খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ২৯শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৫ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাগরের তলদেশে ‘হলুদ ইটের রাস্তা’? গবেষকরা যা বলছেন

সুন্দরবন নিউজ২৪ /ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৪, ৭:৩৭ অপরাহ্ণ
সাগরের তলদেশে ‘হলুদ ইটের রাস্তা’? গবেষকরা যা বলছেন

সাগরের নিচে সাধারণত কী থাকে? বিভিন্ন প্রজাতির ছোটবড় সামুদ্রিক প্রাণী ও উদ্ভিদ। আরো গভীরে সমুদ্রের তলদেশে গেলে পাওয়া যাবে সামুদ্রিক পলি, লক্ষ বছর ধরে গড়ে উঠা জীবাশ্ম, গভীর-সমুদ্রের পরিখা, সামুদ্রিক পর্বতশ্রেনীসহ বিভিন্ন বস্তু। কিন্তু ইটের তৈরি রাস্তা পাওয়ার সম্ভাবনা আছে কি?

না, আপনার কল্পনাশক্তিকে খুব বেশি প্রসারিত করতে হবে না, কারণ এমনই একটি রাস্তা দেখা গেছে প্রশান্ত মহাসাগরের তলেদেশে। প্রথম দেখায় রাস্তাটি হলুদ ইটের তৈরি বলে মনে হয়। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, মহাসাগরের তলদেশে হলুদ ইট দিয়ে রাস্তা বানিয়ে রেখেছে কে, আর কীই-বা তার কারণ?

ঘটনাটি ২০২২ সালের। হাওয়াইয়ান দ্বীপপুঞ্জের ঠিক উত্তরে গভীর-সমুদ্রের শৈলশিরায় পরিচালিত এক অভিযানে চমকপ্রদ এক আবিষ্কার সামনে আসে। একটি শুকিয়ে যাওয়া প্রাচীন লেকের তলদেশ দেখতে পাওয়া যায় সেখানে। তলদেশটি দেখতে ঠিক হলুদ ইটের রাস্তার মতো।

ডাইনোসর বিলুপ্তির পেছনে এবার যে কারণ জানাল বিজ্ঞানীরাডাইনোসর বিলুপ্তির পেছনে এবার যে কারণ জানাল বিজ্ঞানীরা
অনুসন্ধানী জাহাজ নোটিলাস যখন পাপাহানাউমোকুয়াকে মেরিন ন্যাশনাল মনুমেন্টের (পিএমএনএম) অন্তর্গত লিলিউওকালনি শৈলশিরায় (রিজ) অভিযান (সার্ভে) পরিচালনা করছিল তখনই সামনে চলে আসে আশ্চর্যকর ও কিছুটা অতিপ্রাকৃতিক এই দৃশ্যটি।

উল্লেখ্য, পাপাহানাউমোকুয়াকে মেরিন ন্যাশনাল মনুমেন্টে (পিএমএনএম) হলো বিশ্বের বৃহত্তম সামুদ্রিক সংরক্ষিত (মেরিন কনজারভেশন) অঞ্চলগুলোর একটি। এটি আমেরিকার সমস্ত জাতীয় উদ্যানের সম্মিলিত আয়তনের চেয়েও বড়। এখন পর্যন্ত এই সামুদ্রিক সংরক্ষিত অঞ্চলটির মাত্র ৩ শতাংশের তলদেশই অন্বেষণ করা সম্ভব হয়েছে।

মঙ্গলে গেলে মানুষ হয়ে যাবে সবুজ, হারাবে দৃষ্টিশক্তি!মঙ্গলে গেলে মানুষ হয়ে যাবে সবুজ, হারাবে দৃষ্টিশক্তি!

ওশান এক্সপ্লোরেশন ট্রাস্টের গবেষকরা প্রতিনিয়ত এই সংরক্ষিত অঞ্চলটির সমুদ্রপৃষ্ঠের নিচে যে বিস্তীর্ণ প্রান্তর রয়েছে সেখানে অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছেন। এই প্রান্তর সমুদ্রের তরঙ্গের (ওয়েভের) ৩ হাজার মিটারেরও বেশি গভীরে অবস্থিত। সবচেয়ে বড় কথা হলো, যে কেউ চাইলেই গবেষকদের এই অনুসন্ধানী অভিযান দেখার সুযোগ রয়েছে।

চাঁদের জন্য ‘নতুন সময়’ নিয়ে আসছে নাসাচাঁদের জন্য ‘নতুন সময়’ নিয়ে আসছে নাসা
অনুসন্ধানী অভিযানের ধারণকৃত কিছু দৃশ্যের একটি হাইলাইট রিল ইউটিউবে প্রকাশিত হয় ২০২২ সালের এপ্রিল মাসে। সেখানে দেখা যায়, গভীর সমুদ্রে অভিযান পরিচালনার সময় গবেষকরা আটলান্টিসে যাওয়ার পথে হলুদ ইট বিছানো একটি রাস্তার সন্ধান পেয়েছেন। অন্তত দেখতে তেমনটাই মনে হয়েছে।

একজন গবেষককে তাই বলতে শোনা যায়, ‘এটি আটলান্টিসের রাস্তা’। আরেকজন বলে উঠেন, ‘হলুদ ইটের রাস্তা?’

এলিয়েনের অস্তিত্ব রয়েছে, আগামী মাসেই ঘোষণা!এলিয়েনের অস্তিত্ব রয়েছে, আগামী মাসেই ঘোষণা!
মজার বিষয় হচ্ছে, সমুদ্রপৃষ্ঠের প্রায় ১ হাজার মিটার নিচে নুটকা পর্বতের চুড়ায় গবেষকদের খুঁজে পাওয়া লেকের তলদেশটি আশ্চর্যজনকভাবে শুকনো দেখায়। রেডিও’তে ‘হলুদ ইটের রাস্তা’-সদৃশ এই তলদেশকে গবেষকরা ‘বেকড ক্রাস্ট’-এর মতো দেখায় বলে অভিহিত করেছেন, অনেকটা যেন খোসা ছাড়ানোর মতো এর স্তরগুলো খুলে খুলে আসবে।

চাঁদের মাটি থেকেই মিলবে পর্যাপ্ত পানি, জানাল চীনের বিজ্ঞানীরাচাঁদের মাটি থেকেই মিলবে পর্যাপ্ত পানি, জানাল চীনের বিজ্ঞানীরা

আসলে এটি হলুদ ইটের তৈরি কোনো রাস্তা নয়। সমুদ্রের তলদেশে আগ্নেয়গিরির একটি শিলা এমনভাবে ভেঙেছে যে, এটিকে ইট বিছানো রাস্তার অনুরূপ বলে মনে হচ্ছে। বলা যেতে পারে চোখের এক চমৎকার বিভ্রম তৈরি করেছে দৃশ্যটি। অনন্য এই ৯০-ডিগ্রি ফ্র্যাকচার বা ভাঙনের পেছনে মূল কারণ খুব সম্ভবত একাধিক অগ্ন্যুৎপাতের কারণে সৃষ্ট গরম ও শীতল চাপ। এমনটাই ধারণা করছেন গবেষকরা।

এই স্যাটেলাইট কাঠের তৈরি!এই স্যাটেলাইট কাঠের তৈরি!
তবে প্রথম দেখায়, সমুদ্রের তলদেশে ইট-নির্মিত এমন একটি অনন্য রাস্তা নতুন এক বিস্ময়কর পৃথিবীর সন্ধান দিবে বলে ভ্রম হতেই পারে। কিন্তু একটু অন্যভাবে চিন্তা করলে, বিষয়টিকে পুরোপুরি মিথ্যা বলেও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। কেননা ইট-সদৃশ এই রাস্তা অনুসরণ করার অর্থ হচ্ছে গবেষকরা সঠিক পথেই এগুচ্ছেন, হয়তো অচিরেই পৃথিবীর লুকানো ভূতত্ত্ব সম্পর্কে নতুন কিছু জানতে পারবেন তাঁরা।

তথ্যসূত্র: সায়েন্স অ্যালার্ট

নারকেলের পানি ডায়াবেটিসের জন্য বন্ধু নাকি সমস্যা

সুন্দরবন নিউজ ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৬, ১:৪৪ পূর্বাহ্ণ
নারকেলের পানি ডায়াবেটিসের জন্য বন্ধু নাকি সমস্যা

ডায়াবেটিসে শুধু খাওয়া-দাওয়াই নয়, কী পান করা হচ্ছে তাও খুব গুরুত্বপূর্ণ। অনেক সময় আমরা ভুলে যাই, যে পানীয় আমরা খাই, তা রক্তে শর্করার মাত্রাকে সরাসরি প্রভাবিত করতে পারে। এই কারণে ডায়াবেটিস রোগীদের মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ প্রশ্নগুলোর মধ্যে একটি হলো– নারকেলের পানি কি নিরাপদ? নাকি রক্তে চিনি বাড়িয়ে দিতে পারে?

নারকেলের পানি বরাবরই গরমে শরীর ঠান্ডা রাখা, ক্লান্তি দূর করা এবং পটাসিয়াম ও অন্যান্য খনিজ উপাদান দেওয়ার জন্য জনপ্রিয়। এতে থাকে পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন সি ও বিভিন্ন খনিজ, যা শরীরের জন্য উপকারী। কিন্তু ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য চিন্তার বিষয় হলো এতে থাকা প্রাকৃতিক চিনি এবং কার্বোহাইড্রেট।

এক গ্লাস (প্রায় ২৫০ মিলিলিটার) নারকেলের পানিতে থাকে প্রায় ১৫ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট এবং ৮ গ্রাম প্রাকৃতিক চিনি। এই চিনি সরাসরি রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়াতে পারে।

মুম্বাইয়ের ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ ডা. নিখিল প্রভু বলেন, ‘যদি কারও রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে থাকে, তবে মাঝে মাঝে সীমিত পরিমাণে নারকেলের পানি খাওয়া যেতে পারে। তবে এটিকে ওষুধের মতো ভাবা উচিত নয়।’

গবেষণায় দেখা গেছে, নারকেলের পানির গ্লাইসেমিক ইনডেক্স প্রায় ৫৪, যা কম থেকে মাঝারি স্তরে পড়ে। অর্থাৎ এটি রক্তে চিনি হঠাৎ বাড়ায় না। তবে বেশি পরিমাণে খেলে সমস্যা হতে পারে।

নারকেলের পানিতে থাকা ম্যাগনেসিয়াম ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করে। টাইপ ২ ডায়াবেটিসে প্রায়ই ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি দেখা যায়, যা রক্তের চিনি নিয়ন্ত্রণে বাধা দেয়। এছাড়াও এতে থাকা পটাসিয়াম এবং এল-আর্জিনিন রক্তনালিগুলো শিথিল করতে সাহায্য করে, ফলে রক্ত চলাচল ভালো থাকে। ডায়াবেটিস রোগীদের মধ্যে পায়ের স্নায়ু সমস্যা এবং রক্ত চলাচলের সমস্যা সাধারণ, তাই কিছুটা উপকার পাওয়া সম্ভব।

তবে, যদি কারও রক্তে চিনি খুব বেশি থাকে বা HbA1c প্রায় ৯-১০ শতাংশের কাছাকাছি, তবে নারকেলের পানি এড়ানোই ভালো। প্রতিদিন খেলে ধীরে ধীরে রক্তে চিনি বাড়তে পারে। নিরাপদ উপায় হলো, সপ্তাহে এক বা দুবার অল্প পরিমাণে নারকেলের পানি পান করা এবং তা খাবারের সঙ্গে বা শারীরিক পরিশ্রমের পরে নেওয়া। খালি পেটে বা প্রতিদিন নিয়মিত খাওয়া ঠিক নয়।

সারসংক্ষেপে, নারকেলের পানি ডায়াবেটিসের জন্য ‘বিষ নয়, অমৃতও নয়।’ এটি সঠিক সময়ে এবং সীমিত পরিমাণে পান করলে উপকারী হতে পারে। রক্তের চিনি নিয়মিত পরীক্ষা করা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ পথ।

সূত্র : Health Line

সকলে মিলে দেশ গড়ার সময় এসেছে: সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তারেক রহমান

সুন্দরবন নিউজ ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১১:৪০ অপরাহ্ণ
সকলে মিলে দেশ গড়ার সময় এসেছে: সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তারেক রহমান

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, সকলে মিলে দেশ গড়ার সময় এসেছে, এখন বাংলাদেশের মানুষ কথা বলার অধিকার ফিরে পেতে চায়।

বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর পূর্বাচলের ৩০০ ফিটে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

আজ দুপুর ১২টা ৩৫মিনিটে তিনি বিমানবন্দর থেকে সড়কপথে একটি বিশেষ বাসে করে ৩০০ ফিটের উদ্দেশে রওনা দেন। দলীয় নেতাকর্মীরা রাস্তার দুধারে হাত নেড়ে তাকে স্বাগত জানান। ৩ ঘণ্টা ১৫ মিনিট পর মঞ্চে পৌঁছান বিএনপি নেতা তারেক রহমান।

এর আগে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বহনকারী বিমানটি বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এর কিছুক্ষণ আগে তারেক রহমান তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক স্ট্যাটাসে আবেগঘন বার্তায় লেখেন, দীর্ঘ ৬ হাজার ৩১৪ দিন পর বাংলাদেশের আকাশে!

এরও আগে, বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত সোয়া ১২টায় লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করে ফ্লাইটটি। একই দিন বাংলাদেশ সময় রাত সোয়া ৮টায় লন্ডনের নিজ বাসা ত্যাগ করেন তারেক রহমান। তিনি স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে রাত সোয়া ১০টায় হিথ্রো বিমানবন্দরে পৌঁছান।

শ্যামনগরে সিপিপি কর্মকর্তার অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন।

সুন্দরবন নিউজ ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১:৫৭ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে সিপিপি কর্মকর্তার অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন।

শ্যামনগরে এক দুর্নীতিগ্রস্ত সিপিপি কর্মকর্তার দুর্নীতি-অনিয়মের বিরুদ্ধে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল ১১ টায় সিপিপি উপজেলা কার্যালয়,(জেসি কমপ্লেক্স)এর সামনে এ কর্মসূচির আয়োজন করে সিপিপি শ্যামনগর পৌরসভার স্বেচ্ছাসেবকবৃন্দ। এতে ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে শ্যামনগর উপজেলা পৌরসভার সমস্ত নারী ও পুরুষ স্বেচ্ছাসেবকগণ অংশ নেয়।

ঘন্টাব্যাপী চলা এই কর্মসূচিতে অংশ নেয় শ্যামনগর পৌরসভার সিপিপি টিম লিডার মোঃ আব্দুর রশিদ নান্টু, ১নং ইউনিট টিম লিডার নজরুল ইসলাম মুন্না, ২ নং ইউনিট টিম লিডার, ভবেসিন্দু মন্ডল, ৩ নং ইউনিট টিম লিডার হাবিবুর রহমান ৪ নং ইউনিট টিম লিডার ইয়াছিন মোড়ল ৫ নং ইউনিট টিম লিডার রবিন্দ্রনাথ মন্ডল ৬ নং ইউনিট টিম লিডার শাহীন ভূইয়া, ৭ নং ইউনিট টিম লিডার আব্দুর রশিদ নান্টু। ৮ নং ইউনিট টিম লিডার হেলাল মাহমুদ, ৯ নং ইউনিট টিম লিডার দেবাশিস গায়েন সহ অন্যান্য রা বক্তব্য রাখেন।

এ সময় বক্তারা বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি(সিপিপি) সহকারী পরিচালক শ্যামনগর মুন্সি নুর মোহাম্মদ, দুর্যোগে কাজ করা সিপিপি সংগঠনকে একটা বাণিজ্যিক সংগঠন হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন।

নীতিমালা তোয়াক্কা না করে নিজের মনগড়া ভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসতেছে, সাধারণ স্বেচ্ছাসেবকদের মধ্যে বৈষম্য তৈরি করে স্বেচ্ছাসেবী কাজে মনোভাব নষ্ট করছেন।

সিপিপি স্বেচ্ছাসেবক নির্দেশিকা -২০২১ অনুসারে সিপিপিতে যোগদানের বয়স ১৮ থেকে ৩৫ নির্ধারণ থাকলেও এই নীতিমালা অমান্য করে মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নে নিপা চক্রবর্তী নামক একজন ৪০ উর্ধ্ব বয়স নারী স্বেচ্ছাসেবককে নিয়োগ দিয়েছিলেন।

অপর দিকে রমজাননগর ইউনিয়নের তানিয়া নামক ১৬ বছর বয়সের নারী স্বেচ্ছাসেবককে নিয়োগ দিয়েছিলেন ।

কর্মকর্তার আন অফিসিয়াল তার কথা না শোনার কারনে পদ্মপুকুর ইউনিয়নের মাছুরা নামক নারী স্বেচ্ছাসেবককে বিনা কারণে বাদ দেওয়া হয়েছে।

জেলা পরিষদ নির্বাচনে কর্মকর্তার মনোনীত প্রার্থীকে ভোট না দেওয়ার কারণে রমজাননগরের আছমা মেম্বার, ও কৈখালীর রাবিয়া মেম্বারের সিপিপির আই ডি কার্ড দিতে তালবাহানা করেছে।

বক্তারা আরো বলেন:
এভাবে চলতে থাকলে শ্যামনগরের উপকূলীয় আমজনতা সিপিপি থেকে দুর্যোগের সময় সেবা পাবে না:
কর্মকর্তা মুন্সী নুর মোহাম্মদ একের পর এক নিয়ম বহির্ভূত কর্মকাণ্ড করতে থাকে এবং তার সাথে সঙ্গ না দেওয়ায়, শ্যামনগর সদর ইউনিয়ন টিম লিডার মোঃ আব্দুর রশিদ নান্টু নামে বিভিন্নভাবে মিথ্যা হয়রানি মূলক বেনামী অভিযোগ দিয়ে থাকেন ।

সর্বশেষ মোঃ আব্দুর রাজ্জাক নামীয় ব্যক্তির পাঠানো অভিযোগে বিষয়টি পরিষ্কার হয়, মুন্সি নুর মোহাম্মদ, অভিযোগকারীদের স্থানে আব্দুর রাজ্জাকের নাম ব্যবহার করে ইয়াসিন মোড়ল এবং আব্দুর রশিদ নানটুর নামে পুনরায় অভিযোগ করে,
মিটিং সেমিনার কিংবা প্রশিক্ষণ কর্মশালায় স্বেচ্ছাসেবকদের সাথে তুই তুকারি করে কথা বলেন এই কর্মকর্তা।
দুর্যোগের সময় বিশেষ মুহূর্তে অতি প্রয়োজনে কর্মকর্তাকে ফোন করলে ফোন কেটে দেন।
প্রয়োজনে স্বেচ্ছাসেবকরা অফিসে গেলে কর্মকর্তা বিরক্ত বোধ করেন।
স্বেচ্ছাসেবকদের মাঝে একে অপরের সাথে বিরোধ লাগিয়ে স্বার্থ হাসিল করার চেষ্টা করেন এই কর্মকর্তা।

মন:পুত ব্যক্তিদের বিভিন্নভাবে অফিশিয়ালি সুযোগ সুবিধা দিয়ে থাকেন বিশেষ করে যারা তার অনিয়ম কর্মকান্ডের সাথে জড়িত থাকেন।

টাকার বিনিময়ে জাতীয় পুরস্কার পাইয়ে দেওয়ার জন্য প্রকাশ্য সহযোগী হিসেবে কাজ করেছেন,কর্মকর্তা মুন্সি নুর মোহাম্মদ, তার কাছের ব্যক্তি রমজান নগর ইউনিয়নের স্বেচ্ছাসেবক ফারুক হোসেন কে অফিসের নথি প্রকাশ করে, নায্য পুরষ্কার প্রাপ্য নজরুলের ডকুমেন্টস জাল করে ততকালীন ইউ এন ও কাছে প্রেরণ করে

এসব বিষয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে সাধারণ স্বেচ্ছাসেবকরা মানববন্ধনের মাধ্যমে কর্মকর্তা মুন্সি নুর মোহাম্মদের বদলি চেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।