খুঁজুন
শুক্রবার, ২০শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মারা গেছেন বিশ্বের সবচেয়ে দরিদ্র প্রেসিডেন্ট

সুন্দরবন নিউজ২৪/ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ মে, ২০২৫, ৪:০৬ অপরাহ্ণ
মারা গেছেন বিশ্বের সবচেয়ে দরিদ্র প্রেসিডেন্ট

Oplus_131072

উরুগুয়ের সাবেক প্রেসিডেন্ট হোসে মুহিকা ৮৯ বছর বয়সে মারা গেছে, যিনি ‘পেপে’ নামেও পরিচিত ছিলেন।

২০১০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত উরুগুয়ে শাসন করা এই সাবেক গেরিলা যোদ্ধা “বিশ্বের সবচেয়ে গরিব প্রেসিডেন্ট” হিসেবে পরিচিত ছিলেন। খুবই সাধারণ জীবনযাপনের কারণেই তৈরি হয়েছিল তার এই পরিচিতি।

উরুগুয়ের বর্তমান প্রেসিডেন্ট ইয়ামান্দু ওরসি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স’-এ (সাবেক টুইটার) তার মৃত্যুর খবর জানিয়ে লেখেন- “আপনি আমাদের যা কিছু দিয়েছেন এবং জনগণের প্রতি আপনার গভীর ভালোবাসার জন্য ধন্যবাদ”।

প্রয়াত এই রাজনীতিবিদের মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনো জানা যায় নি। তবে দীর্ঘদিন ধরে তিনি খাদ্যনালীর ক্যান্সারে ভুগছিলেন।

তিনি প্রেসিডেন্ট থাকা অবস্থায় তার জীবনযাপন বা চলাফেরা ছিল খুবই সহজ ও সাধারণ। ভোগবাদ বিরোধী মনোভাব এবং বিভিন্ন সামাজিক সংস্কারের কারণে তার ব্যাপক পরিচিতি তৈরি হয়েছিল।

তার শাসনামলে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে উরুগুয়ে গাঁজা সেবনের বৈধতা দেয়। এছাড়া গর্ভপাতের অধিকার, সমলিঙ্গের বিয়ের স্বীকৃতি দিয়েছিল উরুগুয়ে।

মুহিকা লাতিন আমেরিকা ছাড়িয়ে বিশ্বজুড়ে সুপরিচিত এক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হয়ে উঠেছিলেন।

মাত্র ৩৪ লাখ জনসংখ্যার দেশ উরুগুয়ের একজন রাষ্ট্রপতি, তবুও বিশ্বজুড়ে ছিল তার জনপ্রিয়তা। যদিও তার পরে যারা তার উত্তরাধিকার হিসেবে এসেছিল ওই পদে তারা দেশটিতে নানা বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল।

তাকে দেখলে কেউ মনেই করতে পারতেন না যে তিনি একজন রাজনীতিবিদ। যদিও বাস্তবতা ছিল একেবারেই ভিন্ন।

তিনি বলতেন, রাজনীতি, বই কিংবা কৃষিকাজের প্রতি তার আগ্রহের বিষয়টি তার মায়ের কাছ থেকে পাওয়া। যিনি মন্টেভিডিও শহরের একটি মধ্যবিত্ত পরিবারে তাকে বড় করেছেন।

যুবক বয়সেই তিনি উরুগুয়ের ঐতিহ্যবাহী দল “ন্যাশনাল পার্টির” সদস্য হন। যা পরে তার সরকারের মধ্য ডানপন্থী বিরোধী শক্তি হয়ে ওঠে।

১৯৬০-এর দশকে তিনি তুপামারোস ন্যাশনাল লিবারেশন মুভমেন্ট (এমএলটিএন) প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করেছিলেন। যেটি ছিল একটি বামপন্থী গেরিলা সংগঠন। যারা ছিনতাই, অপহরণ ও বিভিন্ন হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিল। যদিও মুহিকা সবসময়ই বলে এসেছেন তিনি কখনো কাউকে হত্যা করেননি।

কিউবার বিপ্লব ও আন্তর্জাতিক সমাজতন্ত্র দ্বারা প্রভাবিত হয়ে এমএলএন-টি উরুগুয়ের সরকারের বিরুদ্ধে গোপন প্রতিরোধের একটি প্রচারণা শুরু করে। যদিও তখন উরুগুয়ের সরকার ছিল সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক। তবে বামপন্থীরা সেটিকে ক্রমাগত কর্তৃত্ববাদী বলে অভিযুক্ত করে আসছিল।

এই সময়ের মধ্যে মুহিকা চারবার ধরা পড়ে কারাবন্দি হন। ১৯৭০ সালে তাকে ছয়বার গুলিও করা হয়েছিল। তিনি বেঁচে ফিরেছিলেন মৃত্যুর মুখ থেকে।

তিনি দুইবার কারাগার থেকে পালিয়েছিলেন। একবার ১০৫ জন সহযোগীকে নিয়ে একটি সুড়ঙ্গ দিয়ে পালিয়ে ছিলেন। যা ছিল উরুগুয়ের ইতিহাসে অন্যতম বড় জেল পালানোর ঘটনা।

১৯৭৩ সালে সামরিক বাহিনী উরুগুয়ের ক্ষমতা দখল করলে, তারা মুহিকাসহ ৯ জন বন্দিকে “জিম্মি” করে গেরিলা হামলা বন্ধের কৌশল হিসেবে ব্যবহার করেছিল।

১৯৭০ ও ১৯৮০ এর দশকে তিনি ১৪ বছরেরও বেশি সময় কারাবন্দি ছিলেন। তাকে নির্যাতন করা হয় এবং নিভৃত সেলে রাখা হয়। ১৯৮৫ সালে দেশে গণতন্ত্র ফিরলে তিনি মুক্তি পান।

তিনি বলতেন, কারাগারে তিনি পাগলামির স্বাদ পেয়েছেন। বিভ্রমে ভুগতেন এবং এমনকি তিনি কথা বলতেন পিঁপড়ার সাথেও।

নিজের সম্পর্কে তিনি বলেছিলেন, যেদিন তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছিলেন সেই দিনটি ছিল তার কাছে সবচেয়ে আনন্দের দিন। সেই দিনটি তার কাছে এতটাই আনন্দের দিন ছিল যে সেটি রাষ্ট্রপতি হওয়ার দিনের চেয়েও আনন্দের ছিল।

গেরিলা থেকে প্রেসিডেন্ট
মুক্তির কয়েক বছর পর, তিনি দেশের নিম্নকক্ষ, প্রতিনিধি পরিষদ এবং উচ্চকক্ষে সিনেটে আইনপ্রণেতা হিসেবে নির্বাচিত হন।

২০০৫ সালে তিনি উরুগুয়ের বামপন্থী জোট ‘ফ্রেন্তে অ্যাম্পলিও’ সরকারের মন্ত্রী হন। ২০১০ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

তিনি যখন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন তখন তার বয়স ছিল ৭৪ বছর। তবে বিশ্বের কাছে তার খুব একটা পরিচিতি ছিল না।

তিনি নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে লাতিন আমেরিকার বামপন্থী জোটে তিনি এক গুরুত্বপূর্ণ নেতা হয়ে ওঠেন। তার পরিচিতি তখন তৈরি হয়েছিল ব্রাজিলের লুলা দা সিলভা এবং ভেনেজুয়েলার হুগো শাভেজের মতোই।

তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলেন, তিনি নিজের মতো করেই দেশ পরিচালনা করেছেন। এটি করতে গিয়ে তিনি নিতেন সাহসী ও বাস্তববাদী নানা সিদ্ধান্ত।

তাঁর শাসনামলে উরুগুয়ের অর্থনীতি বার্ষিক গড়ে পাঁচ দশমিক চার শতাংশ হারে বেড়ে দাড়িয়েছিল। কমেছিল বেকারত্বের হার।

এই সময়ে উরুগুয়ে বেশ কিছু সামাজিক আইন পাস করে বিশ্বজুড়ে নজর কাড়েন মুহিকা। যেগুলোর মধ্যে গর্ভপাত বৈধকরণ, সমলিঙ্গ বিবাহ স্বীকৃতি এবং গাঁজা বাজার নিয়ন্ত্রণ।

মুহিকা প্রেসিডেন্ট থাকা অবস্থায় রাষ্ট্রপতির জন্য বরাদ্দ রাজপ্রাসাদে না গিয়ে শহরের বাইরে নিজের সাধারণ বাড়িতে স্ত্রী লুসিয়া টোপোলানস্কির সঙ্গে থাকতেন।

তার স্ত্রী নিজেও ছিলেন একজন রাজনীতিক ও সাবেক গেরিলা। তাদের কোনো গৃহকর্মী বা নিরাপত্তা বাহিনীও ছিল না।

মুহিকা খুবই সাধারণ পোশাক পরতেন। ১৯৮৭ সালের একটি হালকা নীল রঙের ভক্সওয়াগেন গাড়ি চালাতেন এবং নিজের বেতনের বেশিরভাগই দান করে দিতেন। সাদামাটা জীবন যাপনসহ এসব কারণে সংবাদ মাধ্যমগুলো তাকে “বিশ্বের সবচেয়ে গরিব প্রেসিডেন্ট” হিসেবে আখ্যা দিয়েছিল।

ইরানের আবেদনে ফিফার না

সুন্দরবন নিউজ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬, ৩:৪৬ অপরাহ্ণ
ইরানের আবেদনে ফিফার না

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সংঘাতে ফিফা বিশ্বকাপ সংক্রান্ত ধূম্রজাল শেষ হচ্ছে না। ইরান তাদের ম্যাচ যুক্তরাষ্ট্র থেকে মেক্সিকোয় সরিয়ে নেওয়ার যে দাবি জানিয়েছিল, তা প্রত্যাখ্যান করেছে বিশ্ব ফুটবল সংস্থা। এ অবস্থায় চির শত্রু যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে ইরান আদৌ খেলতে যাবে তো!

চলমান অনিশ্চয়তার মধ্যে ইরানের ম্যাচ আয়োজনে দুয়ার খুলে দিয়েছে মেক্সিকো। সূচি বদলের সম্ভাবনা ফিফা উড়িয়ে দেওয়ার পর আপাতত সে সম্ভাবনা নেই। কিন্তু এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে বিশ্বকাপের টিকিট পাওয়া ইরানের মৃসণভাবে বিশ্বকাপ খেলার আপাতত কোনো পথও দেখা যাচ্ছে না।

এশিয়ার শক্তিশালী দল ইরান গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো বেলজিয়াম, মিশর ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে লস অ্যাঞ্জেলেস ও সিয়াটলে খেলবে। ম্যাচগুলো মেক্সিকো সিটির আজটেকা, গুয়াদালাহারা বা মন্টেরেতে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টার জবাবে ফিফা দ্রুতই তা প্রত্যাখ্যান করে।

এ প্রসঙ্গে ফিফার এক মুখপাত্র বলেন, ‘ফিফা অংশগ্রহণকারী সব সদস্য দেশের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে, যার মধ্যে ইরানও রয়েছে। ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা চলমান। ফিফা ৬ ডিসেম্বর ২০২৫-এ ঘোষিত ম্যাচ সূচি অনুযায়ী সব দলকে প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে দেখার অপেক্ষায় আছে।’ মেক্সিকো সিটিতে কথা বলতে গিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট ক্লাউদিয়া শেইনবাউম জানান, ইরানের অনুরোধ মানতে তারা প্রস্তুত থাকতে পারেন।

তিনি বলেন, ‘মেক্সিকোর জন্য এতে কোনো সমস্যা নেই, এটি কেবল ফিফার লজিস্টিকসের বিষয়। এটি সম্ভব, কারণ তাদের যুক্তরাষ্ট্রেই যাওয়ার কথা ছিল। যদি তারা মেক্সিকোয় ম্যাচ আয়োজন করতে চায়। বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে এবং যথাসময়ে আমরা জানাব।’

আসর শুরুর মাত্র ১২ সপ্তাহ আগে ১০৪ ম্যাচের সূচি পরিবর্তন হওয়া খুবই অসম্ভব বলে মনে করা হচ্ছে। এত দেরিতে সূচি পরিবর্তন ফিফার জন্য বড় ধরনের লজিস্টিকস দুর্ভোগ তৈরি করবে।

চলতি বছরেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন জানালেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সুন্দরবন নিউজ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ১১:০৭ অপরাহ্ণ
চলতি বছরেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন জানালেন মির্জা  ফখরুল ইসলাম আলমগীর

চলতি বছরেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ ছাড়া চলতি বছরের মধ্যেই বিএনপির সম্মেলনও অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান তিনি।

বুধবার (১৮ মার্চ) রাতে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এমনটি জানান মির্জা ফখরুল। মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রথম মতবিনিময় সভা করলেন তিনি।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে কাজ চলছে। নিঃসন্দেহে এ বছরেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং যত দ্রুত সম্ভব এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

বিএনপির সম্মেলন প্রসঙ্গে দলটির মহাসচিব বলেন, ‘বিএনপির সম্মেলন এ বছরের মধ্যেই। এখনো আমরা সময় নির্ধারণ করিনি। কিন্তু আমার মনে হয়, শিগগিরই হবে কাউন্সিল।’ প্রসঙ্গত, বিএনপির সর্বশেষ সম্মেলন হয় ২০১৬ সালে।

বিএনপির মহাসচিবকে উদ্দেশ করে এক সাংবাদিক বলেন, সরকার গঠনের পর সরকার ও দল ‘এক হয়ে গেছে’। দলের কার্যক্রম কবে নাগাদ শুরু হবে? জবাবে তিনি বলেন, দলের কার্যক্রম তো চলছে, ছোট খাটোভাবে তো চলছে। এক মাসে সরকার গঠন করতে তো সময় লেগেছে। দলের লোক বেশিরভাগই সরকারে চলে গেছেন। সেই জায়গাগুলোতে সময় লাগবে; এটা বিচ্ছিন্ন ব্যাপার না। এটা আলাদা করে দেখা যাবে না। সরকার তার কাজ করবে, দল তার কাজ করবে।

মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের প্রসঙ্গ টেনে মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি যখনই সরকারে আসে, তখনই একটা করে বড় রকমের ঝামেলা আসে; এর আগেও এমনটা দেখা গেছে। এবার এসেছে ইরান যুদ্ধ, এই যুদ্ধের ফলে বিশ্বে তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়ে বড় ধরনের সমস্যা তৈরি হয়েছে। তবে বিএনপি সরকার এখন পর্যন্ত যোগ্যতা ও দক্ষতার সঙ্গে এই বিষয়গুলো মোকাবিলা করেছে। এর ফলে দেশে তেলের দাম এখনো বাড়েনি। এ ছাড়াও এবার গার্মেন্টস্‌ ফ্যাক্টরিগুলোতে বেতন না দেওয়ার যেসব ঝামেলা হয়, সেগুলো হয়নি। কারণ, এসব বিষয়ে এবার আগাম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব বলেন, জুলাই সনদের ব্যাপারে আমরা কিন্তু শতভাগ কমিটেড (প্রতিশ্রুতিবদ্ধ), যেগুলো আমরা সই করেছি। আমি পরিষ্কার করে বলতে চাই, আমরা যেগুলোতে একমত হয়েছি, সেই বিষয়গুলোতে আমরা কমিটেড। সেই কমিটমেন্ট থেকে আমরা এক চুলও নড়ব না। আর যেগুলো আমাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া- এগুলো মেনে নেওয়া তো আমাদের জন্য নিশ্চয়ই সবসময় সম্ভব নাও হতে পারে। তবে সেটা নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি।

সৌদি আরবে ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা

সুন্দরবন নিউজ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ৯:৩১ অপরাহ্ণ
সৌদি আরবে ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা

সৌদি আরবে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। তাই দেশটিতে পবিত্র ঈদুল ফিতর আগামী শুক্রবার (২০ মার্চ) উদ্‌যাপন করা হবে বলে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

খালিজ টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার (১৮ মার্চ) সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। কর্তৃপক্ষ চাঁদ দেখার চেষ্টা করে। কিন্তু তা দেখা যায়নি। ফলে সৌদি আরবে পবিত্র রমজান মাস ৩০ দিনে পূর্ণ হবে। এ হিসেবে বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) হবে রমজানের শেষ দিন। পরদিন শুক্রবার ঈদ পালিত হবে।

ইসলামি বিধান অনুযায়ী, শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ঈদের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। চাঁদ দেখা না গেলে রমজান ৩০ দিন পূর্ণ করা হয়, এরপর ঈদ উদযাপিত হয়।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চাঁদ দেখার তারতম্যের কারণে ঈদের তারিখ ভিন্ন হতে পারে। সাধারণত সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে শুক্রবার ঈদ উদযাপিত হলেও দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশে একদিন পর ঈদ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। স্ব স্ব দেশগুলোতে স্থানীয় চাঁদ দেখার কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঈদের তারিখ ঘোষণা করা হবে।