খুঁজুন
বুধবার, ১৫ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মধ্যপ্রাচ্য কি নতুন যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে?

সুন্দরবন নিউজ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৫ অপরাহ্ণ
মধ্যপ্রাচ্য কি নতুন যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে?

মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতি ঐতিহাসিকভাবেই একটি ‘পাউডার কেগ’ বা বারুদের স্তূপের ওপর দণ্ডায়মান।
মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতি ঐতিহাসিকভাবেই একটি ‘পাউডার কেগ’ বা বারুদের স্তূপের ওপর দণ্ডায়মান, যেখানে সামান্যতম কৌশলগত বিচ্যুতিও দীর্ঘমেয়াদী আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতার সূত্রপাত ঘটাতে সক্ষম। তবে সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপটে ইরানকে লক্ষ্য করে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে জারি করা ‘১০ দিনের আল্টিমেটাম’ কেবল আঞ্চলিক উত্তেজনার পারদকেই ঊর্ধ্বমুখী করেনি, বরং তা সমকালীন বৈশ্বিক নিরাপত্তা কাঠামোর ওপর এক গুরুতর অশনিসংকেত হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকদের নিকট এটি এখন গভীর পর্যালোচনার বিষয়—এই চরম সময়সীমা নির্ধারণ কি কেবলই জবরদস্তিমূলক কূটনীতির একটি কৌশলগত প্রক্ষেপণ, নাকি এটি সুপরিকল্পিত কোনো পূর্ণমাত্রার সামরিক মহাপ্রলয়ের সোপান?

আন্তর্জাতিক রাজনীতির অভিধানে ‘আল্টিমেটাম’ শব্দটি একটি চূড়ান্ত এবং অনমনীয় সতর্কবার্তা হিসেবে বিবেচিত। যখন যুক্তরাষ্ট্রের মতো একটি বৈশ্বিক সামরিক ও অর্থনৈতিক পরাশক্তি কোনো সার্বভৌম রাষ্ট্রের ওপর নির্দিষ্ট সময়সীমা আরোপ করে, তখন ভূ-রাজনৈতিক মানদণ্ডে এটি প্রতীয়মান হয় যে, প্রচলিত কূটনৈতিক পথগুলো প্রায় রুদ্ধ হয়ে এসেছে। তবে ইতিহাসের নির্মোহ বিশ্লেষণে দেখা যায়, এ ধরনের চরম সময়সীমা অনেক ক্ষেত্রে সরাসরি যুদ্ধের সূচনা না হয়ে বরং ‘সাইকোলজিকাল ওয়ারফেয়ার’ বা মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধের একটি অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়—যার লক্ষ্য প্রতিপক্ষকে চাপের মুখে নতিস্বীকারে বাধ্য করা।

ইরানের জন্য এ জাতীয় বহিঃশক্তির চাপ কিংবা বৈরী আচরণ নতুন কোনো অভিজ্ঞতা নয়। কয়েক দশক ধরে কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা এবং আন্তর্জাতিক বিচ্ছিন্নতার বিরুদ্ধে লড়াই করেই তেহরান তার অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতির সমীকরণ অত্যন্ত জটিল ও সংবেদনশীল। একদিকে নিবিড় পারমাণবিক কর্মসূচি, অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যের ভূখণ্ডে বিস্তৃত আঞ্চলিক প্রক্সি রাজনীতির প্রভাব—সব মিলিয়ে উত্তেজনার পারদ এখন এমন এক চরম বিন্দুতে অবস্থান করছে, যেখানে সামান্য একটি কৌশলগত ভুল বা অনাকাঙ্ক্ষিত ‘স্ফুলিঙ্গ’ সমগ্র অঞ্চলে এক অনিয়ন্ত্রিত দাবানল সৃষ্টি করতে পারে।

প্রথাগত যুদ্ধ বনাম আধুনিক যুদ্ধের বহুমাত্রিক রূপরেখা

যদি প্রশ্ন করা হয়—বিশ্ব কি নতুন কোনো মহাযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে? তবে এর উত্তর বর্তমানের পরিবর্তিত রণকৌশলের প্রেক্ষাপটে খুঁজতে হবে। আধুনিক রণক্ষেত্রে বিজয় এখন আর কেবল ‘ট্যাংক আর মিসাইলের’ সরাসরি সংঘর্ষের ওপর নির্ভর করে না। বর্তমান বিশ্ব ‘হাইব্রিড ওয়ারফেয়ার’ বা বহুমুখী যুদ্ধের এক জটিল আবর্তে প্রবেশ করেছে, যেখানে যুদ্ধের ময়দান ভৌগোলিক সীমানা ছাড়িয়ে ডিজিটাল ও অর্থনৈতিক বলয়ে বিস্তৃত।

এই আধুনিক যুদ্ধের প্রধান স্তম্ভগুলো হলো:

সাইবার ডোমেইন: কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ডিজিটাল আক্রমণের মাধ্যমে পঙ্গু করে দেওয়া।

ইকোনমিক স্টেটক্রাফট: কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে একটি রাষ্ট্রের আর্থিক মেরুদণ্ড ও সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে দেওয়া।

ইনফরমেশন ওয়ারফেয়ার ও প্রক্সি কনফ্লিক্ট: তথ্যের বিকৃতি ঘটিয়ে জনমতকে প্রভাবিত করা এবং সরাসরি যুদ্ধে না জড়িয়ে মিত্রগোষ্ঠীর মাধ্যমে পরোক্ষ লড়াই চালিয়ে যাওয়া।

যুক্তরাষ্ট্রের এই ১০ দিনের আল্টিমেটাম যদি সরাসরি সামরিক অভিযানে রূপ না-ও নেয়, তবে এটি ইরানকে অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগতভাবে ‘আইসোলেটেড’ বা বিচ্ছিন্ন করার একটি চূড়ান্ত ধাপ হতে পারে।

পারমাণবিক সংঘাতের আশঙ্কা: একটি তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ

এই উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে একটি বড় প্রশ্ন হলো—পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের কোনো আশংকা আছে কি না? আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ‘ডিটারেন্স থিওরি’ বা নিবৃত্তিকরণ তত্ত্ব অনুযায়ী, পারমাণবিক অস্ত্র মূলত যুদ্ধ করার জন্য নয়, বরং যুদ্ধ ঠেকানোর একটি মনস্তাত্ত্বিক ঢাল হিসেবে কাজ করে।

মিউচুয়ালি অ্যাসিওরড ডেসট্রাকশন: তাত্ত্বিকভাবে, কোনো পক্ষই আগে পারমাণবিক হামলা চালাতে চাইবে না, কারণ তার প্রতিক্রিয়ায় নিজের ধ্বংসও অনিবার্য। তবে ইরানের ক্ষেত্রে শঙ্কাটা অন্য জায়গায়। যদি ইরান এই ১০ দিনের চাপে পিষ্ট হয়ে তাদের পারমাণবিক সক্ষমতাকে ‘ব্রেকআউট টাইম’ (পারমাণবিক বোমা তৈরির চূড়ান্ত পর্যায়) পর্যন্ত নিয়ে যায়, তবে ইসরাইল বা যুক্তরাষ্ট্র ‘প্রি-এমপ্টিভ স্ট্রাইক’ বা আগাম হামলা চালাতে পারে।

ট্যাকটিক্যাল বনাম স্ট্র্যাটেজিক উইপন: পূর্ণমাত্রার পারমাণবিক যুদ্ধের চেয়েও ভয়ের কারণ হলো ‘ট্যাকটিক্যাল নিউক্লিয়ার উইপন’ বা স্বল্পপাল্লার পারমাণবিক অস্ত্রের সীমিত ব্যবহার। যদি প্রথাগত যুদ্ধে কোনো পক্ষ অস্তিত্ব সংকটে পড়ে, তবে তারা যুদ্ধের মোড় ঘুরাতে এ ধরনের ক্ষুদ্র পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের পথে হাঁটতে পারে, যা আন্তর্জাতিক রাজনীতির ভাষায় কৌশল হিসেবে পরিচিত। সংক্ষেপে, যুক্তরাষ্ট্রের এই আল্টিমেটাম ইরানকে এমন এক কোণঠাসা অবস্থায় ঠেলে দিতে পারে, যেখানে ইরান তাদের পারমাণবিক সক্ষমতাকে চূড়ান্ত রূপ দেওয়ার চেষ্টা করবে। আর এই চেষ্টাই বিশ্বকে একটি সম্ভাব্য পারমাণবিক বিপর্যয়ের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিতে পারে।

বৈশ্বিক শক্তির মেরুকরণ

ওয়াশিংটনের এই আল্টিমেটামের প্রভাব বলয় কেবল যুক্তরাষ্ট্র বা ইরানের দ্বিপাক্ষিক পরিসীমায় সীমাবদ্ধ নেই, বরং এটি বর্তমানের ‘মাল্টি-পোলার’ বা বহুমুখী বিশ্বব্যবস্থার এক কঠিন পরীক্ষা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক গবেষকদের মতে, ইউক্রেন আক্রমণ এবং গাজা সংকটের পর বিশ্বরাজনীতি এখন স্পষ্টত দুটি শিবিরে বিভক্ত হয়ে পড়েছে, যেখানে চীন, রাশিয়া এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের অবস্থানই আগামীর বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা নির্ধারণ করবে।

গবেষক হাল ব্র্যান্ডস-এর মতে, চীন ও রাশিয়া এখন আর কেবল বিচ্ছিন্ন শক্তি নয়, বরং তারা ইরানকে পশ্চিমা আধিপত্যের বিরুদ্ধে একটি ‘কৌশলগত বাফার’ হিসেবে ব্যবহার করে একটি শক্তিশালী ‘প্রতিরোধ অক্ষ’ গড়ে তুলেছে। এমতাবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র কোনো একপাক্ষিক সামরিক পদক্ষেপ নিলে রাশিয়ার উন্নত প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি এবং চীনের অর্থনৈতিক ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের প্রচেষ্টা এই আঞ্চলিক সংকটকে নিমেষেই একটি বৈশ্বিক ব্লকের লড়াইতে রূপান্তর করতে পারে।

অন্যদিকে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন দীর্ঘকাল ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করলেও গবেষক কর্নেলিয়াস অ্যাডেবাহর-এর মতে, বর্তমান আল্টিমেটাম ইউরোপকে আটলান্টিক মিত্রতা (ন্যাটো) রক্ষা এবং মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি প্রবাহ নিশ্চিত করার দ্বিমুখী চাপে এক চরম অস্তিত্ব সংকটে ফেলেছে।

হার্ভার্ডের অধ্যাপক স্টিফেন ওয়াল্ট-এর ‘ব্যালান্স অব থ্রেট’ তত্ত্ব অনুযায়ী, পরাশক্তির অতিরিক্ত আগ্রাসন অনেক সময় ছোট রাষ্ট্রগুলোকে বৃহৎ শক্তির ছায়াতলে একতাবদ্ধ করে, যা একটি সীমিত আঞ্চলিক যুদ্ধকে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের মতো ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে ধাবিত করার ঝুঁকি তৈরি করে। অধিকন্তু, গ্লোবাল সাউথের দেশগুলো বড় শক্তির দ্বন্দ্বে পক্ষ নিতে অনিচ্ছুক হলেও ইরান সংকটের ফলে তেলের বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি হলে তারা চরম অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে পড়বে, যা ব্রিকস -এর মতো উদীয়মান জোটগুলোর প্রভাবকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। ওয়াশিংটনের এই আল্টিমেটাম কেবল ইরানের জন্য নয়, বরং রাশিয়া ও চীনের জন্যও একটি পরোক্ষ পরীক্ষা; যার ভুল চালগুলো বিশ্বকে একবিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে ভয়াবহ নিরাপত্তা সংকটে নিপতিত করতে পারে।

পরিশেষে বলা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের এই ১০ দিনের আল্টিমেটামকে এখনই সরাসরি ‘যুদ্ধের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা’ হিসেবে অভিহিত করা হয়তো তাত্ত্বিকভাবে অতিরঞ্জিত হবে, তবে একে ভূ-রাজনৈতিকভাবে উপেক্ষা করার কোনো ক্ষুদ্রতম অবকাশ নেই। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভাষায় এটি মূলত একটি ‘কৌশলগত সংকেত’ এবং ক্ষমতার চরম প্রদর্শন, যা প্রতিপক্ষকে চূড়ান্ত সমঝোতায় বাধ্য করার একটি মনস্তাত্ত্বিক কৌশল। তবে ইতিহাসের শিক্ষা হলো, মধ্যপ্রাচ্যের মতো চরম উত্তপ্ত ও স্পর্শকাতর অঞ্চলে একটি সামান্য ভুল সিদ্ধান্ত কিংবা ‘মিসক্যালকুলেশন’ মুহূর্তের মধ্যে পুরো বিশ্বকে এমন এক বহুমুখী সংঘাতের মুখে ঠেলে দিতে পারে, যার প্রভাব কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমানায় আবদ্ধ থাকবে না। বিশ্ব কি একবিংশ শতাব্দীর এই নতুন সংঘাতের বাস্তবতাকে মেনে নেবে, নাকি শেষ মুহূর্তে প্রাজ্ঞ কূটনীতির জয় হবে—তা নির্ধারণে আগামী ১০ দিন বৈশ্বিক রাজনীতির ইতিহাসে অত্যন্ত সংকটাপন্ন ও নির্ধারক সময় হিসেবে গণ্য হবে। যেখানে কূটনীতির প্রতিটি পদক্ষেপই হতে পারে শান্তি অথবা মহাপ্রলয়ের মধ্যকার সূক্ষ্ম পার্থক্য।

লেখক: সহকারী গবেষক, রির্সাচ এন্ড ইন্টিগ্রেটেড থট’স (আরআইটি)

শেন ওয়ার্নের মৃত্যু নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তাঁর ছেলের

সুন্দরবন নিউজ ২৪ স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:১০ অপরাহ্ণ
শেন ওয়ার্নের মৃত্যু নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তাঁর ছেলের

২০২২ সালের ৪ মার্চ না ফেরার দেশে চলে যান শেন ওয়ার্ন। তবে অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি লেগস্পিনারের মৃত্যুর চার বছর পেরিয়ে গেলেও আলোচনা এখনো শেষ হয়নি। তাঁর মৃত্যু নিয়ে শোনা যাচ্ছে একের পর এক রহস্যময় তথ্য। অজি কিংবদন্তি লেগস্পিনারের ছেলে এবার বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন।

শেন ওয়ার্ন যখন মারা যান, তখন কোভিড-১৯ অতিমারির প্রাদুর্ভাব কিছুটা হলেও ছিল। কোয়ারেন্টিন অবস্থা থেকে বেরোলেও অনেকেই প্রতিষেধক হিসেবে টিকা নিয়েছিলেন। যেটার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা গেছে শিশু ও বৃদ্ধদের। ৫২ বছর বয়সী ওয়ার্নও নিয়েছিলেন টিকা। তাঁর ছেলে জ্যাকসনের দাবি জোর করে টিকা দেওয়াতেই মূলত অজি কিংবদন্তির মৃত্যু ত্বরান্বিত হয়েছিল।

কদিন আগে ‘টু ওয়ার্ল্ডস কোলাইড’ নামক এক পডকাস্টে এসেছিলেন জ্যাকসন। সেখানে তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে ওয়ার্নের মৃত্যুতে করোনা টিকার কোনো প্রভাব ছিল কি না। উত্তরে জ্যাকসন বলেন, ‘আমি নিশ্চিত এখানে টিকা জড়িত ছিল।বাবার যদি আগে কোনো শারীরিক সমস্যা থাকেও টিকার কারণে সেটা প্রকট হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। খবরটা পেয়েই আমার মনে হচ্ছিল কোভিডের টিকার কথা।’

২০২২ সালে থাইল্যান্ডের কোহ সামুইতে হার্ট অ্যাটাক করে মৃত্যুবরণ করেন ওয়ার্ন। মৃত্যুর পর থাই পুলিশ তাঁর ঘর থেকে কিছু ওষুধ সরিয়ে ফেলেছে বলে অভিযোগও উঠেছিল। এমনকি অস্ট্রেলিয়ার প্রয়াত কিংবদন্তির শরীরে উত্তেজক ওষুধও পাওয়া গিয়েছিল। তবে তাঁর ছেলে জ্যাকসন তা অস্বীকার করেছেন।

৮০০ উইকেট নিয়ে টেস্ট ইতিহাসে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী মুত্তিয়া মুরালিধরন। এই তালিকায় লঙ্কান কিংবদন্তির পরই শেন ওয়ার্ন। ১৪৫ টেস্টে নিয়েছেন ৭০৮ উইকেট। ৩৭ বার নিয়েছেন ইনিংসে পাঁচ উইকেট। ম্যাচে ১০ উইকেট নিয়েছেন ১০ বার। ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়ার প্রয়াত কিংবদন্তি লেগস্পিনার পেয়েছেন ২৯৩ উইকেট। আর ২০০৮ আইপিএলে তাঁর নেতৃত্বে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল রাজস্থান রয়্যালস।

কিংবদন্তি উসাইন বোল্টের রেকর্ড ভাঙলেন গাউট

সুন্দরবন নিউজ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৫৪ অপরাহ্ণ
কিংবদন্তি উসাইন বোল্টের রেকর্ড ভাঙলেন গাউট

সিডনির ট্রাকে ঝড় তুললেন ১৮ বছরের এক তরুণ। তার নাম গাউট গাউট। মাত্র ১৯.৬৭ সেকেন্ডে ২০০ মিটার দৌড় শেষ করে জিতে নিলেন জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপের স্বর্ণপদক। সেইসঙ্গে তোলপাড় করেছেন রেকর্ড বুক।

অনূর্ধ্ব-২০ পর্যায়ে নতুন বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন গাউট। ভেঙে দিলেন কিংবদন্তি উসাইন বোল্টের রেকর্ড। ১৮ বছর বয়সে বোল্টের দ্রুততম সময় ছিল ১৯.৯৩ সেকেন্ড। গাউট সময় নিলেন তার চেয়েও কম।

অস্ট্রেলিয়ার অ্যাথলেটিকস ইতিহাসে গাউটই প্রথম। এর আগে কোনো অজি স্প্রিন্টার ২০ সেকেন্ডের নিচে ২০০ মিটার শেষ করতে পারেননি। এমন দুর্দান্ত কীর্তি গড়ার পর গাউট বললেন, ‘আমি এর জন্যই অপেক্ষা করছিলাম।’

কিছুদিন ধরেই গাউটকে উসাইন বোল্টের সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে। তার লম্বা ধাপে পা ফেলা, সোজা হয়ে দৌড়ানো এবং শেষ দিকের বিধ্বংসী গতির কারণে তাকে ‘পরবর্তী বোল্ট’ বলছেন অনেকেই।

গাউটের নজর এখন আসন্ন অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্ব অ্যাথলেটিকস চ্যাম্পিয়নশিপের দিকে। তিনি বলেন, ‘আমি এখনো মাত্র ১৮ বছর বয়সী। আমি অবশ্যই আরও জোরে দৌড়াতে পারি।’

বোল্টের সঙ্গে তুলনা প্রসঙ্গে তিনি বেশ বিনয়ী। তিনি বলেন, ‘দিন শেষে আমি তো আমিই। আমি আমার কাজ করছি। আমার কোনো চাপ নেই। ট্র্যাকে নামলে শুধু ট্র্যাক আর আমার স্পাইক নিয়েই ভাবি।’

সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন কারামুক্ত

সুন্দরবন নিউজ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:২১ অপরাহ্ণ
সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন কারামুক্ত

হত্যাচেষ্টা মামলায় দুপুরে জামিন পাওয়ার পর কারামুক্ত হলেন সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী।

রোববার (১২ এপ্রিল) বিকেলে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত হন তিনি।

কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার কাওয়ালিন নাহার বলেন, কারাগারে জামিননামা পৌঁছানোর পরই যথাযথ প্রক্রিয়া অনুযায়ী একটু আগে তাকে (সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী) রিলিজ করা হয়েছে।

মামলার সূত্রে জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে গত বছরের ১৮ জুলাই রাজধানীর লালবাগ থানাধীন আজিমপুর সরকারি কলোনির ভেতরে অন্যান্য আন্দোলনকারীর সঙ্গে মিছিল করছিলেন মো. আশরাফুল ওরফে ফাহিম নামে এক ব্যক্তি। ঘটনার দিন আসামিদের ছোঁড়া গুলিতে তার বাম চোখ নষ্ট হয়ে যায়। গত ১৭ জুলাই লালবাগ থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেন আশরাফুল।

‘স্বল্প সময়ে ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিষ্পত্তিকরণ সংসদীয় গণতন্ত্রের অনন্য নজির’

এর আগে, তার আইনজীবী এ বি এম হামিদুল মিজবাহ জানিয়েছিলেন, আর কোনো মামলায় আটকাদেশ না থাকায় শিরীন শারমিনের কারামুক্তিতে বাধা নেই।