খুঁজুন
শুক্রবার, ১৭ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৪ঠা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শ্রীলঙ্কাকে হারানোর পর ফাইনালে উঠতে যে সমীকরণ বাংলাদেশের সামনে

সুন্দরবন নিউজ ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ২:৫৭ অপরাহ্ণ
শ্রীলঙ্কাকে হারানোর পর ফাইনালে উঠতে যে সমীকরণ বাংলাদেশের সামনে

দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে সাইফ হাসান ও তাওহীদ হৃদয়ের ঝলমলে ফিফটির ওপর ভর করে শ্রীলঙ্কাকে ৪ উইকেটে হারিয়ে এশিয়া কাপের সুপার ফোরে স্বপ্নের সূচনা করল টাইগাররা। এই জয়ের ফলে ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা আরও দৃঢ় হলো টাইগারদের।

শনিবার টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৬৮ রান তোলে শ্রীলঙ্কা। তাদের হয়ে সবচেয়ে বড় অবদান রাখেন দাসুন শানাকা। ৩৭ বলে ৬টি ছক্কা ও ৩ চার হাঁকিয়ে ৬৪ রানে অপরাজিত থাকেন লঙ্কান অধিনায়ক। বাংলাদেশের হয়ে মুস্তাফিজুর রহমান নেন ৩টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট।

১৬৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ইনিংসের শুরুতেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। তবে চাপে পড়েও দলকে সামাল দেন সাইফ হাসান। ৪৫ বলে ৬১ রানের ইনিংসে ৪টি চার ও ২টি ছক্কা হাঁকান তিনি। তার সঙ্গে তাওহীদ হৃদয় খেলেন ৩৭ বলে ৫৮ রানের দৃষ্টিনন্দন ইনিংস, যেখানে ছিল ৪ চার ও ২ ছক্কা। দুজন মিলে গড়েন ৫৪ রানের জুটি, যা ম্যাচে জয় নিশ্চিত করার ভিত্তি গড়ে দেয়।

সুপার ফোরে বাংলাদেশের সামনে রয়েছে আরও দুটি ম্যাচ যেখানে প্রতিপক্ষ হিসেবে টাইগাররা পাবে পাকিস্তান ও ভারতকে। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর লিটন দাসের দল খেলবে ভারতের বিপক্ষে। এরপর দিনই পাকিস্তানের বিপক্ষে সুপার ফোরে নিজেদের শেষ ম্যাচটা খেলবে বাংলাদেশ।

ফাইনালে খেলা বাংলাদেশের একেবারে নিশ্চিত হয়ে যাবে যদি সামনের দুটি ম্যাচই জিততে পারে। অন্তত একটি ম্যাচ জিতলেও অবস্থান সুবিধাজনকই থাকবে। সেক্ষেত্রে চলে আসবে রানরেটের হিসাব।

সুপার ফোরে এখন পর্যন্ত কেবল এক ম্যাচ হয়েছে। ফলে বাকি দুই ম্যাচের একটি জিতলে রানরেটের মারপ্যাঁচে পড়বে কি না বাংলাদেশ, তা এখনো বলা যাচ্ছে না। লঙ্কানদের হারিয়ে দারুণ আত্মবিশ্বাস পাওয়া লিটন-মুস্তাফিজরা চাইবেন পরবর্তী দুই ম্যাচ জিতে দাপটের সঙ্গেই ফাইনালে পা রাখতে। আর সেটি করতে পারলে এর চেয়ে ভালো আর কিছুই হতে পারে না।

বাবরি মসজিদ নির্মাণ নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য অমিত শাহর

সুন্দরবন নিউজ ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৩৫ অপরাহ্ণ
বাবরি মসজিদ নির্মাণ নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য অমিত শাহর

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় এলে রাজ্যটিতে বাবরের নামে কোনো মসজিদ নির্মাণ করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) আলিপুরদুয়ার জেলার ফালাকাটায় এক জনসভায় ভাষণ দেওয়ার সময় তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা ব্যানার্জিকে উদ্দেশ্য করে এই বিস্ফোরক মন্তব্য করেন তিনি।

এর আগে গত ডিসেম্বরে তৃণমূলের বহিষ্কৃত নেতা হুমায়ুন কবীরের বাবরি মসজিদ নির্মাণের ঘোষণা এবং পরবর্তীতে বেলডাঙায় এর কাজ শুরু করার প্রেক্ষাপটে অমিত শাহ এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি বলেন, মমতা দিদি, আপনি কান খুলে শুনে রাখুন—আপনি এবং আপনার ভাতিজা যতই চেষ্টা করুন না কেন, এই বাংলা ভারতের ভূমি। স্বামী বিবেকানন্দের এই পবিত্র মাটিতে কোনোভাবেই বাবরি মসজিদ নির্মাণ করতে দেওয়া হবে না।

অমিত শাহ তার বক্তব্যে অভিযোগ করেন, রাম মন্দির নির্মাণ বাধাগ্রস্ত করতে দীর্ঘ সাড়ে ২৫ বছর ধরে মুঘল, ইংরেজ এবং কংগ্রেসের পাশাপাশি মমতা ব্যানার্জিও প্রচেষ্টা চালিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, ২০১৯ সালে নরেন্দ্র মোদি ক্ষমতায় আসার পর সেই দীর্ঘ প্রতিক্ষার অবসান ঘটিয়ে রাম মন্দির নির্মাণ করেছেন। অথচ পশ্চিমবঙ্গে মমতা তারই দলের সাবেক বিধায়ককে দিয়ে বাবরি মসজিদ বানানোর ছক কষছেন।

জনসভার উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে তিনি প্রশ্ন ছুড়ে বলেন, আপনারাই বলুন, মমতাকে কি এখানে বাবরি মসজিদ নির্মাণ করতে দেওয়া উচিত?

অনুপ্রবেশ প্রসঙ্গে শাহ বলেন, ত্রিপুরা, আসাম ও বিহারের মতো পশ্চিমবঙ্গেও বিজেপির সরকার তৈরি হলে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ করা হবে। দেশ থেকে প্রতিটি অনুপ্রবেশকারীকে বের করে দেওয়া হবে এবং একজনকেও এই রাজ্যে ঢুকতে দেওয়া হবে না।

এছাড়া তিনি দাবি করেন, মোদি সরকার আসার পর সার্জিক্যাল স্ট্রাইক ও ‘অপারেশন সিঁদুর’ এর মাধ্যমে পাকিস্তানের জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা আগের কংগ্রেস সরকার করতে ব্যর্থ হয়েছিল।

শেন ওয়ার্নের মৃত্যু নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তাঁর ছেলের

সুন্দরবন নিউজ ২৪ স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:১০ অপরাহ্ণ
শেন ওয়ার্নের মৃত্যু নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তাঁর ছেলের

২০২২ সালের ৪ মার্চ না ফেরার দেশে চলে যান শেন ওয়ার্ন। তবে অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি লেগস্পিনারের মৃত্যুর চার বছর পেরিয়ে গেলেও আলোচনা এখনো শেষ হয়নি। তাঁর মৃত্যু নিয়ে শোনা যাচ্ছে একের পর এক রহস্যময় তথ্য। অজি কিংবদন্তি লেগস্পিনারের ছেলে এবার বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন।

শেন ওয়ার্ন যখন মারা যান, তখন কোভিড-১৯ অতিমারির প্রাদুর্ভাব কিছুটা হলেও ছিল। কোয়ারেন্টিন অবস্থা থেকে বেরোলেও অনেকেই প্রতিষেধক হিসেবে টিকা নিয়েছিলেন। যেটার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা গেছে শিশু ও বৃদ্ধদের। ৫২ বছর বয়সী ওয়ার্নও নিয়েছিলেন টিকা। তাঁর ছেলে জ্যাকসনের দাবি জোর করে টিকা দেওয়াতেই মূলত অজি কিংবদন্তির মৃত্যু ত্বরান্বিত হয়েছিল।

কদিন আগে ‘টু ওয়ার্ল্ডস কোলাইড’ নামক এক পডকাস্টে এসেছিলেন জ্যাকসন। সেখানে তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে ওয়ার্নের মৃত্যুতে করোনা টিকার কোনো প্রভাব ছিল কি না। উত্তরে জ্যাকসন বলেন, ‘আমি নিশ্চিত এখানে টিকা জড়িত ছিল।বাবার যদি আগে কোনো শারীরিক সমস্যা থাকেও টিকার কারণে সেটা প্রকট হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। খবরটা পেয়েই আমার মনে হচ্ছিল কোভিডের টিকার কথা।’

২০২২ সালে থাইল্যান্ডের কোহ সামুইতে হার্ট অ্যাটাক করে মৃত্যুবরণ করেন ওয়ার্ন। মৃত্যুর পর থাই পুলিশ তাঁর ঘর থেকে কিছু ওষুধ সরিয়ে ফেলেছে বলে অভিযোগও উঠেছিল। এমনকি অস্ট্রেলিয়ার প্রয়াত কিংবদন্তির শরীরে উত্তেজক ওষুধও পাওয়া গিয়েছিল। তবে তাঁর ছেলে জ্যাকসন তা অস্বীকার করেছেন।

৮০০ উইকেট নিয়ে টেস্ট ইতিহাসে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী মুত্তিয়া মুরালিধরন। এই তালিকায় লঙ্কান কিংবদন্তির পরই শেন ওয়ার্ন। ১৪৫ টেস্টে নিয়েছেন ৭০৮ উইকেট। ৩৭ বার নিয়েছেন ইনিংসে পাঁচ উইকেট। ম্যাচে ১০ উইকেট নিয়েছেন ১০ বার। ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়ার প্রয়াত কিংবদন্তি লেগস্পিনার পেয়েছেন ২৯৩ উইকেট। আর ২০০৮ আইপিএলে তাঁর নেতৃত্বে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল রাজস্থান রয়্যালস।

কিংবদন্তি উসাইন বোল্টের রেকর্ড ভাঙলেন গাউট

সুন্দরবন নিউজ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৫৪ অপরাহ্ণ
কিংবদন্তি উসাইন বোল্টের রেকর্ড ভাঙলেন গাউট

সিডনির ট্রাকে ঝড় তুললেন ১৮ বছরের এক তরুণ। তার নাম গাউট গাউট। মাত্র ১৯.৬৭ সেকেন্ডে ২০০ মিটার দৌড় শেষ করে জিতে নিলেন জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপের স্বর্ণপদক। সেইসঙ্গে তোলপাড় করেছেন রেকর্ড বুক।

অনূর্ধ্ব-২০ পর্যায়ে নতুন বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন গাউট। ভেঙে দিলেন কিংবদন্তি উসাইন বোল্টের রেকর্ড। ১৮ বছর বয়সে বোল্টের দ্রুততম সময় ছিল ১৯.৯৩ সেকেন্ড। গাউট সময় নিলেন তার চেয়েও কম।

অস্ট্রেলিয়ার অ্যাথলেটিকস ইতিহাসে গাউটই প্রথম। এর আগে কোনো অজি স্প্রিন্টার ২০ সেকেন্ডের নিচে ২০০ মিটার শেষ করতে পারেননি। এমন দুর্দান্ত কীর্তি গড়ার পর গাউট বললেন, ‘আমি এর জন্যই অপেক্ষা করছিলাম।’

কিছুদিন ধরেই গাউটকে উসাইন বোল্টের সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে। তার লম্বা ধাপে পা ফেলা, সোজা হয়ে দৌড়ানো এবং শেষ দিকের বিধ্বংসী গতির কারণে তাকে ‘পরবর্তী বোল্ট’ বলছেন অনেকেই।

গাউটের নজর এখন আসন্ন অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্ব অ্যাথলেটিকস চ্যাম্পিয়নশিপের দিকে। তিনি বলেন, ‘আমি এখনো মাত্র ১৮ বছর বয়সী। আমি অবশ্যই আরও জোরে দৌড়াতে পারি।’

বোল্টের সঙ্গে তুলনা প্রসঙ্গে তিনি বেশ বিনয়ী। তিনি বলেন, ‘দিন শেষে আমি তো আমিই। আমি আমার কাজ করছি। আমার কোনো চাপ নেই। ট্র্যাকে নামলে শুধু ট্র্যাক আর আমার স্পাইক নিয়েই ভাবি।’