খুঁজুন
শুক্রবার, ২০শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভারতের বিকল্প হিসেবে থাইল্যান্ডের দিকে ঝুঁকছেন বাংলাদেশি রোগীরা

সুন্দরবন নিউজ ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ জানুয়ারি, ২০২৫, ৫:২৭ অপরাহ্ণ
ভারতের বিকল্প হিসেবে থাইল্যান্ডের দিকে ঝুঁকছেন বাংলাদেশি রোগীরা

বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা ইস্যু সীমিত করেছে প্রতিবেশী দেশ ভারত। ফলে বাংলাদেশি রোগীরা উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতের বিকল্প হিসেবে থাইল্যান্ডের দিকে ঝুঁকছেন। এছাড়া থাইল্যান্ডের হাসপাতালের কর্মীদের আন্তরিকতা ও সহজ ই-ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ার কারণে বাংলাদেশ থেকে পূর্ব এশিয়ার দেশটিতে চিকিৎসা নিতে ইচ্ছুকদের সংখ্যা বাড়ছে।

‘বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবার মান ও থাইল্যান্ডে বহির্মুখী চিকিৎসা ভ্রমণ’ বিষয়ক একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, বাংলাদেশি রোগীদের থাইল্যান্ডের চিকিৎসা সেবা নিয়ে ইতিবাচক ধারণা রয়েছে। তাই তারা চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডকে বেছে নিচ্ছেন।

গবেষণাটি পরিচালনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক মুহাম্মদ মাহবুব আলী এবং অস্ট্রেলিয়ার সেন্ট্রাল কুইন্সল্যান্ড ইউনিভার্সিটির অর্থনীতির সিনিয়র লেকচারার ড. অনিতা মেধেকার।

তারা বলেন, চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডকে পছন্দের প্রধান কারণ হলো রোগীরা বিশ্বাস করেন, দেশটি তুলনামূলক উন্নত মানের চিকিৎসা সেবা দিয়ে থাকে।

যেসব প্রতিষ্ঠান ভিসা নিয়ে কাজ করে এবং বিদেশি হাসপাতালে অ্যাপয়েন্টমেন্টের ব্যবস্থা করে তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত দুই থেকে তিন মাসে থাইল্যান্ডে মেডিকেল ভিসা পেতে আগ্রহী বাংলাদেশির সংখ্যা প্রায় ৪০ শতাংশ বেড়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে কিডনিজনিত সমস্যায় ভুগছেন ৪২ বছর বয়সী সাবিনা আক্তার। তিনি ভারতের ভিসার জন্য আবেদন করলেও পাননি। তাই কিছুটা হতাশ হয়ে পড়েছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত চিকিৎসার জন্য বিকল্প হিসেবে ব্যাংককে বেছে নেনে।

সাবিনা আক্তার জানান, তিনি থাই মেডিকিউরের পূর্ণ সহযোগিতা পেয়েছেন। তিনি সামিটেজ সুখুমভিট হাসপাতালের কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞের কাছ থেকে চিকিৎসা নিতে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে যান।

‘যদিও চিকিৎসার খরচ বাংলাদেশের শীর্ষ বেসরকারি হাসপাতালের তুলনায় একটু বেশি ছিল। তবে সেখানকার মেডিকেল কর্মীদের আন্তরিকতা ও চিকিৎসার মান অনেক ভালো ছিল,’ বলেন তিনি।

একই কথা বলেন লাবিবা, যার এক আত্মীয় সম্প্রতি ভারতের ভিসা না পেয়ে চিকিৎসার জন্য ব্যাংককে গিয়েছিলেন।

তাদের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে লাবিবা বলেন, ‘যদিও থাইল্যান্ডে চিকিৎসার খরচ বাংলাদেশের তুলনায় সামান্য বেশি, তবুও বাংলাদেশি রোগীদের জন্য এটি একটি ভালো বিকল্প।’

ঢাকায় থাই মেডিকিউর অফিসের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ নাজনীন আক্তার সৃষ্টি বলেন, ‘সেপ্টেম্বর থেকে চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডে যেতে ইচ্ছুক রোগীর সংখ্যা ছিল ৩০ শতাংশের বেশি।’

তিনি জানান, আগস্টের আগে তারা প্রতি মাসে গড়ে ২০ জন রোগীর মেডিকেল ভিসা প্রসেস করতে পারত। কিন্তু অক্টোবর থেকে এই সংখ্যা বেড়ে প্রতি মাসে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ জনে দাঁড়িয়েছে।

নাজনীন আক্তার সৃষ্টি উল্লেখ করেন, গুরুতর অসুস্থ রোগীরা ভারতীয় ভিসা না পেলে প্রাথমিকভাবে থাইল্যান্ডকে বেছে নিচ্ছেন।

তার ধারণা, হয়তো থাই সরকার হয়তো এটি বুঝতে পেরেছে। তাই ই-ভিসা চালু করে বাংলাদেশি পর্যটক ও রোগীদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করেছে।

তিনি আরও বলেন, থাইল্যান্ডের জন্য ভিসা পেতে ইচ্ছুকরা এখন আবেদনের ১০ দিনের মধ্যে ই-মেইলের মাধ্যমে ভিসা পেতে পারেন।

‘যদি আবেদনকারী বৈধ কাগজপত্র দেয় ও তাদের ব্যাংক হিসাবে পর্যাপ্ত টাকা থাকে, তাহলে সাধারণত থাইল্যান্ডের দূতাবাস ভিসার আবেদন প্রত্যাখ্যান করে না,’ যোগ করেন তিনি।

থাইল্যান্ডের বুমরুনগ্রাদ ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালের বাংলাদেশি অংশীদার থাই মেডি এক্সপ্রেসের নির্বাহী (প্যাশেন্ট রিলেশনস) ইশতিয়াক আহমেদ ইমন বলেন, গত তিন-চার মাসে রোগীর প্রবাহ কিছুটা বেড়েছে।

তবে সম্ভাব্য সংখ্যা নিয়ে কিছু জানাতে রাজি হননি তিনি।

তিনি মনে করেন, বাংলাদেশিদের ভিসা দেওয়ার ক্ষেত্রে ভারত বিধিনিষেধ আরোপ করায় থাইল্যান্ডে বাংলাদেশি রোগী যাওয়ার সংখ্যা বেড়েছে।

বুমরুনগ্রাদ ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালের একজন কর্মকর্তা বলেন, গত অক্টোবর থেকে প্রতি মাসে গড়ে ৬০ জন বাংলাদেশি রোগী ভর্তি করা হয়েছে। যেখানে আগের মাসিক গড় ছিল প্রায় ৪০ জন।

‘সুতরাং, বাংলাদেশ থেকে রোগীর আগমন প্রায় ৬৭ শতাংশ বেড়েছে,’ বলেন তিনি।

ওই কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশি রোগীরা সাধারণত বুমরুনগ্রাদ ও ব্যাংকক হাসপাতাল পছন্দ করেন। কারণ ডেডিকেটেড হেল্প ডেস্ক থাকার কারণে তারা স্বাচ্ছন্দ্যে সেবা নিতে পারেন।

ব্যাংকক হাসপাতাল বাংলাদেশ অফিসের অপারেশন ম্যানেজার আব্দুল কাইউম বলেন, এটা সত্য যে—সম্প্রতি মেডিকেল ভিসা প্রত্যাশীদের সংখ্যা বাড়ায় ভিসা প্রসেসিংয়ের চাপ বেশ বেড়েছে।

তিনি জানান, তারা আগে প্রতি মাসে চিকিৎসার জন্য সর্বোচ্চ ২০টি ভিসা প্রসেস করত। কিন্তু এখন তা বেড়ে প্রতি মাসে প্রায় ৩০টিতে পৌঁছেছে।

ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক কামরুল ইসলাম বলেন, তারা বুঝতে পেরেছেন যে—ডিসেম্বরের পর বাংলাদেশ থেকে থাইল্যান্ডে ভ্রমণকারীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

‘এ কারণে আমরা প্রতি সপ্তাহে দুটি অতিরিক্ত ফ্লাইট যোগ করেছি। এখন আমরা প্রতি সপ্তাহে নয়টি ফ্লাইট পরিচালনা করি,’ বলেন তিনি।

এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে ভারতে বাংলাদেশিদের ক্রেডিট কার্ডের খরচ কমেছে, তবে থাইল্যান্ড ও সিঙ্গাপুরে বাড়ছে।

ইরানের আবেদনে ফিফার না

সুন্দরবন নিউজ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬, ৩:৪৬ অপরাহ্ণ
ইরানের আবেদনে ফিফার না

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সংঘাতে ফিফা বিশ্বকাপ সংক্রান্ত ধূম্রজাল শেষ হচ্ছে না। ইরান তাদের ম্যাচ যুক্তরাষ্ট্র থেকে মেক্সিকোয় সরিয়ে নেওয়ার যে দাবি জানিয়েছিল, তা প্রত্যাখ্যান করেছে বিশ্ব ফুটবল সংস্থা। এ অবস্থায় চির শত্রু যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে ইরান আদৌ খেলতে যাবে তো!

চলমান অনিশ্চয়তার মধ্যে ইরানের ম্যাচ আয়োজনে দুয়ার খুলে দিয়েছে মেক্সিকো। সূচি বদলের সম্ভাবনা ফিফা উড়িয়ে দেওয়ার পর আপাতত সে সম্ভাবনা নেই। কিন্তু এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে বিশ্বকাপের টিকিট পাওয়া ইরানের মৃসণভাবে বিশ্বকাপ খেলার আপাতত কোনো পথও দেখা যাচ্ছে না।

এশিয়ার শক্তিশালী দল ইরান গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো বেলজিয়াম, মিশর ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে লস অ্যাঞ্জেলেস ও সিয়াটলে খেলবে। ম্যাচগুলো মেক্সিকো সিটির আজটেকা, গুয়াদালাহারা বা মন্টেরেতে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টার জবাবে ফিফা দ্রুতই তা প্রত্যাখ্যান করে।

এ প্রসঙ্গে ফিফার এক মুখপাত্র বলেন, ‘ফিফা অংশগ্রহণকারী সব সদস্য দেশের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে, যার মধ্যে ইরানও রয়েছে। ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা চলমান। ফিফা ৬ ডিসেম্বর ২০২৫-এ ঘোষিত ম্যাচ সূচি অনুযায়ী সব দলকে প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে দেখার অপেক্ষায় আছে।’ মেক্সিকো সিটিতে কথা বলতে গিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট ক্লাউদিয়া শেইনবাউম জানান, ইরানের অনুরোধ মানতে তারা প্রস্তুত থাকতে পারেন।

তিনি বলেন, ‘মেক্সিকোর জন্য এতে কোনো সমস্যা নেই, এটি কেবল ফিফার লজিস্টিকসের বিষয়। এটি সম্ভব, কারণ তাদের যুক্তরাষ্ট্রেই যাওয়ার কথা ছিল। যদি তারা মেক্সিকোয় ম্যাচ আয়োজন করতে চায়। বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে এবং যথাসময়ে আমরা জানাব।’

আসর শুরুর মাত্র ১২ সপ্তাহ আগে ১০৪ ম্যাচের সূচি পরিবর্তন হওয়া খুবই অসম্ভব বলে মনে করা হচ্ছে। এত দেরিতে সূচি পরিবর্তন ফিফার জন্য বড় ধরনের লজিস্টিকস দুর্ভোগ তৈরি করবে।

চলতি বছরেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন জানালেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সুন্দরবন নিউজ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ১১:০৭ অপরাহ্ণ
চলতি বছরেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন জানালেন মির্জা  ফখরুল ইসলাম আলমগীর

চলতি বছরেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ ছাড়া চলতি বছরের মধ্যেই বিএনপির সম্মেলনও অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান তিনি।

বুধবার (১৮ মার্চ) রাতে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এমনটি জানান মির্জা ফখরুল। মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রথম মতবিনিময় সভা করলেন তিনি।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে কাজ চলছে। নিঃসন্দেহে এ বছরেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং যত দ্রুত সম্ভব এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

বিএনপির সম্মেলন প্রসঙ্গে দলটির মহাসচিব বলেন, ‘বিএনপির সম্মেলন এ বছরের মধ্যেই। এখনো আমরা সময় নির্ধারণ করিনি। কিন্তু আমার মনে হয়, শিগগিরই হবে কাউন্সিল।’ প্রসঙ্গত, বিএনপির সর্বশেষ সম্মেলন হয় ২০১৬ সালে।

বিএনপির মহাসচিবকে উদ্দেশ করে এক সাংবাদিক বলেন, সরকার গঠনের পর সরকার ও দল ‘এক হয়ে গেছে’। দলের কার্যক্রম কবে নাগাদ শুরু হবে? জবাবে তিনি বলেন, দলের কার্যক্রম তো চলছে, ছোট খাটোভাবে তো চলছে। এক মাসে সরকার গঠন করতে তো সময় লেগেছে। দলের লোক বেশিরভাগই সরকারে চলে গেছেন। সেই জায়গাগুলোতে সময় লাগবে; এটা বিচ্ছিন্ন ব্যাপার না। এটা আলাদা করে দেখা যাবে না। সরকার তার কাজ করবে, দল তার কাজ করবে।

মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের প্রসঙ্গ টেনে মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি যখনই সরকারে আসে, তখনই একটা করে বড় রকমের ঝামেলা আসে; এর আগেও এমনটা দেখা গেছে। এবার এসেছে ইরান যুদ্ধ, এই যুদ্ধের ফলে বিশ্বে তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়ে বড় ধরনের সমস্যা তৈরি হয়েছে। তবে বিএনপি সরকার এখন পর্যন্ত যোগ্যতা ও দক্ষতার সঙ্গে এই বিষয়গুলো মোকাবিলা করেছে। এর ফলে দেশে তেলের দাম এখনো বাড়েনি। এ ছাড়াও এবার গার্মেন্টস্‌ ফ্যাক্টরিগুলোতে বেতন না দেওয়ার যেসব ঝামেলা হয়, সেগুলো হয়নি। কারণ, এসব বিষয়ে এবার আগাম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব বলেন, জুলাই সনদের ব্যাপারে আমরা কিন্তু শতভাগ কমিটেড (প্রতিশ্রুতিবদ্ধ), যেগুলো আমরা সই করেছি। আমি পরিষ্কার করে বলতে চাই, আমরা যেগুলোতে একমত হয়েছি, সেই বিষয়গুলোতে আমরা কমিটেড। সেই কমিটমেন্ট থেকে আমরা এক চুলও নড়ব না। আর যেগুলো আমাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া- এগুলো মেনে নেওয়া তো আমাদের জন্য নিশ্চয়ই সবসময় সম্ভব নাও হতে পারে। তবে সেটা নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি।

সৌদি আরবে ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা

সুন্দরবন নিউজ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ৯:৩১ অপরাহ্ণ
সৌদি আরবে ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা

সৌদি আরবে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। তাই দেশটিতে পবিত্র ঈদুল ফিতর আগামী শুক্রবার (২০ মার্চ) উদ্‌যাপন করা হবে বলে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

খালিজ টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার (১৮ মার্চ) সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। কর্তৃপক্ষ চাঁদ দেখার চেষ্টা করে। কিন্তু তা দেখা যায়নি। ফলে সৌদি আরবে পবিত্র রমজান মাস ৩০ দিনে পূর্ণ হবে। এ হিসেবে বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) হবে রমজানের শেষ দিন। পরদিন শুক্রবার ঈদ পালিত হবে।

ইসলামি বিধান অনুযায়ী, শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ঈদের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। চাঁদ দেখা না গেলে রমজান ৩০ দিন পূর্ণ করা হয়, এরপর ঈদ উদযাপিত হয়।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চাঁদ দেখার তারতম্যের কারণে ঈদের তারিখ ভিন্ন হতে পারে। সাধারণত সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে শুক্রবার ঈদ উদযাপিত হলেও দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশে একদিন পর ঈদ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। স্ব স্ব দেশগুলোতে স্থানীয় চাঁদ দেখার কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঈদের তারিখ ঘোষণা করা হবে।