৪ নং ইউনিট টিম লিডার ইয়াছিন মোড়ল ৫ নং ইউনিট টিম লিডার রবিন্দ্রনাথ মন্ডল ৬ নং ইউনিট টিম লিডার শাহীন ভূইয়া, ৭ নং ইউনিট টিম লিডার আব্দুর রশিদ নান্টু। ৮ নং ইউনিট টিম লিডার হেলাল মাহমুদ, ৯ নং ইউনিট টিম লিডার দেবাশিস গায়েন সহ অন্যান্য রা বক্তব্য রাখেন।

এ সময় বক্তারা বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি(সিপিপি) সহকারী পরিচালক শ্যামনগর মুন্সি নুর মোহাম্মদ, দুর্যোগে কাজ করা সিপিপি সংগঠনকে একটা বাণিজ্যিক সংগঠন হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন।

নীতিমালা তোয়াক্কা না করে নিজের মনগড়া ভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসতেছে, সাধারণ স্বেচ্ছাসেবকদের মধ্যে বৈষম্য তৈরি করে স্বেচ্ছাসেবী কাজে মনোভাব নষ্ট করছেন।

সিপিপি স্বেচ্ছাসেবক নির্দেশিকা -২০২১ অনুসারে সিপিপিতে যোগদানের বয়স ১৮ থেকে ৩৫ নির্ধারণ থাকলেও এই নীতিমালা অমান্য করে মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নে নিপা চক্রবর্তী নামক একজন ৪০ উর্ধ্ব বয়স নারী স্বেচ্ছাসেবককে নিয়োগ দিয়েছিলেন।

অপর দিকে রমজাননগর ইউনিয়নের তানিয়া নামক ১৬ বছর বয়সের নারী স্বেচ্ছাসেবককে নিয়োগ দিয়েছিলেন ।

কর্মকর্তার আন অফিসিয়াল তার কথা না শোনার কারনে পদ্মপুকুর ইউনিয়নের মাছুরা নামক নারী স্বেচ্ছাসেবককে বিনা কারণে বাদ দেওয়া হয়েছে।

জেলা পরিষদ নির্বাচনে কর্মকর্তার মনোনীত প্রার্থীকে ভোট না দেওয়ার কারণে রমজাননগরের আছমা মেম্বার, ও কৈখালীর রাবিয়া মেম্বারের সিপিপির আই ডি কার্ড দিতে তালবাহানা করেছে।

বক্তারা আরো বলেন:
এভাবে চলতে থাকলে শ্যামনগরের উপকূলীয় আমজনতা সিপিপি থেকে দুর্যোগের সময় সেবা পাবে না:
কর্মকর্তা মুন্সী নুর মোহাম্মদ একের পর এক নিয়ম বহির্ভূত কর্মকাণ্ড করতে থাকে এবং তার সাথে সঙ্গ না দেওয়ায়, শ্যামনগর সদর ইউনিয়ন টিম লিডার মোঃ আব্দুর রশিদ নান্টু নামে বিভিন্নভাবে মিথ্যা হয়রানি মূলক বেনামী অভিযোগ দিয়ে থাকেন ।

সর্বশেষ মোঃ আব্দুর রাজ্জাক নামীয় ব্যক্তির পাঠানো অভিযোগে বিষয়টি পরিষ্কার হয়, মুন্সি নুর মোহাম্মদ, অভিযোগকারীদের স্থানে আব্দুর রাজ্জাকের নাম ব্যবহার করে ইয়াসিন মোড়ল এবং আব্দুর রশিদ নানটুর নামে পুনরায় অভিযোগ করে,
মিটিং সেমিনার কিংবা প্রশিক্ষণ কর্মশালায় স্বেচ্ছাসেবকদের সাথে তুই তুকারি করে কথা বলেন এই কর্মকর্তা।
দুর্যোগের সময় বিশেষ মুহূর্তে অতি প্রয়োজনে কর্মকর্তাকে ফোন করলে ফোন কেটে দেন।
প্রয়োজনে স্বেচ্ছাসেবকরা অফিসে গেলে কর্মকর্তা বিরক্ত বোধ করেন।
স্বেচ্ছাসেবকদের মাঝে একে অপরের সাথে বিরোধ লাগিয়ে স্বার্থ হাসিল করার চেষ্টা করেন এই কর্মকর্তা।

মন:পুত ব্যক্তিদের বিভিন্নভাবে অফিশিয়ালি সুযোগ সুবিধা দিয়ে থাকেন বিশেষ করে যারা তার অনিয়ম কর্মকান্ডের সাথে জড়িত থাকেন।

টাকার বিনিময়ে জাতীয় পুরস্কার পাইয়ে দেওয়ার জন্য প্রকাশ্য সহযোগী হিসেবে কাজ করেছেন,কর্মকর্তা মুন্সি নুর মোহাম্মদ, তার কাছের ব্যক্তি রমজান নগর ইউনিয়নের স্বেচ্ছাসেবক ফারুক হোসেন কে অফিসের নথি প্রকাশ করে, নায্য পুরষ্কার প্রাপ্য নজরুলের ডকুমেন্টস জাল করে ততকালীন ইউ এন ও কাছে প্রেরণ করে

এসব বিষয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে সাধারণ স্বেচ্ছাসেবকরা মানববন্ধনের মাধ্যমে কর্মকর্তা মুন্সি নুর মোহাম্মদের বদলি চেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।