খুঁজুন
শুক্রবার, ২০শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

১৭ বছরেও মোছেনি সিডরের দাগ, প্রয়োজন টেকসই বেড়িবাঁধ

সুন্দরবন নিউজ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৪, ২:৪৪ পূর্বাহ্ণ
১৭ বছরেও মোছেনি সিডরের দাগ, প্রয়োজন টেকসই বেড়িবাঁধ

আজ ১৫ নভেম্বর। প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় সিডরের আজ ১৭ বছর পূর্ণ হলো। ২০০৭ এদিন বাংলাদেশের উপকূলীয় ৩৫টি জেলায় আঘাত হানে ভয়ানক ঘূর্ণিঝড় সিডর। আঘাতের সময় সিডরের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ২৬০ কিলোমিটার। তবে এ সময় দমকা হাওয়ার বেগ উঠছিল ঘণ্টায় ৩০৫ কিলোমিটার পর্যন্ত। সিডরের প্রভাবে উপকূলে ১৫ থেকে ২০ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসের সৃষ্টি হয়। ল-ভ- করেছিল উপকূল। শতাব্দীর ভয়াবহ ওই ঘূর্ণিঝড়ে প্রাণ হারিয়েছিল সাড়ে ৩ হাজার মানুষ। নিখোঁজ হয়েছিল সহস্রাধিক।
সরকারি হিসেব মতে, পানির স্রোতে ঘরবাড়ি ভেসে গেছে ২০ লাখ। প্রায় ৪০ লাখ একর জমির ফসল বিনষ্ট হয়। মৃত্যু হয়েছে ৪ লাখ ৬৮ হাজার গবাদি পশুর। এর মধ্যে খুলনা বিভাগের বাগেরহাট, খুলনা ও সাতক্ষীরায় মারা গেছে ৭০ হাজার গবাদি পশু।
খুলনার কয়রা উপজেলার দক্ষিণবেদকাশী ইউনিয়নের আংটিহারা গ্রামের মো. মিজানুর রহমান জানান, উপকূলীর সকল রাস্তাঘাট নষ্ট হয়েছে সিডরের সময়। পরে আর সেই বেড়িবাঁধ আগের মতো হয়নি। যার প্রভাবে আজও আমাদের এলাকায় নদী ভাঙন হচ্ছে। লোকালয় প্লাবিত হচ্ছে।
একই এলাকার সালেহা বেগম জানান, আমার ৭৫ বছরের বয়সের মধ্যে সিডরের মতো ঝড় দেখিনি। ঘর গোছানোর সময় দেয়নি। তার আগেই সব শেষ করে দিয়ে গেছে। আমি ঘরের মটকায় বেঁধে বেঁচে আছি। কিন্তু সব শেষ। ওই ঝড়ের পর আর এলাকায় মাটিতে গাছ গাছালি হচ্ছে না। বার বার ওয়াপদা ভেঙে পানি ঢুকছে। ঠেকানো যাচ্ছে না।
তৎকালিনে দক্ষিণবেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কমি শামসুর রহমান জানান, বুঝে ওঠার আগেই সব শেষ হয়ে যায়। আমাদের ইউনিয়নের চারিপাশের বেড়িবাঁধ ভেঙে যায়। কোনটা নদী আর কোনটা লোকালয় তা বোঝা যেত না। সিডর হয়ে গেছে ১৭ বছর হচ্ছে। তবে তার দাগ আজও রয়ে গেছে। আমদের মনেও তার দাগ লেগে রয়েছে। ৭০ এর দশকের পর আর টেকসই বেড়িবাঁধ তৈরি করা হয়নি। যতটুকু ছিল তা তছনছ হয়ে যায় সিডরের সময়। ফলে এখন নতুন করে টেকসই বেঁড়িবাঁধ নির্মান প্রয়োজন।
প্রসঙ্গত, সাতক্ষীরার উপকূলীয় এলাকায় ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড় সিডর, এরপর ২০০৯ সালের ২৫ মে ঘূর্ণিঝড় আইলা, ২০১৩ সালের ১৬ মে মহাসেন, ২০১৫ সালের ৩০ জুলাই কোমেন, ২০১৬ সালের ২১ মে রোয়ানু, ২০১৭ সালের ৩০ মে মোরা, ২০১৯ সালের ৩ মে ফণী, ২০১৯ সালের ৯ নভেম্বর বুলবুল, ২০২০ সালের ২০ মে আম্পান, ২০২১ সালে ২৬ মে ইয়াস, ২০২২ সালের ১২ মে অশনি এবং ২০২৩ সালের ১৪ মে ‘মোখা’ আঘাত হানে। সর্বশেষ সাতক্ষীরা উপকূলে আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড় রিমাল। এটি ২০২৪ সালের ২৬ মে সন্ধ্যা থেকে ২৭ মে সকাল নাগাদ স্থলভাগ অতিক্রম করে।

সূত্র : দৈনিক ইনকিলাব

ইরানের আবেদনে ফিফার না

সুন্দরবন নিউজ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬, ৩:৪৬ অপরাহ্ণ
ইরানের আবেদনে ফিফার না

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সংঘাতে ফিফা বিশ্বকাপ সংক্রান্ত ধূম্রজাল শেষ হচ্ছে না। ইরান তাদের ম্যাচ যুক্তরাষ্ট্র থেকে মেক্সিকোয় সরিয়ে নেওয়ার যে দাবি জানিয়েছিল, তা প্রত্যাখ্যান করেছে বিশ্ব ফুটবল সংস্থা। এ অবস্থায় চির শত্রু যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে ইরান আদৌ খেলতে যাবে তো!

চলমান অনিশ্চয়তার মধ্যে ইরানের ম্যাচ আয়োজনে দুয়ার খুলে দিয়েছে মেক্সিকো। সূচি বদলের সম্ভাবনা ফিফা উড়িয়ে দেওয়ার পর আপাতত সে সম্ভাবনা নেই। কিন্তু এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে বিশ্বকাপের টিকিট পাওয়া ইরানের মৃসণভাবে বিশ্বকাপ খেলার আপাতত কোনো পথও দেখা যাচ্ছে না।

এশিয়ার শক্তিশালী দল ইরান গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো বেলজিয়াম, মিশর ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে লস অ্যাঞ্জেলেস ও সিয়াটলে খেলবে। ম্যাচগুলো মেক্সিকো সিটির আজটেকা, গুয়াদালাহারা বা মন্টেরেতে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টার জবাবে ফিফা দ্রুতই তা প্রত্যাখ্যান করে।

এ প্রসঙ্গে ফিফার এক মুখপাত্র বলেন, ‘ফিফা অংশগ্রহণকারী সব সদস্য দেশের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে, যার মধ্যে ইরানও রয়েছে। ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা চলমান। ফিফা ৬ ডিসেম্বর ২০২৫-এ ঘোষিত ম্যাচ সূচি অনুযায়ী সব দলকে প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে দেখার অপেক্ষায় আছে।’ মেক্সিকো সিটিতে কথা বলতে গিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট ক্লাউদিয়া শেইনবাউম জানান, ইরানের অনুরোধ মানতে তারা প্রস্তুত থাকতে পারেন।

তিনি বলেন, ‘মেক্সিকোর জন্য এতে কোনো সমস্যা নেই, এটি কেবল ফিফার লজিস্টিকসের বিষয়। এটি সম্ভব, কারণ তাদের যুক্তরাষ্ট্রেই যাওয়ার কথা ছিল। যদি তারা মেক্সিকোয় ম্যাচ আয়োজন করতে চায়। বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে এবং যথাসময়ে আমরা জানাব।’

আসর শুরুর মাত্র ১২ সপ্তাহ আগে ১০৪ ম্যাচের সূচি পরিবর্তন হওয়া খুবই অসম্ভব বলে মনে করা হচ্ছে। এত দেরিতে সূচি পরিবর্তন ফিফার জন্য বড় ধরনের লজিস্টিকস দুর্ভোগ তৈরি করবে।

চলতি বছরেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন জানালেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সুন্দরবন নিউজ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ১১:০৭ অপরাহ্ণ
চলতি বছরেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন জানালেন মির্জা  ফখরুল ইসলাম আলমগীর

চলতি বছরেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ ছাড়া চলতি বছরের মধ্যেই বিএনপির সম্মেলনও অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান তিনি।

বুধবার (১৮ মার্চ) রাতে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এমনটি জানান মির্জা ফখরুল। মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রথম মতবিনিময় সভা করলেন তিনি।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে কাজ চলছে। নিঃসন্দেহে এ বছরেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং যত দ্রুত সম্ভব এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

বিএনপির সম্মেলন প্রসঙ্গে দলটির মহাসচিব বলেন, ‘বিএনপির সম্মেলন এ বছরের মধ্যেই। এখনো আমরা সময় নির্ধারণ করিনি। কিন্তু আমার মনে হয়, শিগগিরই হবে কাউন্সিল।’ প্রসঙ্গত, বিএনপির সর্বশেষ সম্মেলন হয় ২০১৬ সালে।

বিএনপির মহাসচিবকে উদ্দেশ করে এক সাংবাদিক বলেন, সরকার গঠনের পর সরকার ও দল ‘এক হয়ে গেছে’। দলের কার্যক্রম কবে নাগাদ শুরু হবে? জবাবে তিনি বলেন, দলের কার্যক্রম তো চলছে, ছোট খাটোভাবে তো চলছে। এক মাসে সরকার গঠন করতে তো সময় লেগেছে। দলের লোক বেশিরভাগই সরকারে চলে গেছেন। সেই জায়গাগুলোতে সময় লাগবে; এটা বিচ্ছিন্ন ব্যাপার না। এটা আলাদা করে দেখা যাবে না। সরকার তার কাজ করবে, দল তার কাজ করবে।

মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের প্রসঙ্গ টেনে মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি যখনই সরকারে আসে, তখনই একটা করে বড় রকমের ঝামেলা আসে; এর আগেও এমনটা দেখা গেছে। এবার এসেছে ইরান যুদ্ধ, এই যুদ্ধের ফলে বিশ্বে তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়ে বড় ধরনের সমস্যা তৈরি হয়েছে। তবে বিএনপি সরকার এখন পর্যন্ত যোগ্যতা ও দক্ষতার সঙ্গে এই বিষয়গুলো মোকাবিলা করেছে। এর ফলে দেশে তেলের দাম এখনো বাড়েনি। এ ছাড়াও এবার গার্মেন্টস্‌ ফ্যাক্টরিগুলোতে বেতন না দেওয়ার যেসব ঝামেলা হয়, সেগুলো হয়নি। কারণ, এসব বিষয়ে এবার আগাম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব বলেন, জুলাই সনদের ব্যাপারে আমরা কিন্তু শতভাগ কমিটেড (প্রতিশ্রুতিবদ্ধ), যেগুলো আমরা সই করেছি। আমি পরিষ্কার করে বলতে চাই, আমরা যেগুলোতে একমত হয়েছি, সেই বিষয়গুলোতে আমরা কমিটেড। সেই কমিটমেন্ট থেকে আমরা এক চুলও নড়ব না। আর যেগুলো আমাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া- এগুলো মেনে নেওয়া তো আমাদের জন্য নিশ্চয়ই সবসময় সম্ভব নাও হতে পারে। তবে সেটা নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি।

সৌদি আরবে ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা

সুন্দরবন নিউজ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ৯:৩১ অপরাহ্ণ
সৌদি আরবে ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা

সৌদি আরবে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। তাই দেশটিতে পবিত্র ঈদুল ফিতর আগামী শুক্রবার (২০ মার্চ) উদ্‌যাপন করা হবে বলে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

খালিজ টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার (১৮ মার্চ) সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। কর্তৃপক্ষ চাঁদ দেখার চেষ্টা করে। কিন্তু তা দেখা যায়নি। ফলে সৌদি আরবে পবিত্র রমজান মাস ৩০ দিনে পূর্ণ হবে। এ হিসেবে বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) হবে রমজানের শেষ দিন। পরদিন শুক্রবার ঈদ পালিত হবে।

ইসলামি বিধান অনুযায়ী, শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ঈদের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। চাঁদ দেখা না গেলে রমজান ৩০ দিন পূর্ণ করা হয়, এরপর ঈদ উদযাপিত হয়।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চাঁদ দেখার তারতম্যের কারণে ঈদের তারিখ ভিন্ন হতে পারে। সাধারণত সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে শুক্রবার ঈদ উদযাপিত হলেও দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশে একদিন পর ঈদ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। স্ব স্ব দেশগুলোতে স্থানীয় চাঁদ দেখার কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঈদের তারিখ ঘোষণা করা হবে।