খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১৬ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাতক্ষীরাসহ ১২ জেলায় ৮টি আইনে বাধ্যতামূলক মধ্যস্থতার পথ বেছে নিয়েছে সরকার

সুন্দরবন নিউজ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১:৫২ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরাসহ ১২ জেলায় ৮টি আইনে বাধ্যতামূলক মধ্যস্থতার পথ বেছে নিয়েছে সরকার

সাতক্ষীরাসহ দেশের ১২টি জেলায় পাঁচটি দেওয়ানি ও তিনটি ফৌজদারিসহ মোট আটটি আইনের বিরোধ নিষ্পত্তিতে বাধ্যতামূলক মধ্যস্থতার পথ বেছে নিয়েছে সরকার। এসব আইনে আজ থেকে (১৮ সেপ্টেম্বর) সরাসরি মামলা নেবে না আদালত।

এজন্য সংক্ষুদ্ধ পক্ষকে প্রথমে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে মধ্যস্থতার চেষ্টা করতে হবে। কেবল মধ্যস্থতায় ব্যর্থ হলে মামলা করা যাবে আদালতে।

গত ১৫ সেপ্টেম্বর এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী প্রাথমিকভাবে সাতক্ষীরা জেলাসহ দেশের ১২টি জেলায় ১৮ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) থেকে এই নির্দেশ কার্যকর হবে। এ সংক্রান্ত একটি গণবিজ্ঞপ্তিও ১৬ সেপ্টেম্বর প্রকশ করেছে জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা।

জেলাগুলো হলো, সাতক্ষীরা, ফরিদপুর, ময়মনসিংহ, রংপুর, দিনাজপুর, কুষ্টিয়া, কুমিল্লা, নোয়াখালী, রাঙ্গামাটি, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং সুনামগঞ্জ।

লিগ্যাল এইড অফিসে মধ্যস্থতায় নিষ্পত্তিযোগ্য ধারাগুলো হলো- পারিবারিক আদালত আইন ২০২৩ এর ৫, বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৯১, সহকারী জজ আদালতের এখতিয়ারভুক্ত বণ্টন সম্পর্কিত বিরোধ, স্টেট অ্যাকুজিশন অ্যান্ড টেন্যান্সি অ্যাক্ট ১৯৫০ এর সেকশন ৯৬ এ উল্লিখিত অগ্রক্রয় সম্পর্কিত বিরোধ, নন-এগ্রিকালচারাল টেন্যান্সি অ্যাক্ট ১৯৪৯-এর সেকশন ২৪ এ উল্লিখিত অগ্রক্রয় সম্পর্কিত বিরোধ, পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন ২০১৩ এর ধারা ৮ অনুসারে পিতা-মাতার ভরণপোষণ সম্পর্কিত বিরোধ, যৌতুক নিরোধ আইন ২০১৮ এর ধারা ৩ ও ৪ এ যৌতুক সম্পর্কিত অভিযোগ এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ধারা ১১(গ)তে বর্ণিত যৌতুকের জন্য নির্যাতন সম্পর্কিত অভিযোগ।

জানা গেছে, ভুয়া মামলা কমানো, মামলার চাপ হ্রাস এবং বিচারপ্রার্থীদের হয়রানি কমানোর উদ্দেশ্যে ২০০০ সালের আইনগত সহায়তা প্রদান আইন সংশোধোনের মাধ্যমে অধিকতর সংশোধনকল্পে প্রণীত অধ্যাদেশ নামে একটি গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। যা গত ১ জুলাই আইন ও বিচার বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়।

দেশের আইন অঙ্গনে বছরের পর বছর মামলার চাপ বাড়ছে। মানলার চাপ কমানো, নির্দোষ ব্যক্তিদের হয়রানি থেকে মুক্তি, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি লাঘবের কথা বিবেচনা করেই এই আটটি আইনে সংশোধনী আনা হয়েছে।

এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান এবং সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, লিগ্যাল এইড অফিসে মধ্যস্থতার প্রধান সুফল হলো এর ফলে বিচারপ্রার্থীদের জন্য একটি দ্রুত, সহজ ও সাশ্রয়ী উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ তৈরি হবে। লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে একজন বিচারকের তত্ত্বাবধানে বিরোধ নিষ্পত্তি হবে এবং পক্ষদ্বয় উপকৃত হবে।

সাতক্ষীরা জজ কোর্টের সরকারি কৌশলী (জিপি) অসীম কুমার মন্ডল বলেন, সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপ অবশ্যই প্রশংসার দাবি রাখে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে জমি জায়গা সংক্রান্ত দেওয়ানি মামলার কারণে একাধিক ফৌজদারী মামলার সৃষ্টি হয়। এজন্য পাঁচ প্রকারের দেওয়ানি মামলা লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে আপোস মীমাংসার চেষ্টা করা হলে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে এবং মামলা জট কমবে।

তবে, এই প্রক্রিয়া কতটুকু স্বস্তিদায়ক হবে তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন অনেকেই।

সাতক্ষীরা জজ কোর্টের আইনজীবী এটিএম ফখরুল আলম বাবু বলেন, লিগাল এইড অফিসে যাওয়া মানে এক নতুন প্রক্রিয়া শুরু হওয়া, যা মামলা শুরুর পূর্বে বাড়তি সময় ও জটিলতা সৃষ্টি করবে। ফলে বিচারপ্রার্থীকে আরও দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হবে।

সাতক্ষীরা জেলা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের নেত্রী ফরিদা আক্তার বিউটি বলেন, একজন নারীকে যৌতুকের জন্য নির্যাতন করার পর সে কি মধ্যস্থতা করতে যাবে? নারীরা সমাজ ও পরিবারে এমনিতেই দুর্বল পক্ষ। এখন এ আইনে তাদের আরও দুর্বল করে দেওয়া হয়েছে। একজন মানুষ আগে যেখানে অন্যায় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আইনের আশ্রয় নিতে পারতো, এখন তাকে লিগ্যাল এইড অফিসে মধ্যস্থতার জন্য দৌড়াদৌড়ি করতে হবে।

বাবরি মসজিদ নির্মাণ নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য অমিত শাহর

সুন্দরবন নিউজ ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৩৫ অপরাহ্ণ
বাবরি মসজিদ নির্মাণ নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য অমিত শাহর

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় এলে রাজ্যটিতে বাবরের নামে কোনো মসজিদ নির্মাণ করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) আলিপুরদুয়ার জেলার ফালাকাটায় এক জনসভায় ভাষণ দেওয়ার সময় তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা ব্যানার্জিকে উদ্দেশ্য করে এই বিস্ফোরক মন্তব্য করেন তিনি।

এর আগে গত ডিসেম্বরে তৃণমূলের বহিষ্কৃত নেতা হুমায়ুন কবীরের বাবরি মসজিদ নির্মাণের ঘোষণা এবং পরবর্তীতে বেলডাঙায় এর কাজ শুরু করার প্রেক্ষাপটে অমিত শাহ এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি বলেন, মমতা দিদি, আপনি কান খুলে শুনে রাখুন—আপনি এবং আপনার ভাতিজা যতই চেষ্টা করুন না কেন, এই বাংলা ভারতের ভূমি। স্বামী বিবেকানন্দের এই পবিত্র মাটিতে কোনোভাবেই বাবরি মসজিদ নির্মাণ করতে দেওয়া হবে না।

অমিত শাহ তার বক্তব্যে অভিযোগ করেন, রাম মন্দির নির্মাণ বাধাগ্রস্ত করতে দীর্ঘ সাড়ে ২৫ বছর ধরে মুঘল, ইংরেজ এবং কংগ্রেসের পাশাপাশি মমতা ব্যানার্জিও প্রচেষ্টা চালিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, ২০১৯ সালে নরেন্দ্র মোদি ক্ষমতায় আসার পর সেই দীর্ঘ প্রতিক্ষার অবসান ঘটিয়ে রাম মন্দির নির্মাণ করেছেন। অথচ পশ্চিমবঙ্গে মমতা তারই দলের সাবেক বিধায়ককে দিয়ে বাবরি মসজিদ বানানোর ছক কষছেন।

জনসভার উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে তিনি প্রশ্ন ছুড়ে বলেন, আপনারাই বলুন, মমতাকে কি এখানে বাবরি মসজিদ নির্মাণ করতে দেওয়া উচিত?

অনুপ্রবেশ প্রসঙ্গে শাহ বলেন, ত্রিপুরা, আসাম ও বিহারের মতো পশ্চিমবঙ্গেও বিজেপির সরকার তৈরি হলে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ করা হবে। দেশ থেকে প্রতিটি অনুপ্রবেশকারীকে বের করে দেওয়া হবে এবং একজনকেও এই রাজ্যে ঢুকতে দেওয়া হবে না।

এছাড়া তিনি দাবি করেন, মোদি সরকার আসার পর সার্জিক্যাল স্ট্রাইক ও ‘অপারেশন সিঁদুর’ এর মাধ্যমে পাকিস্তানের জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা আগের কংগ্রেস সরকার করতে ব্যর্থ হয়েছিল।

শেন ওয়ার্নের মৃত্যু নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তাঁর ছেলের

সুন্দরবন নিউজ ২৪ স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:১০ অপরাহ্ণ
শেন ওয়ার্নের মৃত্যু নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তাঁর ছেলের

২০২২ সালের ৪ মার্চ না ফেরার দেশে চলে যান শেন ওয়ার্ন। তবে অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি লেগস্পিনারের মৃত্যুর চার বছর পেরিয়ে গেলেও আলোচনা এখনো শেষ হয়নি। তাঁর মৃত্যু নিয়ে শোনা যাচ্ছে একের পর এক রহস্যময় তথ্য। অজি কিংবদন্তি লেগস্পিনারের ছেলে এবার বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন।

শেন ওয়ার্ন যখন মারা যান, তখন কোভিড-১৯ অতিমারির প্রাদুর্ভাব কিছুটা হলেও ছিল। কোয়ারেন্টিন অবস্থা থেকে বেরোলেও অনেকেই প্রতিষেধক হিসেবে টিকা নিয়েছিলেন। যেটার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা গেছে শিশু ও বৃদ্ধদের। ৫২ বছর বয়সী ওয়ার্নও নিয়েছিলেন টিকা। তাঁর ছেলে জ্যাকসনের দাবি জোর করে টিকা দেওয়াতেই মূলত অজি কিংবদন্তির মৃত্যু ত্বরান্বিত হয়েছিল।

কদিন আগে ‘টু ওয়ার্ল্ডস কোলাইড’ নামক এক পডকাস্টে এসেছিলেন জ্যাকসন। সেখানে তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে ওয়ার্নের মৃত্যুতে করোনা টিকার কোনো প্রভাব ছিল কি না। উত্তরে জ্যাকসন বলেন, ‘আমি নিশ্চিত এখানে টিকা জড়িত ছিল।বাবার যদি আগে কোনো শারীরিক সমস্যা থাকেও টিকার কারণে সেটা প্রকট হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। খবরটা পেয়েই আমার মনে হচ্ছিল কোভিডের টিকার কথা।’

২০২২ সালে থাইল্যান্ডের কোহ সামুইতে হার্ট অ্যাটাক করে মৃত্যুবরণ করেন ওয়ার্ন। মৃত্যুর পর থাই পুলিশ তাঁর ঘর থেকে কিছু ওষুধ সরিয়ে ফেলেছে বলে অভিযোগও উঠেছিল। এমনকি অস্ট্রেলিয়ার প্রয়াত কিংবদন্তির শরীরে উত্তেজক ওষুধও পাওয়া গিয়েছিল। তবে তাঁর ছেলে জ্যাকসন তা অস্বীকার করেছেন।

৮০০ উইকেট নিয়ে টেস্ট ইতিহাসে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী মুত্তিয়া মুরালিধরন। এই তালিকায় লঙ্কান কিংবদন্তির পরই শেন ওয়ার্ন। ১৪৫ টেস্টে নিয়েছেন ৭০৮ উইকেট। ৩৭ বার নিয়েছেন ইনিংসে পাঁচ উইকেট। ম্যাচে ১০ উইকেট নিয়েছেন ১০ বার। ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়ার প্রয়াত কিংবদন্তি লেগস্পিনার পেয়েছেন ২৯৩ উইকেট। আর ২০০৮ আইপিএলে তাঁর নেতৃত্বে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল রাজস্থান রয়্যালস।

কিংবদন্তি উসাইন বোল্টের রেকর্ড ভাঙলেন গাউট

সুন্দরবন নিউজ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৫৪ অপরাহ্ণ
কিংবদন্তি উসাইন বোল্টের রেকর্ড ভাঙলেন গাউট

সিডনির ট্রাকে ঝড় তুললেন ১৮ বছরের এক তরুণ। তার নাম গাউট গাউট। মাত্র ১৯.৬৭ সেকেন্ডে ২০০ মিটার দৌড় শেষ করে জিতে নিলেন জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপের স্বর্ণপদক। সেইসঙ্গে তোলপাড় করেছেন রেকর্ড বুক।

অনূর্ধ্ব-২০ পর্যায়ে নতুন বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন গাউট। ভেঙে দিলেন কিংবদন্তি উসাইন বোল্টের রেকর্ড। ১৮ বছর বয়সে বোল্টের দ্রুততম সময় ছিল ১৯.৯৩ সেকেন্ড। গাউট সময় নিলেন তার চেয়েও কম।

অস্ট্রেলিয়ার অ্যাথলেটিকস ইতিহাসে গাউটই প্রথম। এর আগে কোনো অজি স্প্রিন্টার ২০ সেকেন্ডের নিচে ২০০ মিটার শেষ করতে পারেননি। এমন দুর্দান্ত কীর্তি গড়ার পর গাউট বললেন, ‘আমি এর জন্যই অপেক্ষা করছিলাম।’

কিছুদিন ধরেই গাউটকে উসাইন বোল্টের সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে। তার লম্বা ধাপে পা ফেলা, সোজা হয়ে দৌড়ানো এবং শেষ দিকের বিধ্বংসী গতির কারণে তাকে ‘পরবর্তী বোল্ট’ বলছেন অনেকেই।

গাউটের নজর এখন আসন্ন অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্ব অ্যাথলেটিকস চ্যাম্পিয়নশিপের দিকে। তিনি বলেন, ‘আমি এখনো মাত্র ১৮ বছর বয়সী। আমি অবশ্যই আরও জোরে দৌড়াতে পারি।’

বোল্টের সঙ্গে তুলনা প্রসঙ্গে তিনি বেশ বিনয়ী। তিনি বলেন, ‘দিন শেষে আমি তো আমিই। আমি আমার কাজ করছি। আমার কোনো চাপ নেই। ট্র্যাকে নামলে শুধু ট্র্যাক আর আমার স্পাইক নিয়েই ভাবি।’