সাতক্ষীরা-৪ আসনে বিএনপিতে একাধিক প্রার্থী , আসন পুনরুদ্ধারে ঐক্যবদ্ধ জামায়াত
নির্বাচন কমিশন ঘোষিত সংসদীয় আসনের চূড়ান্ত সীমানা অনুযায়ী শ্যামনগর আসনটি পূর্বের রূপে ফিরেছে সাতক্ষীরা-৪ আসন (শ্যামনগর, তৎকালীন সাতক্ষীরা-৫)। এতে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে যেমন উচ্ছ্বাস সৃষ্টি হয়েছে তেমনি কালিগঞ্জ (আংশিক) ৮ ইউনিয়ন কেটে যাওয়ার অনেকের জন্য হতাশার সৃষ্টি হয়েছে।
ইতিমধ্যেই বিভিন্ন দলের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা মাঠে নেমে প্রচার-প্রচারণার পাশাপাশি নিজেদের দলীয় শক্তি বৃদ্ধির কাজে লেগে পড়েছেন।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য মতে, ১৯৮৪ সালে সাতক্ষীরা জেলা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত সাতক্ষীরা জেলায় পাঁচটি সংসদীয় আসন ছিল। এক্ষেত্রে জেলার শ্যামনগর উপজেলা নিয়ে ছিল সাতক্ষীরা-৫ আসন। ২০০৮ সালে সাতক্ষীরা জেলা থেকে একটি আসন কমিয়ে চারটি আসন করা হয়। যেখানে শ্যামনগরের সাথে কালিগঞ্জের আটটি ইউনিয়ন নিয়ে গঠন করা হয় সাতক্ষীরা-৪ আসন। এভাবেই চলেছে ২০২৪ সালের সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত। সম্প্রতি আবার সাতক্ষীরার চারটি সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে। যেখানে শুধুমাত্র শ্যামনগর উপজেলা নিয়ে গঠন করা হয়েছে সাতক্ষীরা-৪ আসন।
তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে, শ্যামনগর উপজেলা নিয়ে গঠিত সাতক্ষীরা-৪ আসনের ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৯৫ হাজার ৫৩৬। এ আসনে বিএনপি’র ৬ জন হেভিওয়েট প্রার্থী মাঠে রয়েছেন। মনোনয়ন দৌড়ে আছেন কয়েকজন তরুণ নেতাও। বিপরীতে একক প্রার্থী নিয়ে খোঁশমেজাজে রয়েছে জামায়াত। মাঠে রয়েছে ইসলামী আন্দোলনের একজন সম্ভাব্য প্রার্থী। তবে, মাঠে দেখা যাচ্ছে না সদ্যগঠিত দল এনসিপির কোনো নেতাকর্মীকে।
তথ্য বিশ্লেষণে জানা গেছে, ১৯৮৪ সালে জেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় সাতক্ষীরা। এরপর ১৯৮৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসন (শ্যামনগর, তৎকালীন সাতক্ষীরা-৫) থেকে জাতীয় পার্টির শেখ আবুল হোসেন, ১৯৮৮ সালে জাতীয় পার্টির শেখ আবুল হোসেন, ১৯৯১ সালে জামায়াতের গাজী নজরুল ইসলাম, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগের একে ফজলুল হক, ২০০১ সালে জামায়াতের গাজী নজরুল ইসলাম এবং ২০০৮ সালে তৎকালীন সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর-কালিগঞ্জের একাংশ) আসন থেকে জাতীয় পার্টির এইচএম গোলাম রেজা, ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগের জগলুল হায়দার, ২০১৮ সালে আওয়ামী লীগের জগলুল হায়দার ও ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগের আতাউল হক দোলন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
বর্তমানে মাঠে নেই কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া আওয়ামী লীগ। চোখে পড়ছে না জাতীয় পার্টির কোনো কার্যক্রমও। এই সুযোগে আসনটি পুনরুদ্ধার করতে চায় জামায়াত। অপরদিকে, সাতক্ষীরা জেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর আসনটিতে একবারও জিততে না পারা বিএনপিও চায় প্রথমবারের মতো জিতে আসনটি তারেক রহমানকে উপহার দিতে।
শ্যামনগরের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মী ও সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে জানা গেছে, কেন্দ্রওয়ারী কমিটি গঠন, পোলিং এজেন্টদের প্রশিক্ষণ, প্রচারণা ও গণসংযোগের মধ্যদিয়ে সাতক্ষীরা-৪ আসনে জামায়াত মনোনীত একক প্রার্থী ও সাবেক এমপি গাজী নজরুল ইসলামের নির্বাচনী প্রস্তুতি জোরদার করেছে দলটি।
একইভাবে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশায় তৃণমূলে গণসংযোগের পাশাপাশি দলকে সুসংগঠিত করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ড. মনিরুজ্জামান মনির, শ্যামনগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও জেলা বিএনপির সদস্য মাস্টার আব্দুল ওয়াহেদ এবং শ্যামনগর উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও জেলা বিএনপির সদস্য আশেক এলাহি মুন্না। এ তালিকায় আরও রয়েছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও তৎকালীন সাতক্ষীরা-৪ (কালিগঞ্জ-দেবহাটা) আসনের সাবেক এমপি কাজী আলাউদ্দিন ও জেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক অ্যাডভোকেট সৈয়দ ইফতেখার আলী,কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আব্দুস সালাম খান তবে সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ কাজী আলাউদ্দিন ও সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক এডভোকেট সৈয়দ ইফতেখার আলী পড়েছেন আসনের সীমানা পুনর্বিন্যাসজনিত জটিলতায়। আর বাকী প্রার্থীরা শ্যামনগরে অবস্থানগত কারণে সুবিধাজনক স্থানে থাকলেও দলের আভ্যন্তরীণ কোন্দল নিরসন করতে না পারলে সাতক্ষীরা-৪ আসনে জয় অর্জন করা অসাধ্য হয়ে পড়বে বিএনপির জন্য।
যদিও দলটির নেতাকর্মীরা বলছেন, উপজেলা বিএনপির কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া চলমান। কমিটি গঠনের কার্যক্রম শেষ হলে নেতা-কর্মীদের মধ্যে কোনো কোন্দল থাকবে না।
এ আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর-কালিগঞ্জের একাংশ) আসনের সাবেক এমপি এইচএম গোলাম রেজাও।
জামায়াত-বিএনপির বাইরে নির্বাচনী এলাকায় প্রচারণা চালাতে দেখা গেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী মোস্তফা আল মামুন (হাজী মনির) কে।
সবমিলিয়ে এ আসনে মূল লড়াইটা হবে জামায়াত ও বিএনপি’র মধ্যে। তবে জাতীয় পার্টি নির্বাচনে আসলে বদলে যেতে পারে সমীকরণ।
নির্বাচনী প্রস্তুতি প্রসঙ্গে শ্যামনগর উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আব্দুর রহমান বলেন, সাতক্ষীরা-৪ আসনে জামায়াতের প্রার্থী সাবেক এমপি গাজী নজরুল ইসলাম। আমরা প্রতিপক্ষকে দুর্বল না ভেবে সংসদীয় আসনের প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছি। তাদেরকে আমাদের প্রতিশ্রুতিগুলো জানাচ্ছি। আমরা আশা করছি আমরা বিপুল ভোটে জয়লাভ করবো।
দলীয় মনোনয়ন ও দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ড. মনিরুজ্জামান মনির বলেন,চলতি বছরের ফেব্রুয়ারীর শেষ সপ্তাহে আমি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে লন্ডনে দেখা করি। তিনি আমাকে তৃণমূলে গণসংযোগ বৃদ্ধি, দলকে সুসংগঠিত করা, জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধির নির্দেশ দেন এবং প্রস্তুতি নিতে বলেন। আমি সে অনুযায়ী নিরলস কাজ করছি।শ্যামনগরের প্রতিটি এলাকায় ভোটারদের মন জয় করার চেষ্টা চালাচ্ছি।
দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আসলে সম্ভাব্য প্রার্থী যারা থাকে, তাদেরকে কেন্দ্র করে একটি বলয় গড়ে ওঠে। এটা মনোনয়ন কেন্দ্রিক। দল যখন চূড়ান্ত মনোনয়ন দেবে, এই দূরত্ব কমে আসবে। ইতোমধ্যে দূরত্ব কমে আসতে শুরু করেছে। যাকেই মনোনয়ন দিক না কেন আমাদের সবারই লক্ষ্য ধানের শীষকে জয়যুক্ত করা।
শ্যামনগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও জেলা বিএনপির সদস্য আলহাজ্ব মাস্টার আব্দুল ওয়াহেদ বলেন,বিএনপির জন্মলগ্নের পর থেকে আমি দলের সাথে আছি। দীর্ঘদিন শ্যামনগরে নেতৃত্ব দিচ্ছি। উপজেলার তৃণমূল পর্যায়ে দলকে সংগঠিত করেছি। আগে আমাদের শ্যামনগরে বিএনপিতে কোনো গ্রুপিং ছিল না। এই গ্রুপিংটা মূলত সাতক্ষীরা কেন্দ্রিক। তবে, আমি মনোনয়ন পেলে কোনো গ্রুপিং থাকবে না।
তিনি আরও বলেন, আমি নকিপুর হরিচরণ পাইলট হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক ছিলাম,নকিপুর বালিকা বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছি, শ্যামনগর সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলাম, উপজেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি ছিলাম, শ্যামনগর প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠা কালীন সাধারণ সম্পাদক ছিলাম, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ছিলাম। শ্যামনগরের অধিকাংশ পরিবারে আমার হাতে গড়া ছাত্র-ছাত্রী আছে।এই বিশাল পরিবারের মানুষের হৃদয়ে আমি মিশে আছি। তাছাড়া আমার জ্যেষ্ঠ পুত্র এডভোকেট মাসুদুল আলম দোহা সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী ফোরাম এর আহবায়ক কমিটির সদস্য ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন উপদেষ্টা, সাবেক ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি বিএনপি’র চরম দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের পাশে থেকে তাদেরকে আইনগত সহযোগিতা সহ বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছে।
এজন্য মনোনয়ন প্রাপ্তির ব্যাপারে আমি যথেষ্ট আশাবাদী।
শ্যামনগর উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও জেলা বিএনপির সদস্য আশেক এলাহি মুন্না বলেন, আমরা সাতক্ষীরা-৪ আসনটি তারেক রহমানকে উপহার দিতে চাই। এজন্য তৃণমূলে দলকে সুসংগঠিত করা হচ্ছে। ৩১ দফা ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। আগামী নির্বাচনে আমি দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী।এলাকার মানুষের কল্যাণে আমি একটি টেকনিক্যাল কলেজ,একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়,প্রাথমিক বিদ্যালয়,মাদ্রাসা সহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও গ্রামীণ জনপদের যোগাযোগ ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়েছি।
দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমানে শ্যামনগরে উপজেলা কমিটি গঠনের কার্যক্রম চলমান। কমিটি হয়ে গেলে এই কোন্দল আর থাকবে না। এছাড়া আমরা বসেও সিদ্ধান্ত নিয়েছি দল যাকে মনোনয়ন দেবে, আমরা তাকে জয়যুক্ত করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবো।
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও তৎকালীন সাতক্ষীরা-৪ (কালিগঞ্জ-দেবহাটা) আসনের সাবেক এমপি কাজী আলাউদ্দিন বলেন, আমি এক সময় কালিগঞ্জ-দেবহাটা আসনের এমপি ছিলাম।সে সময় কালীগঞ্জ এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন করেছি। এখন নির্বাচন কমিশন ঘোষিত সংসদীয় আসনের চূড়ান্ত সীমানা অনুযায়ী দেবহাটা পড়েছে সাতক্ষীরা-২ আসনের (সাতক্ষীরা সদর ও দেবহাটা) মধ্যে, আর কালিগঞ্জ পড়েছে সাতক্ষীরা-৩ আসনের (কালিগঞ্জ-আশাশুনি) মধ্যে। আমি বিগত ১৫ বছর কাজ করেছি শ্যামনগর ও কালিগঞ্জে। এখনো শ্যামনগর ও কালিগঞ্জেই কাজ করছি, প্রতিদিন দুই উপজেলাতেই একাধিক প্রোগ্রামে অংশ নিচ্ছি। দুটি আসনের নেতাকর্মীরাই আমাকে চাচ্ছে, তারা বলছে আমাদের ছেড়ে যেয়েন না। এমন পরিস্থিতিতে আমি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য দলীয় হাই কমান্ডের সিগন্যালের অপেক্ষায় আছি।
জেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক অ্যাডভোকেট সৈয়দ ইফতেখার আলী জানান, তিনি সাতক্ষীরা-২ ও সাতক্ষীরা-৪ আসনকে সামনে রেখে এগুচ্ছেন। কেন্দ্রের সিগন্যাল পেলে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করবেন।তিনি বলেন,শ্যামনগরের হিন্দু এবং মুসলিম উভয়ের সম্প্রদায়ের মধ্যে তার গ্রহণযোগ্যতা আছে।তিনি মনোনয়ন পেলে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোট ব্যাংকে ভাগ বসাতে পারবেন।
বিএনপি থেকে অপর মনোনয়ন প্রত্যাশী এ্যাড. মো: আব্দুস সালাম বলেন, আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক । সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটি। সাবেক সহ সভাপতি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা ৪ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বি এন পির প্রাথমিক মনোনীত প্রার্থী। এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা -৪(শ্যামনগর) আসনে বি এন পির মনোনয়ন প্রত্যাশী।
তিনি আরো বলেন, বিগত হাসিনা সরকারের সময় দীর্ঘদিন কারা নির্যাতন ভোগ। রাজপথে স্বৈরাচার হাসিনা বিরোধী প্রত্যেকটি প্রোগ্রামে নিজের জীবন বাজী রেখে অংশগ্রহন করা। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে এবং আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় নেতা হিসেবে বহু নির্যাতিত নেতা কর্মীদের জন্য আইনী লড়াই করে তাদের মুক্ত করেছি। রাজপথে এবং সুপ্রিম কোর্টে দলের পক্ষে সকল সময় আন্দোলন ভূমিকা পালন করেছি। সর্বোপরি আওয়ামীলীগের কঠিন সময়ে সকল সময় এলাকায় এসে তৃনমুল নেতাকর্মীদের সংগঠিত করার জন্য কাজ করেছি।
নির্বাচনে অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে সাবেক এমপি এইচএম গোলাম রেজা বলেন, আগামী নির্বাচনে অংশ নেব। আমি শ্যামনগর কালিগঞ্জের মানুষের সাথে সবসময় ছিলাম, থাকবো।

আপনার মতামত লিখুন