খুঁজুন
রবিবার, ১লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৮ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অভ্যন্তরীণ কোন্দলে বিপর্যস্ত বিএনপি শক্তি হারাচ্ছে সাতক্ষীরায়

সুন্দরবন নিউজ ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২৫, ৭:০০ অপরাহ্ণ
অভ্যন্তরীণ কোন্দলে বিপর্যস্ত বিএনপি শক্তি হারাচ্ছে সাতক্ষীরায়

সাতক্ষীরায় অভ্যন্তরীণ কোন্দলে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে বিএনপি। এতে ক্রমান্বয়ে শক্তি হারাচ্ছে দলটি। সম্প্রতি শ্যামনগর, কালীগঞ্জ ও আশাশুনি উপজেলায় সম্মেলন ও কমিটি ঘোষণা নিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা দফায় দফায় সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে। প্রত্যাখ্যাত হয়েছে সাতক্ষীরা পৌরসভা ও সদর উপজেলা কমিটি নিয়ে ঘোষিত নানা সিদ্ধান্ত।

এর ধারাবাহিকতায় সাতক্ষীরার দেবহাটায় বিএনপির উপজেলা শাখার সম্মেলন ঘিরে দু’গ্রুপের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিতে উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং বিশৃঙ্খলা এড়াতে সম্মেলনস্থল ও আশপাশের এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) বিকালে উপজেলার গাজীরহাট বাজার সংলগ্ন শিমুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা বিএনপির এ সম্মেলন আয়োজন করা হয়েছিল। এমনকি ওই সম্মেলনে বিএনপির জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের শীর্ষ নেতাদের উপস্থিত থাকারও কথা ছিল।

কিন্তু উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. মহিউদ্দীন সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে একতরফাভাবে এ সম্মেলন আয়োজনের অভিযোগ তুলে বুধবার রাতেই সম্মেলনস্থলে একই সময়ে পাল্টা সমাবেশের ডাক দেয় উপজেলা বিএনপির আহবায়ক সিরাজুল ইসলামের অনুসারী বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও পারুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক বাবু ও নওয়াপাড়া ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান রেজাউল করিমসহ তাদের সমর্থকরা। এতেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে দেবহাটা উপজেলা বিএনপির রাজনৈতিক মাঠ।

একপর্যায়ে বিশৃঙ্খলা এড়াতে বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে সম্মেলনস্থল ও আশপাশের এলাকায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা জারির আদেশ দেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আসাদুজ্জামান।

দেবহাটা থানার ওসি মো. হযরত আলী বলেন, বিএনপির দু’গ্রুপের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘিরে যাতে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য ১৪৪ ধারা জারির পর পুলিশি তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আসাদুজ্জামান বলেন, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিতের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে সম্মেলনস্থলসহ আশপাশের এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। আদেশে ওই এলাকায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিএনপির দু’গ্রুপের শীর্ষ নেতাদের সংঘাতে না জড়ানোর ব্যাপারে সতর্ক করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারির এ আদেশ বহাল থাকবে।

এদিকে, সাম্প্রতিক সময়ে আধিপত্য বিস্তার ও ক্ষমতা দখলে মরিয়া হয়ে ওঠা দেবহাটা উপজেলা বিএনপির শীর্ষ নেতাদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে দিশেহারা হয়ে পড়েছে দলটির তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। এ ব্যাপারে বর্তমান উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির একাধিক সিনিয়র নেতা বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) কেন্দ্রীয় নির্দেশনা ও জেলার শীর্ষ নেতাদের পরামর্শক্রমে সংগঠনকে গতিশীল করতে ইতোমধ্যেই যুগ্ম আহবায়কদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটির সুপারিশে একে একে উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন ও এর অর্ন্তগত ৪৫টি ওয়ার্ড শাখার নতুন কমিটি অনুমোদন করেছেন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মহিউদ্দিন সিদ্দিকী। বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনা বাস্তবায়নে চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে লিপ্তদের বাদ দিয়ে এসব ইউনিটের নতুন নেতৃত্বে দীর্ঘদিনের ত্যাগী নেতাকর্মীদের স্থান দেয়া হয়েছে। সবগুলো ইউনিটের সম্মেলন শেষে আজ উপজেলা শাখার সম্মেলন আয়োজন করা হয়েছিল। যা মেনে নিতে পারেনি বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে কোনঠাসা হয়ে পড়া কতিপয় ব্যক্তি।

বিএনপি নেতারা আরও অভিযোগ করে বলেন, একসময় যেসব নেতা বিএনপি থেকে দূরে সরে আওয়ামী লীগের ছত্রছায়ায় থেকেছেন, আওয়ামী লীগের পৃষ্ঠপোষকতায় অবৈধ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়েছেন, স্বেচ্ছায় বিএনপির রাজনীতি থেকে অবসর নিয়েছেন; তারাই আবার ৫ আগস্টের পর রাজনীতির মাঠে আর্বিভুত হয়ে সীমাহীন চাঁদাবাজি ও মৎস্যঘের- সরকারি জমি-হাটবাজার দখল, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুরসহ নানা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়েছেন। আধিপত্য বিস্তারের জন্য এসব বিতর্কিত এবং চাঁদাবাজ, দখলবাজদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে দলীয় কোন্দল সৃষ্টির জন্য উপজেলা বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতাকে দায়ী করেন তারা।

সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহবায়ক অ্যাড. সৈয়দ ইফতেখার আলী বলেন, দেবহাটায় বিএনপির সম্মেলনকে ঘিরে দু’গ্রুপের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি দেয়ায় উত্তপ্ত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে প্রশাসনের ১৪৪ ধারা জারির বিষয়টি আমরা জেনেছি। দু’পক্ষের সাথে আলোচনা করে সৃষ্ট সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেয়া হবে।

উল্লেখ্য, এর আগে সাতক্ষীরার শ্যামনগর, কালীগঞ্জ ও আশাশুনি উপজেলায় বিএনপি নেতাকর্মীরা দফায় দফায় সংঘর্ষে লিপ্ত হলে ১৪৪ ধারা জারি করে প্রশাসন।

নারকেলের পানি ডায়াবেটিসের জন্য বন্ধু নাকি সমস্যা

সুন্দরবন নিউজ ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৬, ১:৪৪ পূর্বাহ্ণ
নারকেলের পানি ডায়াবেটিসের জন্য বন্ধু নাকি সমস্যা

ডায়াবেটিসে শুধু খাওয়া-দাওয়াই নয়, কী পান করা হচ্ছে তাও খুব গুরুত্বপূর্ণ। অনেক সময় আমরা ভুলে যাই, যে পানীয় আমরা খাই, তা রক্তে শর্করার মাত্রাকে সরাসরি প্রভাবিত করতে পারে। এই কারণে ডায়াবেটিস রোগীদের মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ প্রশ্নগুলোর মধ্যে একটি হলো– নারকেলের পানি কি নিরাপদ? নাকি রক্তে চিনি বাড়িয়ে দিতে পারে?

নারকেলের পানি বরাবরই গরমে শরীর ঠান্ডা রাখা, ক্লান্তি দূর করা এবং পটাসিয়াম ও অন্যান্য খনিজ উপাদান দেওয়ার জন্য জনপ্রিয়। এতে থাকে পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন সি ও বিভিন্ন খনিজ, যা শরীরের জন্য উপকারী। কিন্তু ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য চিন্তার বিষয় হলো এতে থাকা প্রাকৃতিক চিনি এবং কার্বোহাইড্রেট।

এক গ্লাস (প্রায় ২৫০ মিলিলিটার) নারকেলের পানিতে থাকে প্রায় ১৫ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট এবং ৮ গ্রাম প্রাকৃতিক চিনি। এই চিনি সরাসরি রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়াতে পারে।

মুম্বাইয়ের ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ ডা. নিখিল প্রভু বলেন, ‘যদি কারও রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে থাকে, তবে মাঝে মাঝে সীমিত পরিমাণে নারকেলের পানি খাওয়া যেতে পারে। তবে এটিকে ওষুধের মতো ভাবা উচিত নয়।’

গবেষণায় দেখা গেছে, নারকেলের পানির গ্লাইসেমিক ইনডেক্স প্রায় ৫৪, যা কম থেকে মাঝারি স্তরে পড়ে। অর্থাৎ এটি রক্তে চিনি হঠাৎ বাড়ায় না। তবে বেশি পরিমাণে খেলে সমস্যা হতে পারে।

নারকেলের পানিতে থাকা ম্যাগনেসিয়াম ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করে। টাইপ ২ ডায়াবেটিসে প্রায়ই ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি দেখা যায়, যা রক্তের চিনি নিয়ন্ত্রণে বাধা দেয়। এছাড়াও এতে থাকা পটাসিয়াম এবং এল-আর্জিনিন রক্তনালিগুলো শিথিল করতে সাহায্য করে, ফলে রক্ত চলাচল ভালো থাকে। ডায়াবেটিস রোগীদের মধ্যে পায়ের স্নায়ু সমস্যা এবং রক্ত চলাচলের সমস্যা সাধারণ, তাই কিছুটা উপকার পাওয়া সম্ভব।

তবে, যদি কারও রক্তে চিনি খুব বেশি থাকে বা HbA1c প্রায় ৯-১০ শতাংশের কাছাকাছি, তবে নারকেলের পানি এড়ানোই ভালো। প্রতিদিন খেলে ধীরে ধীরে রক্তে চিনি বাড়তে পারে। নিরাপদ উপায় হলো, সপ্তাহে এক বা দুবার অল্প পরিমাণে নারকেলের পানি পান করা এবং তা খাবারের সঙ্গে বা শারীরিক পরিশ্রমের পরে নেওয়া। খালি পেটে বা প্রতিদিন নিয়মিত খাওয়া ঠিক নয়।

সারসংক্ষেপে, নারকেলের পানি ডায়াবেটিসের জন্য ‘বিষ নয়, অমৃতও নয়।’ এটি সঠিক সময়ে এবং সীমিত পরিমাণে পান করলে উপকারী হতে পারে। রক্তের চিনি নিয়মিত পরীক্ষা করা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ পথ।

সূত্র : Health Line

সকলে মিলে দেশ গড়ার সময় এসেছে: সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তারেক রহমান

সুন্দরবন নিউজ ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১১:৪০ অপরাহ্ণ
সকলে মিলে দেশ গড়ার সময় এসেছে: সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তারেক রহমান

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, সকলে মিলে দেশ গড়ার সময় এসেছে, এখন বাংলাদেশের মানুষ কথা বলার অধিকার ফিরে পেতে চায়।

বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর পূর্বাচলের ৩০০ ফিটে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

আজ দুপুর ১২টা ৩৫মিনিটে তিনি বিমানবন্দর থেকে সড়কপথে একটি বিশেষ বাসে করে ৩০০ ফিটের উদ্দেশে রওনা দেন। দলীয় নেতাকর্মীরা রাস্তার দুধারে হাত নেড়ে তাকে স্বাগত জানান। ৩ ঘণ্টা ১৫ মিনিট পর মঞ্চে পৌঁছান বিএনপি নেতা তারেক রহমান।

এর আগে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বহনকারী বিমানটি বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এর কিছুক্ষণ আগে তারেক রহমান তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক স্ট্যাটাসে আবেগঘন বার্তায় লেখেন, দীর্ঘ ৬ হাজার ৩১৪ দিন পর বাংলাদেশের আকাশে!

এরও আগে, বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত সোয়া ১২টায় লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করে ফ্লাইটটি। একই দিন বাংলাদেশ সময় রাত সোয়া ৮টায় লন্ডনের নিজ বাসা ত্যাগ করেন তারেক রহমান। তিনি স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে রাত সোয়া ১০টায় হিথ্রো বিমানবন্দরে পৌঁছান।

শ্যামনগরে সিপিপি কর্মকর্তার অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন।

সুন্দরবন নিউজ ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১:৫৭ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে সিপিপি কর্মকর্তার অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন।

শ্যামনগরে এক দুর্নীতিগ্রস্ত সিপিপি কর্মকর্তার দুর্নীতি-অনিয়মের বিরুদ্ধে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল ১১ টায় সিপিপি উপজেলা কার্যালয়,(জেসি কমপ্লেক্স)এর সামনে এ কর্মসূচির আয়োজন করে সিপিপি শ্যামনগর পৌরসভার স্বেচ্ছাসেবকবৃন্দ। এতে ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে শ্যামনগর উপজেলা পৌরসভার সমস্ত নারী ও পুরুষ স্বেচ্ছাসেবকগণ অংশ নেয়।

ঘন্টাব্যাপী চলা এই কর্মসূচিতে অংশ নেয় শ্যামনগর পৌরসভার সিপিপি টিম লিডার মোঃ আব্দুর রশিদ নান্টু, ১নং ইউনিট টিম লিডার নজরুল ইসলাম মুন্না, ২ নং ইউনিট টিম লিডার, ভবেসিন্দু মন্ডল, ৩ নং ইউনিট টিম লিডার হাবিবুর রহমান ৪ নং ইউনিট টিম লিডার ইয়াছিন মোড়ল ৫ নং ইউনিট টিম লিডার রবিন্দ্রনাথ মন্ডল ৬ নং ইউনিট টিম লিডার শাহীন ভূইয়া, ৭ নং ইউনিট টিম লিডার আব্দুর রশিদ নান্টু। ৮ নং ইউনিট টিম লিডার হেলাল মাহমুদ, ৯ নং ইউনিট টিম লিডার দেবাশিস গায়েন সহ অন্যান্য রা বক্তব্য রাখেন।

এ সময় বক্তারা বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি(সিপিপি) সহকারী পরিচালক শ্যামনগর মুন্সি নুর মোহাম্মদ, দুর্যোগে কাজ করা সিপিপি সংগঠনকে একটা বাণিজ্যিক সংগঠন হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন।

নীতিমালা তোয়াক্কা না করে নিজের মনগড়া ভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসতেছে, সাধারণ স্বেচ্ছাসেবকদের মধ্যে বৈষম্য তৈরি করে স্বেচ্ছাসেবী কাজে মনোভাব নষ্ট করছেন।

সিপিপি স্বেচ্ছাসেবক নির্দেশিকা -২০২১ অনুসারে সিপিপিতে যোগদানের বয়স ১৮ থেকে ৩৫ নির্ধারণ থাকলেও এই নীতিমালা অমান্য করে মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নে নিপা চক্রবর্তী নামক একজন ৪০ উর্ধ্ব বয়স নারী স্বেচ্ছাসেবককে নিয়োগ দিয়েছিলেন।

অপর দিকে রমজাননগর ইউনিয়নের তানিয়া নামক ১৬ বছর বয়সের নারী স্বেচ্ছাসেবককে নিয়োগ দিয়েছিলেন ।

কর্মকর্তার আন অফিসিয়াল তার কথা না শোনার কারনে পদ্মপুকুর ইউনিয়নের মাছুরা নামক নারী স্বেচ্ছাসেবককে বিনা কারণে বাদ দেওয়া হয়েছে।

জেলা পরিষদ নির্বাচনে কর্মকর্তার মনোনীত প্রার্থীকে ভোট না দেওয়ার কারণে রমজাননগরের আছমা মেম্বার, ও কৈখালীর রাবিয়া মেম্বারের সিপিপির আই ডি কার্ড দিতে তালবাহানা করেছে।

বক্তারা আরো বলেন:
এভাবে চলতে থাকলে শ্যামনগরের উপকূলীয় আমজনতা সিপিপি থেকে দুর্যোগের সময় সেবা পাবে না:
কর্মকর্তা মুন্সী নুর মোহাম্মদ একের পর এক নিয়ম বহির্ভূত কর্মকাণ্ড করতে থাকে এবং তার সাথে সঙ্গ না দেওয়ায়, শ্যামনগর সদর ইউনিয়ন টিম লিডার মোঃ আব্দুর রশিদ নান্টু নামে বিভিন্নভাবে মিথ্যা হয়রানি মূলক বেনামী অভিযোগ দিয়ে থাকেন ।

সর্বশেষ মোঃ আব্দুর রাজ্জাক নামীয় ব্যক্তির পাঠানো অভিযোগে বিষয়টি পরিষ্কার হয়, মুন্সি নুর মোহাম্মদ, অভিযোগকারীদের স্থানে আব্দুর রাজ্জাকের নাম ব্যবহার করে ইয়াসিন মোড়ল এবং আব্দুর রশিদ নানটুর নামে পুনরায় অভিযোগ করে,
মিটিং সেমিনার কিংবা প্রশিক্ষণ কর্মশালায় স্বেচ্ছাসেবকদের সাথে তুই তুকারি করে কথা বলেন এই কর্মকর্তা।
দুর্যোগের সময় বিশেষ মুহূর্তে অতি প্রয়োজনে কর্মকর্তাকে ফোন করলে ফোন কেটে দেন।
প্রয়োজনে স্বেচ্ছাসেবকরা অফিসে গেলে কর্মকর্তা বিরক্ত বোধ করেন।
স্বেচ্ছাসেবকদের মাঝে একে অপরের সাথে বিরোধ লাগিয়ে স্বার্থ হাসিল করার চেষ্টা করেন এই কর্মকর্তা।

মন:পুত ব্যক্তিদের বিভিন্নভাবে অফিশিয়ালি সুযোগ সুবিধা দিয়ে থাকেন বিশেষ করে যারা তার অনিয়ম কর্মকান্ডের সাথে জড়িত থাকেন।

টাকার বিনিময়ে জাতীয় পুরস্কার পাইয়ে দেওয়ার জন্য প্রকাশ্য সহযোগী হিসেবে কাজ করেছেন,কর্মকর্তা মুন্সি নুর মোহাম্মদ, তার কাছের ব্যক্তি রমজান নগর ইউনিয়নের স্বেচ্ছাসেবক ফারুক হোসেন কে অফিসের নথি প্রকাশ করে, নায্য পুরষ্কার প্রাপ্য নজরুলের ডকুমেন্টস জাল করে ততকালীন ইউ এন ও কাছে প্রেরণ করে

এসব বিষয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে সাধারণ স্বেচ্ছাসেবকরা মানববন্ধনের মাধ্যমে কর্মকর্তা মুন্সি নুর মোহাম্মদের বদলি চেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।