খুঁজুন
বুধবার, ১৫ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানে স্থল অভিযান মানে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ!

সুন্দরবন নিউজ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১১:৩৪ পূর্বাহ্ণ
ইরানে স্থল অভিযান মানে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ!

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা শুরুর পর থেকে সংঘাত ক্রমেই বাড়ছে। পাল্টাপাল্টি আক্রমণের তীব্রতা যেমন বাড়ছে, তেমনি বিস্তৃত হচ্ছে যুদ্ধক্ষেত্রের পরিধিও। একের পর এক গোষ্ঠী, দেশ আক্রান্ত হচ্ছে, জড়াচ্ছে যুদ্ধে। প্রথমদিকে কেবল ইরানের সামরিক স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু হলেও পরে কৌশলগত অবস্থান, জ্বালানি, পানি স্থাপনা, হাসপাতাল, স্কুলে হামলা হয়। তেহরানও ইসরায়েলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন ঘাঁটির সঙ্গে পানি শোধণাগার, জ্বালানি ডিপোকে ড্রোন হামলা চালায়। এর মধ্যে ইরানের সবচেয়ে বড় চারটি তেল ডিপোতে ইসরায়েলি-মার্কিন হামলার পর জ্বালানির অন্যতম নৌরুট হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে তেহরান। তেল আবিবে হিজবুল্লাহ ও ইরান প্রথমবারের মতো যৌথভাবে আক্রমণ করে। তেহরানের ‘অলআউট’ আক্রমণে সাগরে থাকা মার্কিন রণতরি, আকাশে সামরিক বিমান বিধ্বস্ত, ঘাঁটির পাঁচটি সামরিক বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ইসরায়েলজুড়ে ঝোড়ো আক্রমণ চালাচ্ছে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সেনারা। যুদ্ধে সরাসরি জড়িয়েছে ইরানপন্থি লেবাননের হিজবুল্লাহ, ইরাকের মিলিশিয়া গোষ্ঠীগুলো। রাজধানী তেহরানসহ সব প্রদেশে তাণ্ডব চালাচ্ছে মার্কিন-ইসরায়েলি যুদ্ধ জোট। এর মধ্যে খবর বেরিয়েছে—রাশিয়া মার্কিন সামরিক বাহিনী ও যানের অবস্থানগত গোয়েন্দা তথ্য এবং স্যাটেলাইটের জিপিএস আর প্রযুক্তিগত সুবিধা দিচ্ছে চীন। জাতিসংঘেও তারা ইরানে হামলার বিরুদ্ধে তোপ দেগেছে। এ পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আড়াই হাজার স্থল সেনা পাঠাচ্ছেন। বিশ্লেষকরা সতর্ক করছেন, এখন ইরানে স্থল অভিযান শুরু হলে সেটি শুধু আর আঞ্চলিক যুদ্ধে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং তা বিশ্বকে ঠেলে দিতে পারে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দিকে। ইরান যুদ্ধ ঘিরে বিশ্বযুদ্ধের ঝুঁকি নিয়ে বিস্তারিত জানাচ্ছেন হুমায়ূন কবির

ইরানের সামরিক শক্তি, ভৌগোলিক অবস্থান এবং রাশিয়া ও চীনের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্কসহ বিস্তৃত আঞ্চলিক প্রভাব—এই তিনের সমন্বয়ে ইরানকে অনেক বিশেষজ্ঞই মধ্যপ্রাচ্যে ‘কৌশলগত কেন্দ্রবিন্দু’ হিসেবে দেখেন। ফলে দেশটিতে সরাসরি সেনা অভিযান মানে শুধু ইরানের সঙ্গে সংঘাত নয়, বরং পুরো অঞ্চলের শক্তির ভারসাম্য ভেঙে পড়ার ঝুঁকি।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক জন জে মিয়ারশেইমার মনে করেন, ইরানের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ দ্রুতই বহু দেশের সম্পৃক্ততায় বড় আকার নিতে পারে। একই ধরনের সতর্কতা দিয়েছেন বৈশ্বিক ঝুঁকি বিশ্লেষক ইয়ান ব্রিমারও। তাদের মতে, ইরানের বৈশ্বিক মিত্র ও প্রক্সি শক্তিগুলো সক্রিয় হলে সংঘাত ছড়িয়ে পড়তে পারে লেবানন, সিরিয়া, ইরাক ও ইয়েমেন পর্যন্ত। এর সঙ্গে যুক্ত হতে পারে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পথগুলোর একটি হরমুজ প্রণালি, যা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেলে বিশ্ব অর্থনীতিতেও দেখা দিতে পারে বড় ধরনের ধাক্কা।

আঞ্চলিক যুদ্ধ, সীমিত যুদ্ধ বা নানা ধরনের হাইব্রিড ও অসম যুদ্ধের তুলনায় একটি বিশ্বযুদ্ধ মহাশক্তির রাজনীতি, স্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার ওপর অনেক বেশি প্রভাব ফেলে। হ্যাঁ, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ যদি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তবে তা অঞ্চল ছাড়িয়ে ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারে। কিন্তু এই বা অন্য কোনো সংঘাতকে বিশ্বযুদ্ধ বলতে হলে চারটি শর্ত পূরণ করতে হবে। প্রথমত, একটি বিশ্বযুদ্ধে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার সব বা অধিকাংশ মহাশক্তি সরাসরি পরস্পরের মুখোমুখি হয়। দ্বিতীয়ত, যুদ্ধ-সংক্রান্ত সামরিক অভিযান বৈশ্বিক পরিসরে বিস্তৃত হয় বা অন্তত দুই বা ততোধিক মহাদেশে সংঘটিত হয়। তৃতীয়ত, বিশ্বযুদ্ধ হলো সর্বাত্মক যুদ্ধ, সীমিত যুদ্ধ নয়। অর্থাৎ মহাশক্তিগুলো তাদের সামরিক শক্তি ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পদের বিপুল অংশ যুদ্ধে নিয়োজিত করে। চতুর্থত, যুদ্ধের ফলাফল হতে হবে পদ্ধতিগত বা কাঠামোগত প্রভাববাহী, অর্থাৎ মহাশক্তিগুলোর শক্তির ভারসাম্যে স্পষ্ট পরিবর্তন ঘটতে হবে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ স্পষ্টতই এই চারটি মানদণ্ড পূরণ করেছিল। এতে তৎকালীন সব মহাশক্তি জড়িত ছিল, যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়েছিল সব বসবাসযোগ্য মহাদেশে, এটি ছিল সর্বাত্মক যুদ্ধ এবং এর ফলাফল ছিল গভীর পদ্ধতিগত পরিবর্তন। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন সুপারপাওয়ার হিসেবে উঠে আসে, আর ইউরোপের পূর্বতন মহাশক্তিগুলো ধীরে ধীরে তাদের মর্যাদা ও উপনিবেশ হারায়। এ যুদ্ধের ফলেই জাতিসংঘ এবং ব্রেটন উডস প্রতিষ্ঠানগুলোর সৃষ্টি হয়, যা বৈশ্বিক ব্যবস্থাকে সংগঠিত করার এক সম্পূর্ণ নতুন পদ্ধতি।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ মূলত ইউরোপকেন্দ্রিক হলেও শেষ পর্যন্ত তৎকালীন সব মহাশক্তিকে এতে জড়িয়ে ফেলে, যার মধ্যে ক্ষয়িষ্ণু ওসমানী সাম্রাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রও ছিল। যুদ্ধটি বৈশ্বিক রূপ নেয়, আফ্রিকা ও এশিয়া-প্রশান্ত অঞ্চলে ইউরোপীয় উপনিবেশগুলোর কারণে একাধিক ফ্রন্ট তৈরি হয়।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের লড়াই: আঞ্চলিক যুদ্ধ

ইরান ও মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত এখন পর্যন্ত আঞ্চলিক যুদ্ধ। যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততা, জ্বালানির দামে নাটকীয় প্রভাব, আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলে বিঘ্ন এবং ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনে বহু দেশের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া সত্ত্বেও এটি আঞ্চলিকই রয়ে গেছে। এখন পর্যন্ত রাশিয়া ও চীনের মতো সুপারপাওয়ার দেশগুলো সরাসরি যুদ্ধে জড়ায়নি। তবে খবর বেরিয়েছে যে রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক লক্ষ্যবস্তু সম্পর্কে ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে এবং চীন জিপিএসসহ প্রযুক্তিগত সুবিধা দিচ্ছে।

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ নিয়ে বিশ্লেষকদের সতর্কতা

ইরানে স্থল অভিযান পরিচালনা করা আফগানিস্তান বা ইরাকের মতো সহজ হবে না। কারণ দেশটির প্রাকৃতিক অবস্থান বিপৎসংকুল। যার চারপাশে পাহাড়, মরুভূমি ও সাগর দিয়ে পরিবেষ্টিত। এর মধ্যে দেশটিতে স্থল অভিযানে পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা হলে ইরানও দ্রুত পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথে যেতে পারে।

ইউরোশিয়ার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রেসিডেন্ট ইয়ান ব্রিমার বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সামরিকভাবে সফল হলেও ইরান যুদ্ধের রাজনৈতিক ও কৌশলগত পরিণতি ভয়াবহ হতে পারে। যুদ্ধ দীর্ঘ হলে তা আঞ্চলিক সংঘর্ষকে বড় আকারে ছড়িয়ে দিতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিবিদ ও কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক জেফ্রি স্যাকস সতর্ক করে বলেছেন, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র স্থল অভিযান চালালে খুব সহজেই তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধে পরিণত হতে পারে, কারণ ইরানের পেছনে রাশিয়া বা অন্য শক্তির সমর্থন থাকতে পারে।

বাকিংহাম ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ও ব্রিটিশ নিরাপত্তা বিশ্লেষক অ্যান্থনি গ্লিস বলেন, ইরানকে কেন্দ্র করে বড় যুদ্ধ শুরু হলে তা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের সম্ভাব্য ‘ব্লুপ্রিন্ট’ হয়ে উঠতে পারে—বিশেষ করে যদি আঞ্চলিক মিত্র ও আন্তর্জাতিক শক্তিগুলো এতে জড়িয়ে পড়ে।

শেন ওয়ার্নের মৃত্যু নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তাঁর ছেলের

সুন্দরবন নিউজ ২৪ স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:১০ অপরাহ্ণ
শেন ওয়ার্নের মৃত্যু নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তাঁর ছেলের

২০২২ সালের ৪ মার্চ না ফেরার দেশে চলে যান শেন ওয়ার্ন। তবে অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি লেগস্পিনারের মৃত্যুর চার বছর পেরিয়ে গেলেও আলোচনা এখনো শেষ হয়নি। তাঁর মৃত্যু নিয়ে শোনা যাচ্ছে একের পর এক রহস্যময় তথ্য। অজি কিংবদন্তি লেগস্পিনারের ছেলে এবার বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন।

শেন ওয়ার্ন যখন মারা যান, তখন কোভিড-১৯ অতিমারির প্রাদুর্ভাব কিছুটা হলেও ছিল। কোয়ারেন্টিন অবস্থা থেকে বেরোলেও অনেকেই প্রতিষেধক হিসেবে টিকা নিয়েছিলেন। যেটার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা গেছে শিশু ও বৃদ্ধদের। ৫২ বছর বয়সী ওয়ার্নও নিয়েছিলেন টিকা। তাঁর ছেলে জ্যাকসনের দাবি জোর করে টিকা দেওয়াতেই মূলত অজি কিংবদন্তির মৃত্যু ত্বরান্বিত হয়েছিল।

কদিন আগে ‘টু ওয়ার্ল্ডস কোলাইড’ নামক এক পডকাস্টে এসেছিলেন জ্যাকসন। সেখানে তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে ওয়ার্নের মৃত্যুতে করোনা টিকার কোনো প্রভাব ছিল কি না। উত্তরে জ্যাকসন বলেন, ‘আমি নিশ্চিত এখানে টিকা জড়িত ছিল।বাবার যদি আগে কোনো শারীরিক সমস্যা থাকেও টিকার কারণে সেটা প্রকট হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। খবরটা পেয়েই আমার মনে হচ্ছিল কোভিডের টিকার কথা।’

২০২২ সালে থাইল্যান্ডের কোহ সামুইতে হার্ট অ্যাটাক করে মৃত্যুবরণ করেন ওয়ার্ন। মৃত্যুর পর থাই পুলিশ তাঁর ঘর থেকে কিছু ওষুধ সরিয়ে ফেলেছে বলে অভিযোগও উঠেছিল। এমনকি অস্ট্রেলিয়ার প্রয়াত কিংবদন্তির শরীরে উত্তেজক ওষুধও পাওয়া গিয়েছিল। তবে তাঁর ছেলে জ্যাকসন তা অস্বীকার করেছেন।

৮০০ উইকেট নিয়ে টেস্ট ইতিহাসে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী মুত্তিয়া মুরালিধরন। এই তালিকায় লঙ্কান কিংবদন্তির পরই শেন ওয়ার্ন। ১৪৫ টেস্টে নিয়েছেন ৭০৮ উইকেট। ৩৭ বার নিয়েছেন ইনিংসে পাঁচ উইকেট। ম্যাচে ১০ উইকেট নিয়েছেন ১০ বার। ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়ার প্রয়াত কিংবদন্তি লেগস্পিনার পেয়েছেন ২৯৩ উইকেট। আর ২০০৮ আইপিএলে তাঁর নেতৃত্বে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল রাজস্থান রয়্যালস।

কিংবদন্তি উসাইন বোল্টের রেকর্ড ভাঙলেন গাউট

সুন্দরবন নিউজ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৫৪ অপরাহ্ণ
কিংবদন্তি উসাইন বোল্টের রেকর্ড ভাঙলেন গাউট

সিডনির ট্রাকে ঝড় তুললেন ১৮ বছরের এক তরুণ। তার নাম গাউট গাউট। মাত্র ১৯.৬৭ সেকেন্ডে ২০০ মিটার দৌড় শেষ করে জিতে নিলেন জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপের স্বর্ণপদক। সেইসঙ্গে তোলপাড় করেছেন রেকর্ড বুক।

অনূর্ধ্ব-২০ পর্যায়ে নতুন বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন গাউট। ভেঙে দিলেন কিংবদন্তি উসাইন বোল্টের রেকর্ড। ১৮ বছর বয়সে বোল্টের দ্রুততম সময় ছিল ১৯.৯৩ সেকেন্ড। গাউট সময় নিলেন তার চেয়েও কম।

অস্ট্রেলিয়ার অ্যাথলেটিকস ইতিহাসে গাউটই প্রথম। এর আগে কোনো অজি স্প্রিন্টার ২০ সেকেন্ডের নিচে ২০০ মিটার শেষ করতে পারেননি। এমন দুর্দান্ত কীর্তি গড়ার পর গাউট বললেন, ‘আমি এর জন্যই অপেক্ষা করছিলাম।’

কিছুদিন ধরেই গাউটকে উসাইন বোল্টের সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে। তার লম্বা ধাপে পা ফেলা, সোজা হয়ে দৌড়ানো এবং শেষ দিকের বিধ্বংসী গতির কারণে তাকে ‘পরবর্তী বোল্ট’ বলছেন অনেকেই।

গাউটের নজর এখন আসন্ন অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্ব অ্যাথলেটিকস চ্যাম্পিয়নশিপের দিকে। তিনি বলেন, ‘আমি এখনো মাত্র ১৮ বছর বয়সী। আমি অবশ্যই আরও জোরে দৌড়াতে পারি।’

বোল্টের সঙ্গে তুলনা প্রসঙ্গে তিনি বেশ বিনয়ী। তিনি বলেন, ‘দিন শেষে আমি তো আমিই। আমি আমার কাজ করছি। আমার কোনো চাপ নেই। ট্র্যাকে নামলে শুধু ট্র্যাক আর আমার স্পাইক নিয়েই ভাবি।’

সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন কারামুক্ত

সুন্দরবন নিউজ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:২১ অপরাহ্ণ
সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন কারামুক্ত

হত্যাচেষ্টা মামলায় দুপুরে জামিন পাওয়ার পর কারামুক্ত হলেন সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী।

রোববার (১২ এপ্রিল) বিকেলে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত হন তিনি।

কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার কাওয়ালিন নাহার বলেন, কারাগারে জামিননামা পৌঁছানোর পরই যথাযথ প্রক্রিয়া অনুযায়ী একটু আগে তাকে (সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী) রিলিজ করা হয়েছে।

মামলার সূত্রে জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে গত বছরের ১৮ জুলাই রাজধানীর লালবাগ থানাধীন আজিমপুর সরকারি কলোনির ভেতরে অন্যান্য আন্দোলনকারীর সঙ্গে মিছিল করছিলেন মো. আশরাফুল ওরফে ফাহিম নামে এক ব্যক্তি। ঘটনার দিন আসামিদের ছোঁড়া গুলিতে তার বাম চোখ নষ্ট হয়ে যায়। গত ১৭ জুলাই লালবাগ থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেন আশরাফুল।

‘স্বল্প সময়ে ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিষ্পত্তিকরণ সংসদীয় গণতন্ত্রের অনন্য নজির’

এর আগে, তার আইনজীবী এ বি এম হামিদুল মিজবাহ জানিয়েছিলেন, আর কোনো মামলায় আটকাদেশ না থাকায় শিরীন শারমিনের কারামুক্তিতে বাধা নেই।